বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ডব্লিউসিএ দ্বন্দ্ব

খেলোয়াড়দের অধিকার নিয়ে টানাপোড়েন


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম
খেলোয়াড়দের অধিকার নিয়ে টানাপোড়েন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই একের পর এক বিতর্কে জড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এরই মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রসঙ্গে ক্রিকেটারদের বৈশ্বিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সমালোচনার মুখে পড়ার পর এবার খেলোয়াড়দের অধিকার ইস্যুতে নতুন করে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দুই পক্ষ।

ইএসপিএন ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে আইসিসি খেলোয়াড়দের যে অংশগ্রহণ–সংক্রান্ত শর্ত পাঠিয়েছে, তা ২০২৪ সালে আইসিসি ও ডব্লিউসিএর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ডব্লিউসিএর অভিযোগ, নতুন শর্তগুলো আগের চুক্তির তুলনায় অনেক বেশি শোষণমূলক।

ডব্লিউসিএ এ বিষয়ে আইসিসিকে চিঠি দিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (এনজিবি) জন্য প্রযোজ্য ছিল। বাকি দেশগুলো ওই চুক্তির আওতায় পড়ে না।

আইসিসির তালিকাভুক্ত আটটি বোর্ড হলো—অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ড। ভারতে গিয়ে খেলতে রাজি না হওয়ায় বাংলাদেশ এই তালিকায় নেই; তাদের জায়গায় রয়েছে স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোর্ড ডব্লিউসিএকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় ওই দেশগুলোর খেলোয়াড়েরা সংগঠনটির সদস্য নন।

ইতালি, জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান, নামিবিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার খেলোয়াড় সংগঠন থাকলেও ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা আইসিসির পক্ষ থেকে কোনো শর্তাবলি পায়নি। ডব্লিউসিএর আশঙ্কা, তাদের কাছেও একই বিতর্কিত শর্ত পাঠানো হবে।

ডব্লিউসিএর দাবি, ২০২৪ সালের চুক্তিটি সংগঠনের সব সদস্যের জন্য প্রযোজ্য ছিল, তারা বিশ্বকাপে খেলুক বা না খেলুক। আইনগতভাবে এ চুক্তি সবার জন্য কার্যকর হওয়া উচিত বলেও দাবি সংগঠনটির।

Link copied!