বাংলাদেশের জন্য অনুদান ৬০ কোটি রুপি

সবচেয়ে কম সহায়তা পাচ্ছে বাংলাদেশ


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১১:৫৪ পিএম
সবচেয়ে কম সহায়তা পাচ্ছে বাংলাদেশ

ভারতের নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বাংলাদেশের জন্য অনুদান বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে বাংলাদেশকে সহায়তা বা অনুদান বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬০ কোটি ভারতীয় রুপি, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৭৪ শতাংশ বেশি। তবে বরাদ্দ বাড়লেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম ভারতীয় সহায়তা পাচ্ছে বাংলাদেশ।

ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেটের নথিতে বলা হয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চাহিদার ভিত্তিতেই এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী, বাংলাদেশকে সহায়তা দেওয়া হয়েছিল ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপি। যদিও ওই অর্থবছরের মূল বাজেট প্রস্তাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের জন্য ১২০ কোটি রুপি অনুদানের প্রস্তাব দিয়েছিল, পরে তা কমিয়ে আনা হয়।

বাজেট নথি অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি সহায়তা পাচ্ছে ভুটান। দেশটির জন্য মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৫৬ লাখ রুপি—এর মধ্যে ১ হাজার ৭৬৯ কোটি রুপি অনুদান এবং ৫২০ কোটি রুপি ঋণ। গত অর্থবছরে ভুটান পেয়েছিল ১ হাজার ৯৫০ কোটি রুপি।

সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নেপাল, যারা পাচ্ছে ৮০০ কোটি রুপি। তৃতীয় স্থানে থাকা মালদ্বীপের জন্য বরাদ্দ ৫৫০ কোটি রুপি, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় কিছুটা কম। শ্রীলঙ্কা পাচ্ছে ৪০০ কোটি রুপি, মিয়ানমার ৩০০ কোটি রুপি এবং আফগানিস্তান পাচ্ছে ১৫০ কোটি রুপি।

বিশ্লেষকদের মতে, একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে অনুদান পাওয়ার বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অনেক দেশই অনুদানের পরিমাণ কমিয়ে কঠোর শর্তে ঋণ দিচ্ছে। ভারতও গত এক দশকে বাংলাদেশকে মূলত লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

প্রথামাফিক, আজ ১ ফেব্রুয়ারি ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট সংসদে উপস্থাপন করেন। ৫৩ দশমিক ৫০ লাখ কোটি রুপির এই বাজেট আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। ভারতের অর্থবছর শুরু হয় ১ এপ্রিল এবং শেষ হয় পরবর্তী বছরের ৩১ মার্চ।

Link copied!