ঘুমের মধ্যেও কি হার্ট অ্যাটাক হতে পারে? অনেক সময় শোনা যায়, ঘুমের মধ্যেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এমন ঘটনা অসম্ভব নয়। বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি হলেও বর্তমানে কমবয়সিদের মধ্যেও হৃদ্রোগের প্রবণতা বাড়ছে।
ঘুমের সময় স্বাভাবিকভাবেই হৃদ্স্পন্দনের হার কিছুটা কমে যায়। কিন্তু যদি হৃদ্যন্ত্রে আগে থেকেই সমস্যা থাকে, তা হলে নীরবে বড় বিপদ ঘটতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’। এতে স্পষ্ট উপসর্গ নাও দেখা দিতে পারে, তবে শরীর আগে থেকেই কিছু সংকেত দিতে শুরু করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্টের অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে কি না, তার ইঙ্গিত অনেক সময় পায়েও মিলতে পারে। ঘরে বসেই একটি সহজ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া সম্ভব।
কোলেস্টেরল জমা ও ব্লকেজের ঝুঁকি
ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিনে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, জন্মের পর থেকেই মানবদেহে ধমনিতে কোলেস্টেরল জমা হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক অনুশীলনের ওপর নির্ভর করে এই মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে কি না।
ধমনির পথ সরু হয়ে গেলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এর ফলে হৃদ্যন্ত্রে ব্লকেজ তৈরি হতে পারে। ব্লকেজের ধরনও বিভিন্ন রকম—
জন্মগত সমস্যা হলে তাকে বলা হয় ‘কনজেনিটাল হার্ট ব্লক’।
ধমনিতে রক্ত জমাট বেঁধে গেলে তাকে বলা হয় ‘করোনারি থ্রম্বোসিস’।
হৃদ্স্পন্দনের অনিয়ম হলে তাকে বলা হয় ‘অ্যারিদমিয়া’।
এসব অবস্থায় শরীরে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হলে বিভিন্ন অঙ্গে তরল জমতে শুরু করে। পা ফুলে যাওয়া, গোড়ালি বা কাফ মাসলে ব্যথা—এসব উপসর্গ অনেক সময় হৃদ্সমস্যার সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে।
কী সেই ৫ সেকেন্ডের লেগ টেস্ট?
গবেষকেরা একটি সহজ পরীক্ষার কথা জানিয়েছেন। আরাম করে বসে বা শুয়ে একটি পা ৪৫ ডিগ্রি কোণে প্রায় ৫ সেকেন্ড উপরে তুলে রাখতে হবে।
যদি দেখা যায়, পায়ের আঙুল ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে বা কাঁপুনি অনুভূত হচ্ছে, তা হলে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা থাকতে পারে।
পা নামানোর পর যদি দ্রুত ফুলে যায় বা গোড়ালি ও কাফ মাসলে ব্যথা শুরু হয়, তবে ধমনিতে ব্লকেজের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
কোন রোগের ইঙ্গিত দিতে পারে?
পায়ের এসব লক্ষণ ‘পেরিফেরাল







































