• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১২ ফাল্গুন ১৪৩০, ১৫ শা’বান ১৪৪৫

পিরিয়ডের ব্যথা কখন চিন্তার কারণ?


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০২৩, ০১:৩৯ পিএম
পিরিয়ডের ব্যথা কখন চিন্তার কারণ?

বেশিরভাগ নারীই ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা অনুভব করেন। ব্যথাটি সাধারণত তলপেটে খিঁচ ধরে থাকা ব্যথার মতো অনুভূত হয়। তলপেটের সাথে সাথে এটি পিঠ, উরু, পা এবং শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। পিরিয়ড চলাকালীন প্রায় পুরো সময় এ ব্যথা থাকে। তবে অনেক সময় এ ব্যথার তীব্রতা অনেক বেশি বেড়ে যায় এবং এর কারণে খিঁচুনি পর্যন্ত হতে পারে। এ সময় কেউ কেউ বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া এবং মাথাব্যথায়ও ভোগেন।

পিরিয়ডের সময় ব্যথা হয় কেন?
ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ও প্রজণন স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষক ড. কেটি ভিনসেন্ট যিনি পিরিয়ডের ব্যথা নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি বিবিসিকে বলেছেন, "যখন একজন নারীর মাসিক হয়, তখন জরায়ু সংকুচিত হয় যাতে শরীরের ভেতর থেকে রক্ত বেরিয়ে আসতে পারে। আর যখন মাথা ঘোরার মতো অনুভূতি হয়, সেটি আসলে জমাটবাধা রক্তের নির্গমনের কারণে হয়।” এছাড়া অনেকের পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে শরীরে প্রচণ্ড প্রদাহ হয়। জরায়ু গঠনকারী টিস্যু থেকে এ সময় এক ধরণের রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়, যার কারণে ব্যথা হয়। সেই সঙ্গে পিরিয়ডের সময় এরা জরায়ুর পেশীকে সংকুচিত করে এবং প্রদাহ তৈরি করে, যার কারণে ব্যথা হয়।

প্রদাহ বা ব্যথা হলে ভালো না খারাপ
ড. ভিনসেন্ট বলছেন, প্রদাহের অনেক ইতিবাচক কার্যক্রম আছে। কেউ যখন আহত হয়, তখন প্রদাহ একটি শারীরিক প্রক্রিয়া শুরু করে যা টিস্যুর পুনর্গঠনে সহায়তা করে। তাই, ঋতুস্রাবের সময় সব ধরণের ব্যথার জন্য দায়ী হচ্ছে প্রোস্টাগ্ল্যানডিনস যা জরায়ুকে পরিপূর্ণভাবে সেরে উঠতে সহায়তা করে এবং মাসিকের সব তরল যাতে জরায়ু থেকে বের হয়ে যায় তা নিশ্চিত করে। কিন্তু সমস্যা তখন হয় যখন এই ব্যথা বা প্রদাহ অতিমাত্রায় হয়।

পিরিয়ডের ব্যথা কখন চিন্তার কারণ?

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা এনআইএইচ এর তথ্য যন্ত্রণাদায়ক পিরিয়ডের কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ চিহ্নিত করেছে। যেমন-

  • এন্ডোমেট্রিওসিস
  • ফাইব্রয়েড
  • তামা দিয়ে তৈরি ইনট্রটেরিন ডিভাইস(আইইউডি)
  • পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (পিআইডি)
  • প্রিমেন্সট্রুয়াল সিনড্রোম (পিএমএস)
  • যৌনমিলনের কারণে সংক্রমিত রোগ
  • স্যানিটারি ন্যাপকিন

তাই ব্যথা যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

Link copied!