বগুড়ায় তারেকের ছেড়ে দেওয়া আসনে কে হবেন বিএনপির প্রার্থী


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১১:২০ এএম
বগুড়ায় তারেকের ছেড়ে দেওয়া আসনে কে হবেন বিএনপির প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ এবং ঢাকা-১৭ আসনে বিজয়ী হয়ে শপথ গ্রহণের আগের দিন এই পৈতৃক আসন ছেড়ে দেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ফলে নির্বাচন কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে যদিও তফসিল এখনো জারি হয়নি

। এই আসনটি বিএনপির ঐতিহ্যবাহী শক্তিধাম—১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সব নির্বাচনে দলের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়ী হন, যার মধ্যে ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় লাভ করেন এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনে তারেক রহমান ১৫০টি কেন্দ্রের সবগুলোতে এগিয়ে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে জামায়াতের আবিদুর রহমানের ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোটের তুলনায় ১ লাখ ১৮ হাজারের ব্যবধানে জয়ী হন, যখন মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজারের মধ্যে ৭১% ভোট পড়ে।

বগুড়া পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসন জিয়া পরিবারের প্রতীক, যেখানে দীর্ঘ ১৯ বছর পর তারেক ২০২৬-এ ফিরে বিশাল জয় নিয়ে দলীয় সমর্থকদের উল্লাস ছড়িয়ে দেন। এখন উপনির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা উত্তেজিত—কেউ কেউ তারেকের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান বা শর্মিলা রহমান সিঁথিকে প্রার্থী করার জোর দাবি তুলেছেন বলে জানা যায়, কারণ জিয়া পরিবারের বাইরে প্রার্থী মনোনয়ন করলে জয় নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।

স্থানীয় নেতাদের মধ্যে সম্ভাব্য তালিকায় বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশা (যিনি ৮২ হাজার ভোটে পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন এবং জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতা), সাবেক সভাপতি একেএম মাহবুবুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম, বগুড়া-৭ এর সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার এবং বিএনপি মিডিয়া সেল চেয়ারম্যান মওদুদ হোসেন আলমগীর (পাভেল)-এর নাম সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে। জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৪ এর এমপি মোশারফ হোসেন বলেন, ‘প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তফসিল ঘোষণার পর যথাসময়ে হাইকমান্ড ঘোষণা করবে—বগুড়া-৬ ও -৭ জিয়া পরিবারের আসন, অতীতে খালেদা জিয়া এবং এবার তারেক বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন, উপনির্বাচনে জিয়া পরিবারের কেউ না অন্য নেতা সিদ্ধান্ত নেবেন চেয়ারম্যান তারেক।’ দলীয় সূত্র জানায়, স্থানীয় সমর্থকরা জিয়া পরিবারের প্রার্থীত্বের দাবিতে সবচেয়ে সক্রিয় যখন হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সবাই রয়েছে।​

Link copied!