• ঢাকা
  • বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ২০ জ্বিলকদ ১৪৪৫

গরমে বরফঠান্ডা পানির বিপদ


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৪, ০৮:০০ পিএম
গরমে বরফঠান্ডা পানির বিপদ
বরফঠান্ডা পানি পান ক্ষতিকর। ছবি: সংগৃহীত

চলছে গ্রীষ্মকাল। প্রচণ্ডরকম গরম পড়ছে। বাইরে কাজে বেরুলেই ঘেমেনেয়ে একাকার। একেবারে গলদঘর্ম অবস্থা। আর বাইরে থেকে ফিরেই হাত চলে যায় ঘরের ফ্রিজটির দিকে। কয়েক ঢোক বরফঠান্ডা পানি খেলেই যেন শান্তি। কিন্তু না। এমনটা সাময়িক ভালো লাগলেও পরিণতি বিপদ ডেকে আনতে পারে।

হৃৎস্পন্দন কমবে: বরফঠান্ডা পানি হৃৎস্পন্দন কমিয়ে দিতে পারে। শরীরের স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রে উদ্দীপনা তৈরি করে এটি। যখন ঠান্ডা পানি খাওয়া হয়, তখন এর শীতল ভাব স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করে হৃৎস্পন্দন কমিয়ে দেয়।

পেটব্যথা: হিমশীতল পানি শরীরে বড় ধরনের ধাক্কা দেয়। হজমজনিত সমস্যার কারণ হতে পারে। যাতে রক্তনালির সংকোচন ঘটে; যার ফলে হজমক্রিয়া ব্যাহত হয়। কারণ, ঠান্ডা পানিতে পাকস্থলী সংকুচিত হয়ে যায়। তাছাড়া ঠান্ডা পানি খেলে পরিপাকতন্ত্র দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যা বড় বিপদও ডেকে আনতে পারে।

গলার সংক্রমণ: ঘেমেনেয়ে বাইরে থেকে ফিরেই ঢক ঢক করে বরফঠান্ডা পানি খাওয়ার অভ্যাসে গলায় সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। ঘন ঘন ফ্রিজের পানি খাওয়ার কারণে গলাব্যথা, সর্দি-কাশি তো লেগেই থাকে। আর গরমে এ সমস্যা আরও বেশি বাড়ে। বিশেষ করে খাওয়া-দাওয়ার পর ফ্রিজের পানি খেলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। কারণ, গলায় ও শ্বাসযন্ত্রে মিউকাসের পরিমাণ বেড়ে যায়।

পানির চাহিদা কমে যায়: ঠান্ডা পানিতে খুব দ্রুতই তৃষ্ণা মেটে। মনে হয়, আর পানি পানের দরকার নেই। অথচ শরীরে পানির চাহিদা থেকেই যায়। পানির এ ঘাটতি থেকে পানিশূন্যতা তৈরি হয়, যা শরীরের অন্যান্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ওজন বেড়ে যাওয়া : বরফঠান্ডা পানি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। শরীরের বাড়তি মেদ সহজে ঝরতে চায় না। উল্টো ফ্যাট আরও বেশি করে জমতে শুরু করে। এ কারণে ডায়েটে ঠান্ডা পানি রাখতে বারণ করে থাকেন চিকিৎসকরা।

দাঁত শিরশিরানি : অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি খেলে দাঁতের সমস্যাও হতে পারে। দাঁতে যন্ত্রণা থেকে শুরু করে শিরশির করা– সবই হতে পারে। এ ছাড়া মাড়ির নানা সংক্রমণও দেখা দিতে পারে। তাই গরম লাগলেও ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলুন।

Link copied!