টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজকের ম্যাচে জিতলেই সেমিফাইনাল আর হারলেও থাকছে সেমির সম্ভাবনা। এমন সমীকরণকে সামনে রেখেই নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে পাকিস্তান। এই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে দুই ওপেনারের ফিফটি ও মোহাম্মদ হাফিজের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে ২ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করতে পারে বাবর আজমের দল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯ রান করে অপরাকজিত থাকেন ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান।
হ্যাট্রিক জয়ের আত্নবিশ্বাসী পাকিস্তান চেয়েছিল বড় স্কোর করে প্রতিপক্ষকে কঠিন ধাঁধায় ফেলা। এবারের বিশ্বকাপে দুরন্ত ফর্মে আছেন পাকিস্তানি বোলাররা। ফলে বড় রানই করতে পেরেছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের হয়ে ব্যাটিংয়ে উদ্ধোধন করতে আসেন অধিনায়ক বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। শুরুতে নামিবিয়ার বোলারদের খেলতে ভালোই ধুঁকছিল পাকিস্তানি ব্যাটাররা। বিশ্বকাপের হ্যাট্রিক ম্যান বোলার ট্রাম্পেলম্যানের উদ্ধোধনী ওভারে কোনো রানই করতে পারেনি বাবর আজমরা। পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে উঠে বিনা উইকেটে ২৯ রান।
এরপর থেকেই বাবর-রিজওয়ান হাত খোলে খেলতে থাকেন। প্রতি ওভারে ৮-৯ রান করে তুলতে থাকেন দুই ব্যাটার। এরমধ্যে ১২তম ওভারে ১৮ আর ১৩তম ওভারে তুলেন ১২ রান। বাবর-রিজওয়ান জুটি ভাঙ্গে ইনিংসের ১৫তম ওভারে। ১১৩ রানের জুটি ভাঙ্গেন ডেভিড ওয়াইজ। ফ্রাইলিঙ্কের হাতে ধরা পরার আগে ৭টি চারে ৪৯ বলে ৭০ রান করেন পাকিস্তানি অধিনায়ক বাবর আজম।
তিনে নেমে উইকেট কিপার জেন গ্রিনের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন ফখর জামান। তার ব্যাট থেকে আসে ৫ রান।
এরপর মোহাম্মদ হাফিজ নেমে রিজওয়ানকে সঙ্গী করে নামিবিয়ার বোলারদের উপর চড়াও হতে থাকেন। প্রথম বলে চার মেরে রানের খাতা খোলেন হাফিজ। হাফিজের ঝড়ো অপরাজিত ৩২* আর রিজওয়ানের ৭৯* রানে বড় রানের সংগ্রহ পায়। চারটি ছয় ও আটটি চারের মাধ্যেম এ রান করেন রিজওয়ান। আর ১৬ বলে ৩২ রান করতে ৫টি চার মেরেছেন হাফিজ।
শেষ ৫ ওভারে ৭১ রান তুলে পাকিস্তান। এমনকি শেষ ওভারেই তুলে ২৬ রান। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে পাকিস্তান। জয়ের জন্য নামিবিয়াকে করতে হবে ১৯০ রান।
নামিবিয়ার হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন ফ্রাইলিঙ্ক ও জেজে স্মিট।





































