• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১, ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

কাঁচা আম না পাকা আম, কোনটি স্বাস্থ্যসম্মত?


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: মে ১৫, ২০২৪, ০৯:০৫ পিএম
কাঁচা আম না পাকা আম, কোনটি স্বাস্থ্যসম্মত?
ছবি: সংগৃহীত

গরমকালে রসালো ফলের ভান্ডার থাকে। গরমের তৃষ্ণা মেটাতে রসালো ফলে ডুব দিতে মরিয়া হয়ে উঠে সবাই। আম, কাঠাল, তরমুজ কত ফলই না পাওয়া যায় এই মৌসুমে। তবে সবার পছন্দের শীর্ষে থাকে আম। কাঁচা আমের যেমন জনপ্রিয়তা রয়েছে তেমনই পাকা আম খাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনতে থাকে সবাই। জৈষ্ঠ্য পড়তেই গাছে ফলন ধরেছে হিমসাগর, ল্যাঙড়া, গোলাপখাস, আম্রপালি আমের। কাঁচা আমের সমাহার দেখা যায় বাজারজুড়ে। আচার, চাটনি কিংবা মোরব্বা বানিয়ে রাখছেন অনেকে। সবমিলিয়ে প্রিয় আম খেতে খেতেই কাটিয়ে দেবে পুরো মৌসুম।

আম খাওয়ার আগে এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। পুষ্টিবিদরা জানান, কাঁচা ও পাকা আমের পুষ্টিগুণে ভিন্নতা রয়েছে। দুটোই স্বাস্থ্যসম্মত। কিন্তু তা পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।

অনেকের ধারণা, পাকা আম খেলে রক্তে শর্করা বেড়ে যায়। অন্যদিকে কাঁচা আম খাওয়া নিরাপদ। কিন্তু এই দুটি আমেই পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়। তাই পাকা আম খাওয়া বাদ দেওয়া যাবে না। চলুন জেনে নেই কোন আমে কেমন পুষ্টি পাওয়া যাবে।

 ·        কাঁচা আম ও পাকা আম স্বাদের দিক থেকেও ভিন্ন। আম কাঁচা অবস্থায় টক স্বাদ হয়। অন্যদিকে তা পেকে গেলে মিষ্টি স্বাদের হয়ে যায়। কাঁচা আমে ভিটামিন সি বেশি থাকে। যা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নত করে। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। যা ত্বক এবং চুলের জন্যও ভালো। অন্যদিকে পাকা আমে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন। যা দৃষ্টিশক্তিকে ভালো রাখে।

·        পাকা আমে শর্করার পরিমাণ বেশি। এটি খেলে রক্তে শর্করা বেড়ে যায়। অন্যদিকে কাঁচা আম খেলে সেই আশঙ্কা থাকে না।

·        পাকা ও কাঁচা আমে ফাইবার রয়েছে। তবে কাঁচা অবস্থায় আমে ফাইবার একটু বেশি থাকে। তাই ফাইবার পেতে কাঁচা আম খাওয়া ভালো।

·        কাঁচা আমে পটাশিয়াম থাকার কারণে এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখে। শরীরে ঘাম কম হয়। গরমে ক্লান্তিও দূর হয়। পাকা আমে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকায় তা শরীকে দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে৷

·        কাঁচা আমে গ্যালিক অ্যাসিড থাকার কারণে এটি হজম প্রক্রিয়াকে গতিশীল করে৷ তবে অতিরিক্ত পরিমাণে কাঁচা আম খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। অন্যদিকে গ্যাস্ট্রিকে সমস্যা থাকলেও অনায়াসের পাকা আম খেতে পারেন। এতে এসিডিটি হয় না।

 ·        ছোট শিশুদের জন্য পাকা আমের রস বেশ উপকারী। এক বছরের বেশী বাচ্চাদের পাকা আমের রস খাওয়ালে দৃষ্টিশক্তি, দাঁত ও চুল ভালো রাখে।

Link copied!