• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

সিরাজদিখানে অর্ধশত পরিবারের স্বপ্ন পূরণ


সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০২১, ০১:৪৩ পিএম
সিরাজদিখানে অর্ধশত পরিবারের স্বপ্ন পূরণ

মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ভূমিহীন ও গৃহহীন ৫০টি পরিবারের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। বাকি ৫০টি সেমিপাকা ঘর নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এমনটাই সরজমিনে গিয়ে দেখা গেলো উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের হাজিগাঁও এবং বালুচর ইউনিয়নের কয়রাখোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পে। পরিপাটি গোছানো ঘর এটাচ করা বাথরুম ১টি পাকশালা সহ দুইটি বেডরুমের একটি পরিপূর্ণ বাড়ি।  

সবুজ টিনের ছাউনি সমেত সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়া গৃহহীন মানুষগুলো খুশির আনন্দে আত্মহারা হয়ে বলেন, জন্মের পর স্বপ্ন ছিলো ভালো একটা ঘরে থাকার। হোক সে অন্যের জমিতে ভাড়া থেকে। কিন্তু আমাদের ভাগ্য এমনই ভালো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের শুধু ঘর নয় জমিসহ পাকা বাড়িই করে দিলেন।

বালুচরের কয়রা খোলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের মৃত মন্নাফের স্ত্রী বিধবা মিনু বেগম বলেন, “আমার স্বামী মারা যাওয়ার সময় আমার ছেলেটি তখন কোলে, আমাদের জমি বা ঘর বলতে কিছু ছিলো না। এই বুড়ো বয়সে এমন পাকাবাড়ি যার জন্য পাইছি সেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য প্রাণ ভরে দোয়া করি।”

বালুচরের কয়রা খোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের শমসের আলীর ছেলে রহিম বাদশা বলেন, “আমার তিনটা মেয়ে একটা ছেলে। মেয়েদের বিয়ে দিয়েছি। এখন আমি আমার স্ত্রী ও ছেলে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়িতে থাকি। আমাদের মতো গরীবদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যা করেছে তার উত্তম ফলাফল আল্লাই দেবে।”

কেয়াইন ইউনিয়নের হাজিগাঁও এবং বালুচর ইউনিয়নের কয়রাখোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পে যারা ২ শতাংশ করে জায়গাসহ ভালো পরিবেশে ঘর পেয়েছেন তাদের অনেকেই প্রতিবন্ধী এবং হতদরিদ্র গৃহহীন ও ভূমিহীন।

উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও বালুচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে খাসজমির ওপর গৃহনির্মাণ করে জমির দলিলসহ ৫০টি উপকারভোগীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। গৃহহীনদের যে জায়গা দেওয়া হয়েছে তার বাজার মূল্য প্রায় ৫ থেকে ৮ লাখ টাকা।”

সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম বলেন, “উপজেলার ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্যও সুন্দর মনোরম পরিবেশে মানসম্মত ৫০টি পাকাবাড়ি নির্মাণ করে ২ শতক জমিসহ ঘরের কবুলিয়ত দলিল, নামজারি খতিয়ান, রেকর্ড সংশোধনী ফি জমা দানের ডিসিআর, সার্টিফিকেট, দাখিলা ইত্যাদি প্রাপকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।” 

Link copied!