কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামের এক জামায়াত নেতাকে আজ বুধবার আটক করেছে স্থানীয় লোকজন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে থানায় নিয়ে যান। প্রশাসনের দাবি, তাঁর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায়। হাবিবুর রহমান হেলালী ধামঘর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির এবং ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নে জামায়াতের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি আগামীকালের নির্বাচনের আগে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করছিলেন।
তবে হেলালী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কোনো টাকা বিতরণ করছিলেন না। নির্বাচনী এজেন্টদের খাবারের জন্য অল্প কিছু টাকা তাঁর কাছে ছিল। বিএনপির লোকজন ষড়যন্ত্র করে তাঁর গাড়িতে অতিরিক্ত টাকা রেখেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। একই দাবি করেন উপজেলা জামায়াত নেতারাও।
অন্যদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, জামায়াতই বিভিন্ন এলাকায় টাকা বিলিয়ে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। স্থানীয়দের মাধ্যমে এক জামায়াত নেতা হাতেনাতে ধরা পড়েছেন বলেও তারা দাবি করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যক্তিটিকে আটক করেন। তবে তাঁকে সরাসরি টাকা বিতরণের সময় ধরা না হওয়ায় বিষয়টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা তিনি নেবেন।
কুমিল্লা–৩ (মুরাদনগর) আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এবং ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জামায়াতের ইউসুফ সোহেল।






























