রোজার বাজার দর কেমন হতে পারে ?


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
রোজার বাজার দর কেমন হতে পারে ?

পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে ২০২৬ সালের রোজার বাজার নিয়ে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। প্রতি বছরের মতো এবারও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং সরকারি তদারকি—এই তিনটি বিষয়ই বাজারের মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, রোজাকে ঘিরে চাহিদা বাড়ার কারণে কিছু পণ্যের দাম সাময়িকভাবে বাড়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে খেজুর, চিনি, ভোজ্যতেল, ডাল ও ফলমূলের মতো পণ্যে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে পর্যাপ্ত আমদানি এবং মজুত থাকলে দাম বড় ধরনের অস্থিরতায় না যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

সরকারি পর্যায়ে জানানো হয়েছে, রোজার আগে থেকেই নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা, বাজার তদারকি জোরদার করা এবং মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দাম সহনীয় রাখার চেষ্টা চলছে। এ ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আমদানি ও শুল্ক ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় করছে বলে জানা গেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমূল্য, পরিবহন খরচ এবং স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর রোজার বাজার অনেকাংশে নির্ভর করবে। যদি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে, তাহলে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ঝুঁকি কম থাকবে। তবে কোনো কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

সব মিলিয়ে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের রোজার বাজার পুরোপুরি চাপমুক্ত না হলেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখার চেষ্টা থাকবে। ভোক্তাদের জন্য স্বস্তি নিশ্চিত করতে বাজার পর্যবেক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Link copied!