১৫ অক্টোবর শুক্রবার বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস। হাত ধোয়ার সুফল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করাই এ দিবসটি পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘আওয়ার ফিউচার ইজ অ্যাট হ্যান্ড, লেটস মুভ ফরোয়ার্ড টুগেদার’ অর্থাৎ ‘আমাদের হাতে আমাদের ভবিষ্যৎ, চলো একসঙ্গে এগিয়ে চলি’।
করোনা মহামারিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে সারাবিশ্বে হাত ধোয়ার কথা বারবার বলা হয়েছে। ভাইরাসজনিত যেকোনো সংক্রমণ রোধে হাত ধোয়ার বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে ভালোভাবে হাত ধোয়া প্রয়োজন। এতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।
২০০৮ সাল থেকে দিবসটির সারাবিশ্বে পালিত হয়ে আসছে। সেই বছর ১৫ অক্টোবর সুইডেনের স্টোকহোমে বিশ্ব পানি সপ্তাহ উদযাপন হয়।জিএইচপি বিশ্বব্যাপী আঞ্চলিক ও স্থানীয় পর্যায়ে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সর্বপ্রথম এ দিবসটি পালন করে। পরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দিবসটি প্রতিবছর পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসটি বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা তৈরি ও উদ্বুদ্ধকরণের জন্য চালানো একটি প্রচারণামূলক দিবস। সাধারণ মানুষের মধ্যে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার মাধ্যমে রোগের বিস্তার রোধ করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার উদ্দেশ্যে এ দিবসটি পালিত হয়ে থাকে।
করোনা পরিস্থিতিতে হাত ধোয়ার গুরুত্ব জানান দিতে দিবসটি বাংলাদেশেও গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হচ্ছে। হাত ধোয়া ও মাস্ক পরার মাধ্যমেই করোনা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। তাই নিজেকে রক্ষায় বারবার হাত ধোয়া অত্যন্ত জরুরি।






































