• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০, ১৪ শা’বান ১৪৪৫

কিডনি ভালো রাখতে যে অভ্যাসগুলো জরুরি


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ২৪, ২০২৩, ১১:৪৯ এএম
কিডনি ভালো রাখতে যে অভ্যাসগুলো জরুরি

আজকাল রোগবালাইয়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়স লাগে না। যেকোনো বয়সেই যেকোনো রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, কাজের চাপ, নানা ব্যস্ততার কারণে অনিয়ম আর অবহেলার প্রভাব পড়ে শরীরের ওপর। এসব কারণে শরীরে বাসা বাঁধে নানা ক্রনিক অসুখ। তেমনি শরীরের অন্যান্য সবকিছুর মতো কিডনিরও যত্ন নেওয়া অবশ্যই জরুরি। কারণ, কিডনি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ, অতিরিক্ত পানি এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থ শোধন করে রক্তের পটেনশিয়াল অব হাইড্রোজেন ব্যালান্স (পিএইচ) বজায় রাখে, যা সুস্থ থাকার জন্য খুব জরুরি। এ ছাড়া কিডনিতে কোনো সমস্যা হলে তা ধরা পড়ে অনেক দেরিতে। অনেক ক্ষেত্রে একটি কিডনি বিকল হয়ে গেলেও কাজ চলতে থাকে অন্যটি দিয়ে। ফলে ভেতরে ভেতরে যে ক্ষতি হচ্ছে তা টের পাওয়া যায় দেরিতে। হঠাৎ ওজন ঝরে যাওয়ার মমতো উপসর্গ দেখলে কিডনির ক্যানসারের বিষয় সতর্ক হতে হবে। আজকাল কিডনির রোগে ভুগছে শিশুরাও। তাই ছোট-বড় সবাইকে কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন আনলেই ভালো রাখা যাবে কিডনি। তাই কিডনি ভালো রাখতে চলুন জেনে নেওয়া যাক সে অভ্যাসগুলো কী।

  • শরীরে পানির ঘাটতি হলেই কিন্তু বিপদ। পানি শরীরের যাবতীয় টক্সিন বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। তাই পানির জোগান কিডনি যত পাবে, তার শারীরবৃত্তীয় কাজে তত সুবিধা হবে। পানির অভাব হলে কিডনিতে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।
  • কিডনি বিকল হওয়ার অন্যতম কারণ হলো প্রস্রাব চেপে রাখা। অনেকেই অভ্যাসবশত প্রস্রাবের বেগ চেপে রাখেন। দিনের পর দিন এই অভ্যাস কিন্তু বিপদ ডেকে আনে। ফলে মূত্রনালিতে চাপ পড়ে, তাতেই বিকল হয় কিডনি। দীর্ঘ সময় ধরে টক্সিন ধরে রাখায় কিডনিতে সংক্রমণ ঘটার আশঙ্কাও বাড়ে।
  • ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনির অসুখের ঝুঁকি বেশি। তাই কিডনি ভালো রাখতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে রক্তে শর্করার পরিমাণ কোনোভাবেই বাড়তে দেওয়া যাবে না। এর জন্য ডায়েটে নজর দিন, হাঁটাহাঁটি করুন, শরীরচর্চায় করুন।
  • সামান্য মাথাব্যথা হোক কিংবা পেটে ব্যথা মুঠো মুঠো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস থাকে অনেকেরই। অতিরিক্ত বেদনানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস কিন্তু কিডনির নানা সমস্যা তৈরি করে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক বা বেদনানাশক ওষুধ খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।
  • ধূমপান কিডনিতে রক্ত চলাচল ব্যহত করে। এ ছাড়া কিডনি ক্যানসারেরও ঝুঁকি বাড়ায়। ধূমপান একেবারেই বর্জন করুন। শিশুর ও নারীরা পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। সবার সুরক্ষার জন্যই ধূমপান ছাড়াটা জরুরি।
  • প্রচুর শাকসবজি, ফলমূল খেতে হবে। লাল মাংস কম খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পানি বেশি খেলে কিডনি ভালো থাকবে এমনটি নয় তবে আবহাওয়া অনুযায়ী যথেষ্ট পানি পান করতে হবে। শিশুরা স্কুলে ঠিকমতো পানি পান করে কি না খেয়াল করুন। সংক্রমণ এড়াতে ব্যক্তিগত ও টয়লেটের পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিন।
Link copied!