দেশের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসানকে জাতীয় ক্রিকেট দলে ফেরানোর প্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর জানিয়েছেন, এই সপ্তাহান্তের মধ্যেই সাকিবের বিরুদ্ধে থাকা মামলার কেস ফাইলগুলো ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে পাঠানো হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এই তারকা অলরাউন্ডার।
বিসিবির উদ্যোগ ও সাকিবের অবস্থান
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক টক শো-তে আসিফ আকবর জানান, সাকিবের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে এবং সবশেষ আমেরিকায় সাক্ষাতেও কথা হয়েছে। সাকিব জানিয়েছেন, তিনি খেলতে চান এবং বোর্ড পরিচালকদের সম্মতিক্রমে বিসিবিও তাকে দলে ফেরাতে চায়। মামলার বিষয়ে সাকিবের আইনজীবী ইতিমধ্যে বিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আসিফ আকবর জানান রোববার বা সোমবারের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে সরকারের কাছে ফাইলগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে।
সরকারের ইতিবাচক সংকেত
যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপদেষ্টা আমিনুল হক এর আগেই স্পষ্ট করেছিলেন, সাকিবের মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি রাষ্ট্রের আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং বোর্ডের এককভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার নেই। তবে সরকার ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে—সূত্র বলছে, বড় ক্রিকেটাররা যেন রাজনৈতিক পরিস্থিতির শিকার না হন, এই মর্মে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
পটভূমি
২০২৪ সালের আগস্টের পর সাকিবের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা দায়ের হয়, যা তার দেশে ফেরার পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফিরতে পারেন, যদিও সাকিব নিজেই এই গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছেন। বিসিবি চলতি মাসে তাকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত রেখে এবং সরকারের ছাড়পত্র পেলে পরবর্তী সিরিজ থেকে দলে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে।







































