জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্প্রতি জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে কোনো ব্যক্তির মোট বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে থাকলে মুনাফার ওপর উৎসে করের হার ৫ শতাংশই প্রযোজ্য হবে। এর আগে জানুয়ারি মাসে নতুন আয়কর আইনের ধারায় সঞ্চয়পত্রের সব বিনিয়োগে ১০ শতাংশ হারে কর কেটে নেওয়ায় কম বিনিয়োগকারীদের মুনাফা কমে যায় এবং এতে ক্ষোভ তৈরি হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি সব মিলিয়ে পাঁচ লাখ টাকার কম বিনিয়োগ রাখেন, তাহলে ওই বিনিয়োগ থেকে পাওয়া মুনাফায় ৫ শতাংশ উৎসে কর কাটা হবে। আবার কোনো আয়বর্ষে শুধু পেনশনার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে সীমিত থাকলে সে ক্ষেত্রে মুনাফার ওপর কোনো উৎসে কর প্রযোজ্য হবে না, অর্থাৎ হার থাকবে শূন্য শতাংশ।
তবে কোনো ব্যক্তির নির্দিষ্ট আয়বর্ষে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম করলে সেই বাড়তি অংশ থেকে প্রাপ্ত মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হবে। একই সঙ্গে এনবিআর স্পষ্ট করেছে, পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে বিনিয়োগ থাকলে তাদের মুনাফা থেকে আগের মতোই কোনো উৎসে কর নেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা হার কমানোর সরকারিভাবে ঘোষিত সিদ্ধান্ত গত ৩১ ডিসেম্বর কার্যকরের চার দিনের মাথায় বাতিল হওয়ায় ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের যে মুনাফার হার ছিল, তা চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন মেয়াদেও অপরিবর্তিত আছে। বর্তমানে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার নিচে বিনিয়োগকারীরা এক ধাপ এবং এর বেশি বিনিয়োগকারীরা অন্য ধাপে গণ্য হচ্ছেন; বিভিন্ন স্কিমে মুনাফার হার এখন সর্বোচ্চ প্রায় ১১ দশমিক ৮২ থেকে ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।
































