• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১,
এশিয়া কাপ

একটু পরেই শুরু হবে বাঘ-সিংহের লড়াই


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: আগস্ট ৩১, ২০২৩, ০২:৪৭ পিএম
একটু পরেই শুরু হবে বাঘ-সিংহের লড়াই
শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। ছবি: সংগৃহীত

এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে একটু পরই মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তাদের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। পাল্লেকেল্লেতে ম্যাচটি শুরু হবে বেলা সাড়ে ৩টায়।

পাল্লেকেলের এই ভেন্যুতে সুখস্মৃতি আছে বাংলাদেশের। ২০১৩ সালের ২৮ মার্চ এই ভেন্যুতেই শ্রীলঙ্কাকে বৃষ্টি আইনে ৩ উইকেটে হারিয়েছিল টাইগাররা। পাল্লেকেলের ভেন্যুতে এখন পর্যন্ত একবারই খেলেছে বাংলাদেশ দল। ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কা সফরে তিন ম্যাচের সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেটি পাল্লেকেলেতে খেলে টাইগাররা।

ওই ম্যাচে টস হেরে প্রথমে বোলিং করতে নামে সফরকারীরা। তিলকারত্নে দিলশানের সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ৩০২ রানের বড় সংগ্রহ পায় শ্রীলঙ্কা। ১২টি চারে ১২৮ বলে ১২৫ রান করেছিলেন দিলশান। বাংলাদেশের বাঁ-হাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক ১০ ওভারে ৬২ রানে ৫ উইকেট নেন। জবাবে বৃষ্টি আইনে ২৭ ওভারে ১৮৩ রানের টার্গেট পায় বাংলাদেশ। ২৬ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান তুলে দারুণ জয়ের স্বাদ পায় টাইগাররা। সেই ম্যাচে এনামুল হক বিজয় সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন। সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়টি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়।

এদিকে একসময়ে একপাক্ষিক লড়াই হলেও এখন লঙ্কানদের বিরুদ্ধে টাইগারদের লড়াইটা চলে সমানতালে। ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের পরিসংখ্যানটা কেমন একটু জানা যাক।

ওয়ানডে ফরম্যাটে এখন পর্যন্ত এই দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ৫১ বার। যেখানে অবশ্য জয়ের পাল্লাটা ভারী শ্রীলঙ্কার দিকেই। এই ৫১ দেখায় ৪০ ম্যাচে জয় পেয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। বাংলাদেশ জয় পেয়েছে মাত্র ৯ ম্যাচে। আর দুটি ম্যাচে ফলাফল আসেনি।

দুই দলের দেখায় এক ইনিংসে দলীয় রান সংগ্রহে এগিয়ে শ্রীলঙ্কা। ২০০৮ সালের এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩৫৭ রান সংগ্রহ করে লঙ্কানরা। আর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি ২০১৭ সালে। কলম্বোতে প্রথম ওয়ানডেতে ৩২৪ রান তুলেছিল বাংলাদেশ।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রানের সংখ্যাটা ৭৬। ২০০২ সালে ভাস, মুরালিদের বোলিং তোপে ৭৬ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল টাইগাররা। আর ২০১৮ সালে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের বোলাররা শ্রীলঙ্কাকে আটকে দিয়েছিল মাত্র ১২৪ রানে।

এই দুই দলের মধ্যে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক লঙ্কান গ্রেট কুমার সাঙ্গাকারা। বাংলাদেশের বিপক্ষে এই বাঁহাতি ব্যাটার সংগ্রহ করেছেন ১ হাজার ২০৬ রান। 

অপর দিকে বাংলাদেশের হয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান করেছেন মুশফিকুর রহিম। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশির রান ১ হাজার ২০।

ব্যাটিং ও দলীয় সাফল্যের পাশাপাশি বোলিংয়েও এগিয়ে শ্রীলঙ্কা। ওয়ানডেতে এই দুই দলের দেখায় সর্বোচ্চ উইকেট পেয়েছেন কিংবদন্তি স্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধরন। টাইগারদের বিপক্ষে তার ঝুলিতে গেছে ৩১ উইকেট। আর বাংলাদেশের হয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বোচ্চ ২৬ উইকেট পেয়েছেন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বিন মর্তুজা।

বোলিং ফিগারেও এগিয়ে লঙ্কান ক্রিকেটার। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাত্র ২৫ রান খরচায় ৬ উইকেট নিয়েছিলেন চামিন্দা ভাস। আর বাংলাদেশের হয়ে স্পিন কিংবদন্তি আব্দুর রাজ্জাক ৬২ রানের বিনিময়ে শিকার করেছিলেন ৫ উইকেট। এটিই বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিং ফিগার।

Link copied!