লন্ডন সফর শেষে আজ লাহোরে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ; দেশে পৌঁছেই পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি। বৈঠকে বিশ্বকাপ ঘিরে জটিলতা, আইসিসির অবস্থান ও সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে, এবং সরকারের নির্দেশনায় পিসিবি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। এতে নির্ধারিত হবে বাবর আজমদের দলের টুর্নামেন্ট ভাগ্য।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশের প্রতি আইসিসির ‘দ্বৈত মানদণ্ড’ নিয়ে পাকিস্তানের ক্ষোভ বাড়ছে; ভারত-শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপে দল পাঠানোর অনুমতি ফেডারেল সরকার নাও দিতে পারে। এক জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা বলেন, “এটি শুধু ক্রিকেট নয়, নীতির প্রশ্ন; বাংলাদেশকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করায় পাকিস্তান নতুন করে ভাবছে।”
পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি আগেই স্পষ্ট করেছেন, বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ানো নীতিগত অবস্থান এবং সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও বাধ্যতামূলক হবে। তিনি বলেন, “ক্রিকেটকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা কারো জন্যই কল্যাণকর নয়; সরকার যা বলবে, তাই মানব।” পাক জাতীয় দলের খেলোয়াড়রাও এই নীতিগত অবস্থানকে সমর্থন করেছে।
এরপরও আইসিসি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, দাবি করে যে তিন সপ্তাহের পর্যালোচনায় ভারতে বাংলাদেশ দলের জন্য কোনো ‘বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি’ পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানের এই অবস্থানে আইসিসি ক্ষুব্ধ হয়েছে এবং বয়কট করলে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিষেধ, পিএসএল-এ বিদেশি খেলোয়াড়ের নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট বন্ধসহ বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছে।


















