• ঢাকা
  • বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১,

রোগমুক্তি লাভে পূজা হয় শীতলা দেবীর


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২১, ০২:৫৩ পিএম
রোগমুক্তি  লাভে পূজা হয় শীতলা দেবীর

২ জুলাই ( ১৭ আষাঢ়) শুক্রবার, আষাঢ় মাসের শীতল অষ্টমী। প্রতি বছর চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে মূলত এই পুজো করা হয়। সবাইকে রোগব্যাধী থেকে মুক্ত রাখতে মা শীলতার সন্তুষ্টি লাভে করা হয় এই পুজো।

শীতলার আক্ষরিক অর্থ সংস্কৃততে 'শীতল হওয়া'। আষাঢ় মাসের অষ্টমী তিথিতেও পুজো হয় মা শীতলার। এই পুজো 'শীতল অশীতলা অষ্টমী' অথবা 'বসুধা' নামে পরিচিত।

হিন্দু ধর্মাম্বলীর বিশ্বাস অনুযায়ী, আদ্যাশক্তি দেবী দূর্গার অবতার হিসাবে পক্স, ঘা, ব্রণ, ফুস্কুড়ি প্রভৃতি রোগ নিরাময় করেন এবং পিশাচের (মড়া খেকো ভুত) হাত থেকেও রক্ষা করেন।

হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুসারে, এই দেবীর প্রভাবেই মানুষ বসন্ত-সহ নানা চর্মরোগাক্রান্ত হয়। এই কারণেই গ্রামবাংলায় বসন্ত রোগ ‘মায়ের দয়া’ নামে অভিহিত হয়ে থাকে।

শীতলা দেবী শান্তি ও স্বাস্থ্যের প্রতীক। মনে করা হয়, এই দিন দেবী শীতলার পুজো করলে, পরিবারে সুখ- সমৃদ্ধি আসে। সবাই সুস্থ থাকেন। শীতল অষ্টমীতে মানুষের ভেতরের দানব ধ্বংস করেন মা শীতলা। 

দেবী শীতলার পুজো করার কিছু নিয়মবিধি রয়েছে। যেমন

  • মা শীতলার পুজোর দিন চুলা বা গ্যাস জ্বালাতে নেই।
  • পুজোর আগের দিনই সব খাবার তৈরি করে রাখতে হয়।
  • সকালে ঘুম থেকে উঠে নারীরা দেবী শীতলার পুজো করেন।
  • শীতলা দেবীকে বাসি খাবার উৎসর্গ করার নিয়ম আছে এই দিন।
  • হিন্দু শাস্ত্র মতে, শীতল অষ্টমীর দিন টাটকা খাবার খাওয়া ও গরম পানিতে স্নান করা অশুভ। তাই বাড়ির সবাই এই দিন বাসি খাবারই খান।
  • মা শীতলা ঠাণ্ডা জিনিস পছন্দ করেন। তাই শরীর ঠাণ্ডা করে এরকম খাবার এই পুজোয় উৎসর্গ করা হয়। যেমন ডাব, দই ইত্যাদি।
  • বিশ্বাস করা হয়, নিয়মকানুন মেনে দেবী শীতলার পুজো করলে, সব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সংসারে কোনও রোগ থাকে না।
Link copied!