কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলি ও সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭। প্রথমে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
গোলাগুলি ও সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে চার এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও তিনজন মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহকে হত্যার ২৩ দিনের মাথায় শুক্রবার (২২ অক্টোবর) ভোরে কক্সবাজারের উখিয়া ১৮ নম্বর ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অস্ত্রসহ মুজিবুর রহমান নামে একজনকে আটক করেছেন ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা।
নিহত রোহিঙ্গারা হলেন উখিয়ার বালুখালী ২ নম্বর ক্যাম্পের মোহাম্মদ ইদ্রিস (৩২), বালুখালী ১ নম্বর ক্যাম্পের ইব্রাহীম হোসেন (২২), বালুখালী ১৮ নম্বর ক্যাম্পের এইচ ব্লকের আজিজুল হক (২৬) ও মোহাম্মদ আমিন (৩২), রোহিঙ্গা শিবিরের ‘দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল-ইসলামিয়া’ মাদ্রাসার শিক্ষক ও ক্যাম্প-১৮, ব্লক-এফ-২২-এর নুর আলম ওরফে হালিম (৪৫), মাদ্রাসাশিক্ষক ও ক্যাম্প-২৪-এর হামিদুল্লাহ (৫৫) ও মাদ্রাসাছাত্র ও ক্যাম্প-১৮, ব্লক- এইচ- ৫২-এর নুর কায়সার(১৫)। এর মধ্যে শেষের তিনজন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান।
৮ এপিবিএনের অধিনায়ক এসপি শিহাব কায়সার খান বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। মুজিব নামে হামলাকারীদের একজনকে অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে দেশীয় ওয়ান শুটারগান, ৬ রাউন্ড গুলি ও ছুরি পাওয়া গেছে। এই পর্যন্ত সাতজন নিহত হয়েছেন। আরও বেশ কয়েকজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শিবিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ৮ এপিবিএনের উপ-অধিনায়ক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন বলেন, শুক্রবার ভোররাত আনুমানিক সোয়া ৪টার দিকে এফডিএমএন ক্যাম্প-১৮ এইচ-৫২ ব্লকে অবস্থিত ‘দারুল উলুম নাদওয়াতুল ওলামা আল-ইসলামিয়াহ’ মাদ্রাসায় রোহিঙ্গা দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালায়। হামলায় ঘটনাস্থলে চারজন মারা যায়। হামলার ঘটনা জানতে পেরে ময়নারঘোনা পুলিশ ক্যাম্প-১২-এর পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও তিনজন মারা যায়।






































