ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অফিসকে লক্ষ্য করে যৌথ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিস্ফোরণের ঘটনা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।
রয়টার্সের সূত্র জানাচ্ছে, হামলার আগেই খামেনি তেহরান ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন। তাঁর বর্তমান অবস্থান সরকারিভাবে গোপন রাখা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং আশপাশের এলাকা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা গেছে।
সূত্র জানায়, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করেছিল। তবে শেষ ২৪ ঘণ্টায় উভয় পক্ষ সিদ্ধান্তে আসে যে আলোচনার আর কোনো সুযোগ নেই। এর পরপরই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছানোর আগে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফর করে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকে সংঘাত নিরসনের চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তবে সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়নি। ইতোমধ্যে ইসরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং জারি করা হয়েছে জরুরি সতর্কবার্তা। পরিস্থিতি দ্রুত আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন।




































