• ঢাকা
  • শনিবার, ১৮ মে, ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১,

ঈদের পর বেড়েছে মাছের দাম


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২৩, ০২:৪৩ পিএম
ঈদের পর বেড়েছে মাছের দাম

বাজারে নিত্যপণ্যের প্রায় সব কিছুর দামই বাড়তি। যদিও মাছের দাম কিছুটা স্থিতিশীল ছিল। তবে স্থিতিশীলতা ভেঙে ঈদের ছুটির পর কেজিতে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে মাছের দাম।

রোববার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।  

তিন কেজি ওজনের রুই মাছে দাম ৪০০ টাকা কেজি ও ৫ কেজি ওজনের রুই মাছ ৫০০ টাকা কেজি, ৪ থেকে সাড়ে ৪ কেজি ওজনের কাতল মাছ ৪০০ টাকা ও ১০ কেজি ওজনের কাতলের দাম ৫০০ টাকা কেজি, পাবদা মাছ ৪৫০ টাকা কেজি, বড় সাইজের মলা মাছ ৫০০ টাকা কেজি, টেংরা মাছ ৬০০ টাকা কেজি, কাচকি মাছ ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে রাজধানীর অন্যতম বাজার কারওয়ান বাজারে।

তুলনামূলক কম দামের যে মাছগুলো, সেগুলো নিয়ে বসে থাকা এক বিক্রেতা বলেন, কেজি প্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে মাছের দাম। তার কাছে থাকা ছোট রুই মাছ ২৮০ টাকা কেজি, ছোট মলা ৩০০ টাকা, চাপিলা ১৬০ টাকা ও ব্রিগেড ২০০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে।

আমদানি কম থাকায় চিংড়ির দাম কেজি প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে বলে দাবি কারওয়ান বাজারের চিংড়ি ব্যবসায়ীদের। বর্তমানে কারওয়ান বাজারে প্রতিকেজি ছোট গলদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। আকারে একটু বড় গলদা চিংড়ির দাম ১১০০ টাকা কেজি, বাগদা চিংড়ি ৬৫০ টাকা ও দেশি ছোট চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে।

এক কেজি থেকে ১২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মাছ ১৮০০ টাকা কেজি, এর চেয়ে একটু ছোট ইলিশের দাম ১৬০০ টাকা কেজি, আর ৫০০ গ্রাম যেসব ইলিশের, সেগুলো কিনতে হলেও কেজি প্রতি ক্রেতাকে গুনতে হবে ৯০০ টাকা।

শুক্কুর আলী নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, মাছ ধরা এখন বন্ধ আছে বলে ইলিশের দামটা অনেক বেশি। তবে খুব শিগগিরই দাম কমে আসবে। দাম বেশি হলেও বিক্রি ভালো হচ্ছে। মানুষ ইলিশ কিনছে।

তবে স্থিতিশীল রয়েছে চাষের শিং, মাগুর, শোল বা টেংরা মাছের দাম। চাষকৃত শিং, মাগুর মাছ আকারভেদে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি, শোল মাছ ৮০০ টাকা কেজি ও টেংরা মাছ ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা যায়।

দাম শুনে অসন্তোষ প্রকাশ করে এক ক্রেতা বলেন, “মাছের দাম অনেক বেশি। ঈদের আগেও যে মাছ নিয়েছি ৮০০ টাকা কেজিতে, সে মাছ এখন হয়ে গেছে ১২০০ টাকা কেজি। আর ইলিশ মাছের সামনে তো যাওয়াই যায় না।”

এদিকে বিক্রেতারা বলছেন, দাম কম থাকলে বিক্রিও ভাল হয়। দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতা পাচ্ছে না তারা। ক্রেতারা ঘুরে ফিরে কম দামের মাছই কিনছেন। তাদের দাবি, আগের চেয়ে বেশি মূল্যে মাছ কিনতে হয় তাদের, তাই বিক্রি করতে হয় বেশি দামে।

Link copied!