• ঢাকা
  • বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০, ১০ শা’বান ১৪৪৫

তৃপ্তি নিয়েই অধিনায়কত্ব ছাড়লেন তামিম


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: আগস্ট ৪, ২০২৩, ১০:৩১ এএম
তৃপ্তি নিয়েই অধিনায়কত্ব ছাড়লেন তামিম
ফাইল ছবি

আফগানিস্তানের সাথে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচের পর-পরিই অবসরের ঘোষণা দেন তামিম ইকবাল খান। এরপর অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অবসর থেকে ফিরে আসেন তিনি। এবার অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন তামিম। বৃহস্পতিবার বিসিবি সভাপতির বাসায় এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানান তিনি।

তামিম ইকবাল কখনি ‘ক্যাপ্টেন ম্যাটেরিয়াল ‘ বলে খ্যাতি ছিল না। তবুও তামিমের কাঁধেই দায়িত্বের ভার দিতে হয়েছিল ২০২০ সালের ৯ মার্চের এক বোর্ড সভা শেষে। অবশ্য এর আগেও ওয়ানডেতে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।  ২০১৯ সালে  শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফির চোটের কারণে বাহিরে থাকায় তার উপরে আসে দায়িত্ব। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া তামিম সেই সিরিজে ছিলো ব্যর্থ। শ্রীলঙ্কার কাছে ৩-০ ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ।

মাশরাফি বিন মুর্তজা ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সাফল্য অথবা স্বপ্ন তুলে দিয়েছিলেন  এতো উপরে যে সেখান থেকে তামিম ‘খুব ভালো’ কিছু করতে না পারলে সেটি ছিল অবধারিত ব্যর্থতা। তিনি চ্যালেঞ্জটা নিয়েছিলেন। করোনায় প্রায় বছরখানেক বিরতির পর ‍‍`২১ সালের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরু হয় তামিমের অধিনায়কত্ব পর্ব, তিন ম্যাচের সিরিজের সবগুলোই জেতে বাংলাদেশ। 

এরপর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ হারে তামিমের বাংলাদেশ। তবে সেই হারের পর শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। হারের সিরিজ ছিলো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। এছাড়াও জিম্বাবুয়ের মাটিতে গিয়েও তার নেতৃত্বে সিরিজ হেরেছিলো বাংলাদেশ।

ওয়ানডেতে অধিনায়ক হিসেবে তামিম যে সফল, এর সবচেয়ে বড় সাইনবোর্ড দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের ওয়ানডে সিরিজ। ২০ বছর অপেক্ষার পর গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথমবার সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। যেখানে সিরিজ জিততে ভারতে সময় লেগেছিলো ২৬ বছর।

অবশ্য, অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর তামিম বলেছেন, ‘ভ্রমণটা দারুণ ছিল, ফলই কথা বলবে। আমি ভালো করেছি। তবে যদি অধিনায়ক থাকতাম, তাহলে স্বার্থপরের মতো হতো। যারা আমাকে চেনে, (তারা জানে) আমি সব সময় দলকে এগিয়ে রাখি। এটিই আমার হয়ে কথা বলবে।’

তামিমের অধিনায়ক থাকা অবস্থায় ৩৭ ম্যাচে, যেখানে তাঁর জয় ২১ টি, অর্থাৎ জয়ের হার ৫৬.৭৫। বাংলাদেশ ক্রিকেট অধিনায়ক হিসেবে যাঁকে আলাদা জায়গা দেওয়া হয়, সেই মাশরাফি বিন মুর্তজার চেয়ে তামিমের জয়ের শতাংশ মাত্র দশমিক শূন্য ৬ কম। ৮৮ ম্যাচে ৫০ জয়ে অধিনায়ক মাশরাফির সাফল্যের হার ৫৬.৮১।

অধিনায়ক হিসেবে না থাকলেও যিনি তাঁর জায়গায় আসবে, তাঁকে সহায়তা করার আশ্বাস দেন তামিম।

Link copied!