দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বৃহস্পতিবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক পার করল বাংলাদেশ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট; নারী ও তরুণদের ব্যাপক উপস্থিতি গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের পক্ষে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত রচনা করেছে। দলগুলোর প্রাপ্ত ফলাফল বলছে, স্থিতিশীলতা ও নতুন রাজনৈতিক পরিবেশের আকাঙ্ক্ষা এতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা পর্যন্ত প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক ফল অনুযায়ী ২৯৯ আসনের মধ্যে বিএনপি ১৮০টিতে জয়ী হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ৫৪, এনসিপি ২, গণঅধিকার ১, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি আসনে জয়লাভ করেছে। এ ছাড়া ৭টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। সরকারি সংস্থাগুলোর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী বিএনপি ২০২, জামায়াত ৬৪, এনসিপি ৫, গণঅধিকার ২, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১ এবং ১২টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ের পথে রয়েছেন।
ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তাদের দল দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী।
৩০০ আসনের বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে এককভাবে সরকার গঠন করতে ১৫১ আসন প্রয়োজন। পাশাপাশি দুই শতাধিক আসন পাওয়া দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে সংসদে সংবিধান পরিবর্তনসহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে। যদিও এবারের সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে’ গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এতে ‘হ্যাঁ’ ভোট বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে এক কক্ষবিশিষ্ট জাতীয় সংসদকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদে রূপান্তরের প্রস্তাব রয়েছে জুলাই সনদে।
বিভাগভিত্তিক আসনে ফলাফলের তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো।
ঢাকা বিভাগ: ঢাকা বিভাগের ৭০টি আসনের মধ্যে ৫২টির প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীরা ৪৮টি, জামায়াতের প্রার্থীরা তিনটি এবং এনসিপির প্রার্থীরা একটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। ঢাকার ছয়টি আসনের মধ্যে রাত ১১টা পর্যন্ত ঘোষিত কেন্দ্রগুলোর প্রাথমিক ফলাফলে তিনটিতে বিএনপির প্রার্থী, দুটিতে জামায়াতের প্রার্থী ও একটিতে এনসিপির প্রার্থী এগিয়ে আছেন। আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭, ঢাকা-৪, ঢাকা-১১, ঢাকা-১৭ ও ঢাকা-১৮। প্রাথমিক এই ফল প্রকাশ করেছে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়।
ঢাকা-৬ আসনে ১০১টি কেন্দ্রের মধ্যে ২২টির ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ২০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ৯৩৫ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার দুই লাখ ৯২ হাজার ২৮৩ জন।
ঢাকা-৭ আসনে ১৬৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টির ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লাহ পেয়েছেন ৯ হাজার ৬২১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান ৯ হাজার ৩৯৭ ভোট। মোট ভোটার চার লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৮ জন।
ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ৫ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়েছেন।
ঢাকা-৪ আসনে মোট ১১৬টি কেন্দ্রের মধ্যে চারটির ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন পেয়েছেন দুই হাজার ৩৪৩ এবং বিএনপির তানভীর আহমেদ পেয়েছেন দুই হাজার ২৯৬ ভোট। এই আসনে মোট ভোটার তিন লাখ ৬২ হাজার ৫০৬ জন।
ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে এ আসনে ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট পেয়েছেন তিনি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থির চেয়ে ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
ঢাকা-১৮ আসনের ২১৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪টির ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৮৩৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১৪ হাজার ৮৮৯ ভোট।
ঢাকা-১৭ আসনের ১২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬টির ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসব কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন আট হাজার ৪৫৪ ভোট। এসব কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬ হাজার ২০৫ ভোট।
ঢাকা-১১ আসনে ১৬৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩২টির ফলাফলে এগিয়ে আছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এসব কেন্দ্রে তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ১৬ হাজার ৮৫৭। এসব কেন্দ্রে বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ১৫ হাজার ৪০০ ভোট।
রাজবাড়ী-১ আসনে বিজয়ী আলী ধানের শীষ প্রতীকে নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম পেয়েছেন এক লাখ ৫৫ হাজার ২৭০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতের অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম ৯৯ হাজার ৭৮৫; রাজবাড়ী-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির হারুন অর রশিদ দুই লাখ ৩৫ হাজার ৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শাপলা কলি প্রতীকে এনসিপির জামির হিজাযী ৫৩ হাজার ৮৪৯ ভোট।
ফরিদপুর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এক লাখ ২১ হাজার ৮১ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আকরাম আলী ৮৭ হাজার ২৫০; ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির শহিদুল ইসলাম এক লাখ ২৬ হাজার ৫৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সরোয়ার হোসেন পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬২৩ ভোট।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম জিলানী ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ প্রামাণিক ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়েছেন।
মাদারীপুর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নাদিরা আক্তার ৬৪ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকে জামায়াত জোটের প্রার্থী সাঈদ আহমেদ হানজালা ৬৩ হাজার ৫১২ ভোট পেয়েছেন।
মাদারীপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহান ৬০ হাজার ৭৪৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য কলস প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯২০ ভোট। জামায়াত জোটের প্রার্থী আব্দুস সোবহান (রিকশা) ৩৩ হাজার ২৮৬ ভোট পেয়েছেন।
মাদারীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন ৭৮ হাজার ৯৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. রফিকুল ইসলাম ৬৭ হাজার ৭১৯ ভোট পেয়েছেন।
শরীয়তপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত সাঈদ আহমেদ (ধানের শীষ) ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জালালুদ্দিন আহমেদ (রিকশা) ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়েছেন। শরীয়তপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত শফিকুর রহমান কিরণ এক লাখ ২৯ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাহমুদ হোসেন পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট।
শরীয়তপুর-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু এক লাখ সাত হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লার মুহাম্মাদ আজাহারুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৬৮৪ ভোট।
টাঙ্গাইল-১ আসনের বিএনপির ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এক লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৪ ভোট পেয়ে বিজীয় হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর ডা. আবদুল্লাহ হেল কাফি ৯২ হাজার ৭৮১ ভোট পেয়েছেন।
টাঙ্গাইল-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির আবদুস সালাম পিন্টু, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর শফিকুল ইসলাম; টাঙ্গাইল-৩ বিজয়ী বিএনপির বিদ্রোহী লুৎফর রহমান খান আজাদ, নিকটতম বিএনপির ওবায়দুল হক নাসির, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) বিজয়ী বিএনপির লুৎফর রহমান মতিন ৯১ হাজার ৫৯২ ভোট, নিকটতম স্বতন্ত্র আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ৫৩ হাজার ৬৭৪; টাঙ্গাইল-৫ (সদর) বিএনপির সুলতান সালাউদ্দিন টুকু পেয়েছেন এক লাখ ২৯ হাজার ৯৪৩ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আহসান হাবিব মাসুদ ৭৮ হাজার ৫১৫; টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) রবিউল আওয়াল বিএনপি এক লাখ ৪৯ হাজার ২০৯, নিকটতম জামায়াত ইসলামীর একেএম আব্দুল হামিদ ৮৭ হাজার ৯০৪ ভোট; টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিএনপি এক লাখ ৪১ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর আবদুল্লাহ ইবনে আবুল হোসেন ৭১ হাজার ২৬৭; টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) বিএনপির অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এক লাখ ১৩ হাজার ২১৪ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (স্বতন্ত্র) সালাউদ্দিন আলমগীর পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৮ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-১ বিএনপি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম, নিকটতম বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হেদায়েত উল্লাহ হাদী; কিশোরগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন ৭০ হাজার ৫১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২০৯ ভোট। কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৭৬০ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর কর্নেল (অব.) ডা. জেহাদ খান পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩৮৯ ভোট।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ৭৭ হাজার ৭০০ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। ১৫০টি কেন্দ্রের ফলাফলে ফজলুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮০০ ভোট। কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে (বাজিতপুর-নিকলি) এগিয়ে বিএনপির বিদ্রোহী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল হাঁস প্রতীকে ২৫ হাজার ৩৯২। নিকটতম ধানের শীষের সৈয়দ এহসানুল হুদা ২৩ হাজার ৮৮ ভোট পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-৬ বিজয়ী (ভৈরব-কুলিয়ারচর) জেলা বিএনপির সভাপতি শরীফুল আলম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯৮ ভোট। নিকটতম বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকে আতাউল্লাহ আমীন পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫২৫ ভোট। মানিকগঞ্জ-১ (দৌলতপুর-শিবালয়) আসনে বিএনপির বিজয়ী এস এ জিন্নাহ কবির ধানের শীষ ১ লাখ ৬ হাজার ৮৬১ ভোট, নিকটতম বিএনপির বিদ্রোহী তোজাম্মেল হক তোজা পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১১ ভোট।
মানিকগঞ্জ-২ ধানের শীষের বিএনপির প্রার্থী মইনুল ইসলাম খান ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত জোটের খেলাফত মজিলসের দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে মো. সালাহউদ্দিন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯৩৯ ভোট। মানিকগঞ্জ-৩ আসনে (সদর সাটুরিয়া) আফরোজা খানম রীতা ১৫২ কেন্দ্রের মধ্যে ১০৭ কেন্দ্রে ধানের শীষ ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৭৮ ভোট, নিকটতম বংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. সাঈদ নূর রিকশা প্রতীক ৪২ হাজার ৯১১ ভোট।
গাজীপুর-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মজিবুর রহমান। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৮১টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহ আলহ বখশি পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৪৭ ভোট। গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির এম মঞ্জুরুল করিম রনি ১ লাখ ১৭ হাজার ২০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আলী নাছের খান পেয়েছেন ৮১ হাজার ৮৩৩ ভোট। গাজীপুর-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপির এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২১৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা মার্কার এহসানুল হক পেয়েছেন ৬৬ হাজার ২০২ ভোট। গাজীপুর-৪ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের সালাউদ্দিন আইয়ুবি। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৯৯ হাজার ৪০৯টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহ রিয়াজুল হান্নান পেয়েছেন ৯০ হাজার ১৬০ ভোট।
গাজীপুর-৫ আসনে ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ফজলুল হক মিলন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খায়রুল হাসান পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৭৬১ ভোট।
নরসিংদী-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির খায়রুল কবির খোকন পেয়েছেন ৬২ হাজার ৩৭৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইব্রাহিম ভূঁইয়া পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৫৪২ ভোট। নরসিংদী-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির ড. আবদুল মঈন খান ৯২ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১৬১ ভোট।
নরসিংদী-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপির মঞ্জুর এলাহী পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪১৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আরিফুল ইসলাম মৃধা পান ৪৫ হাজার ৪০১ ভোট। নরসিংদী-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল পান ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯২৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের জাহাঙ্গীর আলম পান ৭৫ হাজার ৩৯৫ ভোট। নরসিংদী-৫ আসনে বিএনপির বিজয়ী আশরাফ উদ্দিন বকুল ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা মার্কার তাজুল ইসলাম পান ৪৩ হাজার ৬৮২ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আনোয়ার হোসেন মোল্লা পান ৯০ হাজার ২৮৯ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ২৯১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ ইলিয়াস মোল্লা পান ৮১ হাজার ৫৪ ভোট।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ১০৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইকবাল হোসেন পান ১ লাখ ৩২ হাজার ২৩ ভোট। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আবুল কালাম, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এবিএম সিরাজুল মামুন। রাত আড়াইটার সময় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের ফল পাওয়া যায়নি।
ময়মনসিংহ বিভাগ: ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের মধ্যে শেরপুর-৩-এর নির্বাচন স্থগিত আছে। বাকি ২৩টি আসনের সবগুলোর বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিএনপির ১৮টি, জামায়াত ৩টি, খেলাফত মজলিস ১টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১টিতে নির্বাচিত হয়েছেন।
জামালপুর: জামালপুর-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির রশিদুজ্জামান মিল্লাত (১৭২১১৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট নাজমুল সাঈদী (৯৩৬৬১), জামালপুর-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির সুলতান মাহমুদ বাবু (৯৫৮৬০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ড. সামিউল হক ফারুকী (৬২৪৩৪), জামালপুর-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (২০৭৪১২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মজিবুর রহমান আজাদী (৮১৪৩০), জামালপুর-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির ফরিদুল কবীর শামীম (১৪৭৪০৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট আবদুল আউয়াল (৪৪৯৪৭), জামালপুর-৫ আসনে বিজয়ী বিএনপির ওয়ারেস আলী মামুন (১৯৮৯৭৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা আবদুস সাত্তার (১০৯২৯৮)।
শেরপুর: শেরপুর-১ আসনে বিজয়ী জামায়াতের রাশেদুল ইসলাম (১২৫৯৪১), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা (৭৭৮০৮), শেরপুর-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (১১৮৪৭২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. গোলাম কিবরিয়া (১০৮৩৩৬)।
ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ-১ আসনে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল (১০৮২৬৫), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ এমরান সালেহ (১০১৯২৬), ময়মনসিংহ-২ আসনে বিজয়ী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদুল্লাহ (৮০৭৭১), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোতাহার হোসেন তালুকদার (৫৪৫২২), ময়মনসিংহ-৩ বিজয়ী বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন (৭৭১৫২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আহম্মদ তাহেবুর রহমান (৬৪৫৩৪), ময়মনসিংহ-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ (১৭৯৬৬৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ কামরুল আহসান (১৭১৮৮০), ময়মনসিংহ-৫ আসনে বিজয়ী বিএনপির জাকির হোসেন বাবলু (১২৭৯১০), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মতিউর রহমান আকন্দ (১০৮৭৬), ময়মনসিংহ-৬ আসনে বিজয়ী জামায়াতের কামরুল হাসান (৭৫৯৪৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র আখতার সুলতানা (৫২৬৬৯), ময়মনসিংহ-৭ আসনে বিজয়ী বিএনপির ডা. মাহাবুবুর রহমান লিটন (৯৮৫৭৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আসাদুজ্জামান সোহেল (৮২৯৬২), ময়মনসিংহ-৮ আসনে বিএনপির বিজয়ী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু, (১০৭৫৭৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এলডিপির আওরঙ্গজেব বেলাল (৪৫৭৯১), ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিজয়ী বিএনপির ইয়াসের খান চৌধুরী (৮৪৮৮৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিডিপির এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম (৬৬৮৯১), ময়মনসিংহ-১০ আসনে বিজয়ী বিএনপির মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান (৭৫৫৭৩), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র এবি সিদ্দিকুর রহমান (৬৬৯৯৯), ময়মনসিংহ-১১ আসনের বিজয়ী বিএনপির ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (১১০২১৪), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম (৬৪৫৯১)।
নেত্রকোনা: নেত্রকোনা-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (১৫৮৩৪৩), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গোলাম রব্বানী (৮৭৪৮৮), নেত্রকোনা-২ আসনে বিজয়ী বিএনপির ডা. মো. আনোয়ারুল হক (১৭১৩৯৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান (৬৭৩৬৭), নেত্রকোনা-৩ আসনে বিজয়ী বিএনপির রফিকুল ইসলাম হিলালী (১১৮৪৬৯), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া (৬৮৯৬১), নেত্রকোনা-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির মো. লুৎফুজ্জামান বাবর (১৬০৮০২), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আল হেলাল (৩৯৮৪০), নেত্রকোনা-৫ আসনে বিজয়ী জামায়াতের মাছুম মোস্তফা (৮২১৭৭), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আবু তাহের তালুকদার (৭৯৪১২)।
খুলনা বিভাগ: খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা ২৫টি আসন পেয়েছেন। আর বিএনপি পেয়েছে ১১টি আসন।
মেহেরপুর-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার তাজউদ্দিন খান এক লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপি প্রার্থী মাসুদ অরুণ পেয়েছেন এক লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট। মেহেরপুর-২ আসনে জামায়াতের মো. নাজমুল হুদা ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির মো. আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট।
কুষ্টিয়া-১ আসনে এগিয়ে আছেন বিএনপির রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা; পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট। নিকটতম দাঁড়িপাল্লার বেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৫ ভোট। কুষ্টিয়া-২ বিজয়ী দাঁড়িপাল্লার আবদুল গফুর পেয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৬ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮২ ভোট। কুষ্টিয়া-৩ আসনের দাঁড়িপাল্লার আমীর হামজা পেয়েছেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯০৯ ভোট। কুষ্টিয়া-৪ বিজয়ী জামায়াতের আফজাল হোসেন এক লাখ ৪৫ হাজার ৬ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী পেয়েছেন এক লাখ ৩৯ হাজার ৫৬ ভোট।
চুয়াডাঙ্গা-১ বিজয়ী হয়েছন দাঁড়িপাল্লার মো. মাসুদ পারভেজ– ২ লাখ ১৩ হাজার ৮৯৬ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মো. শরীফুজ্জামান শরীফ পেয়েছেন এক লাখ ৫২ হাজার ৬৫৯ ভোট। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. রুহুল আমিন ২ লাখ ১০ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রার্থী বিএনপির মাহমুদ হাসান খান পেয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৯৯ ভোট।
ঝিনাইদহ-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮১ ভোট। নিকটতম জামায়াতের আবু ছালেহ মো. মতিউর রহমান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৫ ভোট। ঝিনাইদহ-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আলী আজম মো. আবু বকর পেয়েছেন এক লাখ ৯৫ হাজার ৭০২ ভোট। নিকটতম বিএনপির মো. আবদুল মজিদ পেয়েছেন এক লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৪ ভোট।
ঝিনাইদহ-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মতিয়ার রহমান ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম ধানের শীষের মোহাম্মদ মেহেদী হাসান পেয়েছেন এক লাখ ৪৯ হাজার ৮২১ ভোট। ঝিনাইদহ-৪ আসনে জামায়াতের মাওলানা আবু তালিব এক লাখ ৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম স্বতন্ত্র সাইফুল ইসলাম ফিরোজ পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১০৪ ভোট। এই আসনে বিএনপির রাশেদ খান পেয়েছেন ৫৬ হাজার ২২৪ ভোট।
যশোর-১ জামায়াতের আজীজুর রহমান এক লাখ ১৯ হাজার ৯৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৪৫৬ ভোট। যশোর-২ বিজয়ী জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ পেয়েছেন এক লাখ ৭১ হাজার ৯৯১ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মোছা. সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন এক লাখ ৪৬ হাজার ৩২২ ভোট। যশোর-৩ বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ১ লাখ ৭৩ হাজার ২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. আবদুল কাদের পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ১২৯ ভোট। যশোর-৪ আসনে জামায়াতের মো. গোলাম রছুল এক লাখ ৮০ হাজার ৫১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির মতিয়ার রহমান ফরাজী পেয়েছেন এক লাখ ৩০ হাজার ৭৫১ ভোট।
যশোর-৫ আসনে জামায়াতের অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) অ্যাডভোকেট শহীদ মো. ইকবাল হোসেন কলস প্রতীকে পরিজিত হয়েছেন। যশোর-৬ বিজয়ী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের অধ্যাপক মোক্তার আলী পেয়েছেন ৯১ হাজার ৩৭ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের আবুল হোসেন আজাদ পেয়েছেন ৭৯ হাজার ১৫৯ ভোট।
মাগুরা-১ বিজয়ী ধানের শীষের মনোয়ার হোসেন খান এক লাখ ৮৪ হাজার ১৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ৮৩ হাজার ৭৮৩ ভোট। মাগুরা-২ বিজয়ী বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী পেয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার ১৮০ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৮০৭ ভোট।
নড়াইল-১ আসনে বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার পেয়েছেন ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট। নড়াইল-২ আসনে দাঁড়িপাল্লার মো. আতাউর রহমান বাচ্চু ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র কলস মার্কার মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৭৭ ভোট।
বাগেরহাট-১ আসনে এগিয়ে আছেন দাঁড়িপাল্লার মো. মশিউর রহমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কপিল কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। বাগেরহাট-২ আসনে বিজয়ী হয়েছেন দাঁড়িপাল্লার শেখ মনজুরুল হক রাহাদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন। বাগেরহাট-৩ আসনের বিজয়ী বিএনপির ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট। তাঁর প্রতিবন্ধী জামায়াতে ইসলামীর শেখ আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১০৫ ভোট। বাগেরহাট-৪ আসনে জামায়াতের মো. আব্দুল আলীম এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোম নাথ দে পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট।
খুলনা-১ আসনে বিএনপির আমি এজাজ খান এক লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট। খুলনা-২ আসনে জামায়াতের শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়েছেন।
খুলনা-৩ আসনে বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল ৭৪ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট। খুলনা-৪ বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল এক লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের সাখাওয়াত হোসেন পেয়েছেন এক লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট। খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার (লবি)। ধানের শীষ প্রতীকে আলি আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ২৪৬ ভোট।
খুলনা-৬ জামায়াতের মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পি পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট।
সাতক্ষীরা-১ বিজয়ী দাঁড়িপাল্লার অধ্যাক্ষ ইজ্জত উল্যাহ পেয়েছেন দুই লাখ সাত হাজার ৫৯৪ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের হাবিবুল ইসলাম পেয়েছেন এক লাখ ৮১ হাজার ৯৬৮ ভোট। সাতক্ষীরা-২ বিজয়ী দাঁড়িপাল্লার মুহাদ্দিস আবদুল খালেদ পেয়েছেন দুই লাখ ৬০ হাজার ৪২৩ ভোট। ধানের শীষের আব্দুর রউফ পেয়েছেন এক লাখ ৪৬ হাজার ৯১ ভোট। সাতক্ষীরা-৩ আসনে এগিয়ে আছেন দাঁড়িপাল্লার মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এক লাখ ৩২ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকের ডা. শহীদুল আলম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৮৩৪ ভোট। সাতক্ষীরা-৪ আসনে বিজয়ী দাঁড়িপাল্লার গাজী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন এক লাখ পাঁচ হাজার ৪৬২ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের ড. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট।
রংপুর বিভাগ: রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের মধ্যে ৩৩টির বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীরা ১৪টি, জামায়াতের প্রার্থীরা ১৬টি, এনসিপির প্রার্থীরা দুটি এবং স্বতন্ত্র একটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। পঞ্চগড়-১ বিএনপির মুহাম্মদ নওশাদ জমির বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির সারজিস আলম এক লাখ ৬৮ হাজার ৪৯; পঞ্চগড়-২ বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর সফিউল আলম এক লাখ ২৭ হাজার ৬০৮; ঠাকুরগাঁও-১ বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিজয়ী হয়েছেন দুই লাখ ৩৬ হাজার ৩০৮, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন এক লাখ ৩৬ হাজার ৪১২; ঠাকুরগাঁও-২ বিএনপির ডা. আব্দুস সালাম বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৪৬২, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল হাকিম এক লাখ ১২ হাজার ৬৮১; ঠাকুরগাঁও-৩ বিএনপির জাহেদুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৩১ হাজার ৮৮৬, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মিজানুর রহমান ৯০ হাজার ৭৬৭; দিনাজপুর-১ বিএনপির মনজুরুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৭৯ হাজার ৩১৪, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মতিউর রহমান এক লাখ ১৭ হাজার ৪৮১; দিনাজপুর-২ বিএনপির সাদিক রিয়াজ বিজয়ী হয়েছেন ৬০ হাজার ৯২৪, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর একেএম আফজালুল আনাম ৩৪ হাজার ৭৪২; দিনাজপুর-৩ বিএনপির সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৪০ হাজার ৬০৮, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মাইনুল আলম ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৩৯; দিনাজপুর-৪ বিএনপির আখতারুজ্জামান মিয়া বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৬৬ হাজার ৭১৭, নিকটতম জাময়াতে ইসলামীর আফতাব উদ্দিন মোল্লা এক লাখ ২৯ হাজার ৫৬; দিনাজপুর-৫ স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী ও সদ্য বহিষ্কৃত) এ জেড এম রেজওয়ানুল হক বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ১৪ হাজার ৪৮৪, নিকটতম এনসিপির ডা. আব্দুল আহাদ এক লাখ ১০ হাজার ১৯৫; দিনাজপুর-৬ বিএনপির ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন দুই লাখ পাঁচ হাজার ১১৮, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ারুল ইসলাম এক লাখ ৯০ হাজার ৭০৩; কুড়িগ্রাম-১ জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ারুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৩৪ হাজার ৬৫৮, নিকটতম বিএনপির সাইফুর রহমান রানা এক লাখ ১৭ হাজার ৩৫৬; কুড়িগ্রাম-২ এনসিপির ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৭৩ হাজার ৩২৯; প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ এক লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৯; কুড়িগ্রাম-৩ জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবুল আলম সালেহী বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ পাঁচ হাজার ১৯৪, নিকটতম বিএনপির তাসভীর উল ইসলাম ৭৮ হাজার ৪০৩; কুড়িগ্রাম-৪ জামায়াতে ইসলামীর মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন ৭৮ হাজার ৯৪৩, নিকটতম বিএনপির আজিজুর রহমান ৫৭ হাজার ৯৪৫।
রংপুর-১ জামায়াতে ইসলামীর রায়হান সিরাজী বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৪৫ হাজার ৮৮ ভোটে, নিকটতম বিএনপির মোকাররম হোসেন সুজন ৬৯ হাজার ৪০৭।
রংপুর-২ জামায়াতে ইসলামীর এটিএম আজহারুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০, নিকটতম বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৮৭০।
রংপুর-৩ জামায়াতে ইসলামীর বিজয়ী মাহবুবুর রহমান বেলাল এক লাখ ৭৫ হাজার, নিকটতম বিএনপির সামসুজ্জামান সামু ৮৪ হাজার ৫৭৮ পেয়েছেন।
রংপুর-৪ এনসিপির আখতার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোটে, নিকটতম বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা এক লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ পেয়েছেন।
রংপুর-৫ জামায়াতে ইসলামী গোলাম রব্বানী বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোটে, নিকটতম বিএনপির গোলাম রব্বানী এক লাখ ১৪ হাজার ১৪১ পেয়েছেন।
রংপুর-৬ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা নুরুল আমীন বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার ৮৯০, নিকটতম বিএনপির সাইফুল ইসলাম এক লাখ ১৬ হাজার ৯১৯ পেয়েছেন।
লালমনিরহাট-১ বিএনপির হাসান রাজীব প্রধান বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোটে, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর আনোয়ারুল ইসলাম রাজু এক লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ পেয়েছেন; লালমনিরহাট-২ বিএনপির রোকন উদ্দিন বাবুল বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার ৩৫৯ ভোটে, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর ফিরোজ হায়দার লাভলু এক লাখ সাত হাজার ৮৮৬ ভোট পেয়েছেন; লালমনিরহাট-৩ বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৪০ হাজার ১০৫ ভোটে, নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর আবু তাহের ৫৫ হাজার ৩৮৭ পেয়েছেন; নীলফামারী-১ জামায়াতে ইসলামীর আব্দুস সাত্তার বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার ৮২৪ ভোটে, নিকটতম জমিয়তে উলামায়ের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি এক লাখ ১৯ হাজার ৫৯ ভোট পেয়েছেন।
নীলফামারীর-২ জামায়াতে ইসলামীর আল ফারুক আব্দুল লতিফ বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৪৬ হাজার ৪৩০ ভোটে, নিকটতম বিএনপির শাহরিন ইসলাম তুহিন এক লাখ ৩৫ হাজার ৪১৮ ভোট পেয়েছেন। নীলফামারী-৩ জামায়াতে ইসলামীর ওবায়দুল্লাহ সালাফী বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৯ হাজার ৬৮৬, নিকটতম বিএনপির সৈয়দ আলী ৮৯ হাজার ৮০৭ ভোট পেয়েছেন; নীলফামারী-৪ জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মুনতাকিম বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ২৬ হাজার ২২২ ভোটে, নিকটতম বিএনপির আবদুল গফুর সরকার ৮২ হাজার ৮৬ ভোট পেয়েছেন।
গাইবান্ধা-১ জামায়াতে ইসলামীর মাজেদুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোটে, নিকটতম বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট পেয়েছেন। গাইবান্ধা-২ জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল করিম বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ২১ হাজার ৯৮ ভোটে, নিকটতম বিএনপির আনিসুজ্জামান খান বাবু ৯১ হাজার ৩০৬ ভোট পেয়েছেন; গাইবান্ধা-৩ জামায়াতে ইসলামীর আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম লেবু বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৬০ হাজার ৫৫২ ভোটে, নিকটতম বিএনপির ডা. মইনুল হাসান সাদিক এক লাখ ৩৮ হাজার ৭০০ ভোট পেয়েছেন; গাইবান্ধা-৪ বিএনপির শামিম কায়সার লিংকন বিজয়ী হয়েছেন এক লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোটে এবং নিকটতম জামায়াতের ড. আব্দুর রহিম এক লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়েছেন; গাইবান্ধা-৫ জামায়াতে ইসলামীর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ বিজয়ী হয়েছেন ৮৭ হাজার ৬১৭ ভোট, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক আলম সরকার ৭৩ হাজার ২৮৯ ভোট পেয়েছেন।
সিলেট বিভাগ: সিলেট-১ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর (বিএনপি), সিলেট-২ তাহসিনা রুশদীর লুনা (বিএনপি), সিলেট-৩ আব্দুল মালিক (বিএনপি), সিলেট-৪ আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি), সিলেট-৫ মাওলানা মুফতি আবুল হাসান (খেলাফত, জামায়াত জোট), সিলেট-৬ এমরান আহমদ চৌধুরী (বিএনপি), সুনামগঞ্জ-১ কামরুজ্জামান কামরুল (বিএনপি), সুনামগঞ্জ-২ নাসির উদ্দীন চৌধুরী (বিএনপি), সুনামগঞ্জ-৩ কয়সর আহমেদ (বিএনপি), সুনামগঞ্জ-৪ নুরুল ইসলাম নুরুল (বিএনপি), সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন আহমদ (বিএনপি), হবিগঞ্জ-১ রেজা কিবরিয়া (বিএনপি), হবিগঞ্জ-২ আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান (বিএনপি), হবিগঞ্জ-৩ জি কে গউছ (বিএনপি), হবিগঞ্জ-৪ সৈয়দ মো. ফয়সল (এগিয়ে, বিএনপি), মৌলভীবাজার-১ নাসির উদ্দিন মিঠু (বিএনপি), মৌলভীবাজার-২ শওকতুল ইসলাম (বিএনপি),
মৌলভীবাজার-৩ এম নাসের রহমান (বিএনপি), মৌলভীবাজার-৪ মুজিবুর রহমান চৌধুরী (বিএনপি)।
বরিশাল বিভাগ: বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) বিএনপির জহির উদ্দিন স্বপন (৫৮৬৫০), বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) বিএনপির এস সরফুদ্দিন সান্টু ১,৪১,২৮০, বরিশাল-৫ (মহানগর-সদর) বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১, বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে বিএনপির আবুল হোসেন খান (৮১০৮৭), পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে জামায়াতের ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (৯৩৯৫৪), ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজুমদ্দিন) আসনে বিএনপির মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (১৫১৭৭৪), ভোলা-৪ (চরফ্যাসন ও মনপুরা) আসনে বিএনপির নুরুল ইসলাম নয়ন (১৮৯৭১১), বরগুনা-১ (বরগুনা সদর-আমতলী-তালতলী) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওলি উল্লাহ (১৪০২৯১), বরগুনা-২ (বামনা-বেতাগী-পাথরঘাটা) আসনে বিএনপির নুরুল ইসলাম মনি (৮৯২৪৪), পিরোজপুর-১ (সদর-নাজিরপুর-ইন্দুরকানী) আসনে জামায়াতের মাসুদ সাঈদী (১,২৭,৮২৮), পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনে বিএনপির রুহুল আমীন দুলাল (৬৩,৭৮৫)।
চট্টগ্রাম বিভাগ: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) রুমিন ফারহানা (১১৭৪৯৫), নিকটতম জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মোহাম্মদ জুনায়েদ আল হাবীব (৭৯৯২৭); ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (৯৮২৩১), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মো. মহসিন (৩৭৯৬৫); কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (১৪০৩০৫), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মনিরুজ্জামান বাহালুল (৯০৪৯৯); কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপি অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া (৭৬২৬৮), নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রকৌশলী এম এ মতিন খান (৬২৩৮৫); কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ (১৫৮০৯৩), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মো. ইউছুফ সোহেল (১৪৫০৮০); কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির মো. আবুল হাসনাত (১৬০৫২৭), নিকটতম গণঅধিকার পরিষদের মো. আ. জসিম উদ্দিন (৪৯৬৪৪); কুমিল্লা-৫ আসনে বিএনপির মো. জসীম উদ্দিন (১৩২৬৭০), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মোবারক হোসাইন (১২২৫০১); কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি মো. মনিরুল হক চৌধুরী (১৯৯৩১০), নিকটতম জামায়াতে ইসলামী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ (১১৪০৩০); কুমিল্লা-৭ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) আতিকুল আলম শাওন (৯০৮১৯), নিকটতম বিএনপির রেদোয়ান আহমেদ (৪৭৯২৫); কুমিল্লা-৮ আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন (১৬৭৪৩১), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর ড. মো. শফিকুল আলম হেলাল (৪১৩৪৫); কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির মো. আবুল কালাম (২০৪০৫৪), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দীন ছিদ্দিকী পেয়েছেন (১৩৩২৫১); কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া (১১০৬৯০), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত (৭৫২৮৪); কুমিল্লা-১১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (১৩৩৩০৮), নিকটতম বিএনপির মো. কামরুল হুদা (৭৬৬৩৮); চাঁদপুর-১ আসনে বিএনপির আ ন ম এহছানুল হক মিলন (১৩৩১৬২), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমদ (৬৭০৭৭); চাঁদপুর-২ আসনে বিএনপির মো. জালাল উদ্দিন (১৭০৫৯৩), নিকটতম এলডিপির মো. বিল্লাল হোসেন (৫৪৭৩৩); চাঁদপুর-৩ আসনে বিএনপির শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক (১৬৫৪০৪), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহজাহান মিয়া (১০৮০৬৫); চাঁদপুর-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) আব্দুল হান্নান (৭৪১৭৫), নিকটতম বিএনপির মো. হারুনুর রশিদ (৬৯১৫৫); চাঁদপুর-৫ আসনে বিএনপির মো. মমিনুল হক (১৮১৯১১), নিকটতম এলডিপির নেয়ামুল বশির (৭১৮৫০); ফেনী-১ আসনে বিএনপির মুন্সী রফিকুল আলম (১১৭২৩১), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর এস এম কামাল উদ্দীন (৮০৬৬১); ফেনী-২ আসনে বিএনপির জয়নাল আবদিন (১৩১২১০), নিকটতম এবি পার্টি মজিবুর রহমান মঞ্জু (৮০০৫৮); ফেনী-৩ আসনে বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু (১৫৭৪২৫), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক (১০৮১৬০);
নোয়াখালী-১ আসনে বিএনপির এএম মাহবুব উদ্দিন (১২৬৮৩৩), নিকটতম জামায়াতে ইসলামী মো. ছাইফ উল্যাহ (৯৮০৩৬); নোয়াখালী-২ আসনে বিএনপির জয়নুল আবদিন ফারুক (৮৩৯৮২), নিকটতম জাতীয় নাগরিক পার্টির সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া মজুমদার (৬৭০৫৪); নোয়াখালী-৩ আসনে ২৫ কেন্দ্রে বিএনপির মো. বরকত উল্লাহ বুলু (১৭৮৮৬), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মো. বোরহান উদ্দিন (১৭৭৬২); নোয়াখালী-৪ আসনে ১৯৯ কেন্দ্রের মধ্যে ৫৪ কেন্দ্রে বিএনপির মো. শাহজাহান (৬০২৭১), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মো. ইসহাক খন্দকার (৩৮৫৮৮); নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (১৪৭৮০৮), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন (১২০৪৫৩); নোয়াখালী-৬ আসনে ১০৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১২ কেন্দ্রে জাতীয় নাগরিক পার্টির আবদুল হান্নান মাসউদ (৯৩২২), নিকটতম বিএনপির মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীম (৬২৩৮);
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বিএনপির মো. শাহাদাত হোসেন সেলিম (৮৪২৫৪), নিকটতম জাতীয় নাগরিক পার্টির মো. মাহবুব আলম (৫৫৩০১); লক্ষ্মীপুর-২ আসনে বিএনপির মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া (১৪৫৯১৩), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া (১৩৪০৪২); লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে (১৩০ কেন্দ্রের মধ্যে ১২২) বিএনপির মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী (১২৫৬৪০), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর ড. মো. রেজাউল করিম (১১০৭৪৩); লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে বিএনপির এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (১১৪০৫৯), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মো. আশরাফুর রহমান হাফিজউল্লা (৭০২৪৯);
চট্টগ্রাম-১ আসনে বিএনপির নুরুল আমিন (১২৭৬৪৫), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান (৮১২২৭); চট্টগ্রাম-২ আসনে ১৪০ কেন্দ্রের মধ্যে ১০১ কেন্দ্রে বিএনপির সরোয়ার আলমগীর (৯৬১২২), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন (৪০২৬৯); চট্টগ্রাম-৩ আসনে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা (৭২৫১৯), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আলাউদ্দীন (৩৬৮১৮); চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (১৪২৬৭৪), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মো. আনোয়ার ছিদ্দিক (৮৯২৬৮); চট্টগ্রাম-৫ আসনে ১৪৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৮১ কেন্দ্রে বিএনপির মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (৯০৪২২), নিকটতম খেলাফত মজলিসের নাছির উদ্দিন মুনীর (২৬১৬২); চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (১১১২০১), নিকটতম ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ ইলিয়াছ নুরী (২৬৬৯৬); চট্টগ্রাম-৭ আসনে ৯২ কেন্দ্রের মধ্যে ২৬ কেন্দ্রে বিএনপির হুমাম কাদের চৌধুরী (২৯১৪০), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর এটিএম রেজাউল করিম (১০৪২৭); চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১৭৯ কেন্দ্রের মধ্যে ৮২ কেন্দ্রে বিএনপির এরশাদ উল্লাহ (৭২৫৩০), নিকটতম ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান (২২৫৩২); চট্টগ্রাম-৯ আসনে ১২১ কেন্দ্রের মধ্যে ৭৬ কেন্দ্রে বিএনপির মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (৬৬৪১৭), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর ডা. একেএম ফজলুল হক (৩১৩৩০); চট্টগ্রাম-১০ আসনে ১৩৯ কেন্দ্রের মধ্যে ১১১ কেন্দ্রে বিএনপির সাঈদ আল নোমান (৯৬৮২১), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী (৫৮০০০); চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১৪৩ কেন্দ্রের মধ্যে ৩১ কেন্দ্রে বিএনপির আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (২১৮৮১); নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম (১৫০৩৩); চট্টগ্রাম-১২ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ এনামুল হক (১৩৪৮০৬), নিকটতম ইসলামী ফ্রন্টের ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু (২৮৮০৬); চট্টগ্রাম-১৩ আসনে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম (১২৫৪৬০), নিকটতম ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান (৫১০৬২); চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ১০০ কেন্দ্রের মধ্যে ৬৪ কেন্দ্রে বিএনপির আলহাজ জসীম উদ্দীন আহমেদ (৭৬৪৯৩), নিকটতম এলডিপির ওমর ফারুক (৭৫৪৬৭); চট্টগ্রাম-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর শাহজাহান চৌধুরী (১৭২০৬১), নিকটতম বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমীন (১২৭০২৫); চট্টগ্রাম-১৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম (৮৯৯৬০), নিকটতম বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী (৮২২১০);
কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ (২২০৫৬৬), নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ আল ফারুখ (১২৪৭২৬); কক্সবাজার-২ আসনে বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (১২৫২৬২), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ (৭৯৬৩৪); কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল (১৮১৪৬০), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর (১৫২৯৯৪); কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী (১২২০৮৩), নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর নুর আহমদ আনোয়ারী (১১৮৭২৬); খাগড়াছড়িতে বিএনপির আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইঞা (১৪৮২১২), নিকটতম ধর্মজ্যোতি চাকমা (৫৮১৩৬); রাঙামাটি আসনে বিএনপির দীপেন দেওয়ান (১৯৯৮৪০), নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা (৩০৯৯২); বান্দরবান আসনে বিএনপির সাচিং প্রু (১৪১৪৫৫), নিকটতম জাতীয় নাগরিক পার্টির আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন (২৬১৬২)।
রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের মধ্যে ২৭টির বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীরা ১৬টি, জামায়াতের প্রার্থীরা ১১টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া ছয়টি আসনে আংশিক ফলাফল পাওয়া গেছে। এগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন।
রাজশাহী-১ বিজয়ী জামায়াতের মো মুজিবুর রহমান (১৭১৭৮৬), নিকটতম বিজয়ী বিএনপির মো শরীফ উদ্দিন (১৬৯৯০২); রাজশাহী-২ বিজয়ী বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু (১২৮৫৪৬), নিকটতম জামায়াতের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর (১০০৩৭০); রাজশাহী-৩ বিজয়ী বিএনপির শফিকুল হক মিলন (১৭৬৩১৮), নিকটতম জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ (১৩৭৯২৭); রাজশাহী-৪ বিজয়ী জামায়াতের আব্দুল বারী (১১৮২৪৮), নিকটতম বিএনপির ডি এম জিয়াউর রহমান (১০৯৭৫৯); রাজশাহী-৫ বিজয়ী বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম (১৫৩৪২৫), নিকটতম জামায়াতের মো. মনজুরুল ইসলাম (৭৩৪৪৫); রাজশাহী-৬ বিজয়ী বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ (১৪৮৬৭২), নিকটতম জামায়াতের নাজমুল হক (৯২৯৬৫)।
নওগাঁ-১ বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (১ লাখ ৪৯ হাজার ২০২), নিকটতম জামায়াতের মাহবুবুল আলম (এক লাখ ২৬ হাজার ৯৩); নওগাঁ-২ বিজয়ী জামায়াতের এনামুল হক (১৪১৫২৬), নিকটতম বিএনপির শামসুজ্জোহা খান (১৩৪৫৩৩); নওগাঁ-৩ বিজয়ী বিএনপির ফজলে হুদা (১ লাখ ৬২ হাজার), নিকটতম জামায়াতের মাহফুজুর রহমান (১১৩২৬); নওগাঁ-৪ বিজয়ী বিএপির ইকরামুল বারী (১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১), নিকটতম জামায়াতের আব্দুর রাকিব (৯৬ হাজার ৮১৪); নওগাঁ-৫ বিজয়ী বিএনপির জাহিদুল ইসলাম ধলু (১২৮৩৬৬), নিকটতম জামায়াতের আ স ম সায়েম (১০৩২০৯); নওগাঁ-৬ বিজয়ী বিএনপির রেজাউল ইসলাম রেজু (১০৮০৭০), নিকটতম জামায়াতের মো. খবিরুল ইসলাম (৯৫৮৮৬)।
পাবনা-১ বিজয়ী জামায়াতের ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন (১২৮৪৬৭), নিকটতম বিএনপির ভিপি শামসুর রহমান (১০৩৬৬৩); পাবনা-২ বিজয়ী বিএনপির অ্যাডভোকেট এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব (২১৩৯৫০), নিকটতম জামায়াতের কে এম হেসাব উদ্দিন (৩৭৯১৬); পাবনা-৩ বিজয়ী জামায়াতের মাওলানা আলী আছগার (১,৪৭,৪৭৫), নিকটতম বিএনপির হাসান জাফির তুহিন (১,৪৪,২০৬); পাবনা-৪ বিজয়ী জামায়াতের অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডল (১৩৭৭৭৫), নিকটতম বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব (১৩৪০২৩); পাবনা-৫ বিজয়ী বিএনপির অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস (১৭১১৫৬), নিকটতম জামায়াতের ইকবাল হোসাইন (১৫৮৬৭৯)।
বগুড়া-১-এ বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম এগিয়ে রয়েছেন। বগুড়া-২ বিজয়ী বিএনপির মীর শাহে আলম (১ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৭ ভোট), নিকটতম জামায়াতের মাওলানা শাহাদুজ্জামান (৯২ হাজার ৪৩৩); বগুড়া-৩ বিজয়ী বিএনপির আব্দুল মোহিত তালুকদার (১ লাখ ২৭ হাজার ২১৩), নিকটতম জামায়াতের নুর মোহাম্মদ (১ লাখ ৯ হাজার ১৩৭), বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির মোশারফ হোসেন এগিয়ে আছেন; বগুড়া-৫ বিজয়ী বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ (২ লাখ ১৫ হাজার ৫৫), নিকটতম জামায়াতের দবিবুর রহমান (১ লাখ ৫ হাজার ৩৫৯); বগুড়া-৭ আসনে বিএনপির মোরশেদ মিল্টন এগিয়ে আছেন।
সিরাজগঞ্জ-১ বিজয়ী বিএনপির সেলিম রেজা (১,১৬,৫০৩), নিকটতম জামায়াতের শাহিনুর আলম দাঁড়িপাল্লা (১,০৭,৪৪৩); সিরাজগঞ্জ-২ বিজয়ী বিএনপির ইকবাল হাসান মাহমুদ (ভোট ১৭৭৫৭৮), নিকটতম জামায়াতের মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (১৩৮৭৯৭); সিরাজগঞ্জ-৩ বিজয়ী বিএনপির আয়নাল হক (১৭৪৪৩০), নিকটতম খেলাফত মজলিসের মুফতি আব্দুর রউফ (১১৬৮০২); সিরাজগঞ্জ-৪ বিজয়ী বিএনপির এম আকবর আলী (১৬১২৭৮), নিকটতম জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান (১৬১৮৭২)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ বিজয়ী জামায়াতের মো কেরামত আলী বেসরকারি (২০৬৮৯৬), নিকটতম বিএনপির শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন (১৮৯৬৪০); চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ বিজয়ী জামায়াতের মো মিজানুর রহমান (১৭১২২৭), নিকটতম বিএনপির আমিনুল ইসলাম (১৫৫১১৯); চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ বিজয়ী জামায়াতের নুরুল ইসলাম বুলবুল (১৮৯৬৪০), নিকটতম বিএনপির হারুনুর রশিদ পেয়েছেন (১২৭০৩৭)।
এক নজরে বিএনপির জয়, কে কোন আসন থেকে নির্বাচিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফল ঘোষণার সমাপণী বক্তব্যে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এসব তথ্য জানান।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ফলাফল প্রকাশিত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে বিজয়ীদের নাম সামনে আসছে। পাশাপাশি কয়েকটি আসনে স্বতন্ত্র ও জোট প্রার্থীরাও জয় পেয়েছেন। দেখে নেওয়া যাক, এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলাফলে কোন আসনে কে জয়লাভ করেছে।
কে, কোন আসনে জিতেছে, তার তালিকা নিচে দেওয়া হলো -
রংপুর বিভাগ
পঞ্চগড়-১ আসনে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এবং পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে আবদুস সালাম এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। দিনাজপুর-১ আসনে মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনে সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনে আক্তারুজ্জামান মিয়া এবং দিনাজপুর-৬ আসনে আবু জাফর মো. জাহিদ নির্বাচিত হয়েছেন।
লালমনিরহাট-১ আসনে হাসান রাজীব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনে রোকন উদ্দীন বাবুল এবং লালমনিরহাট-৩ আসনে আসাদুল হাবিব দুলু জয় পেয়েছেন। গাইবান্ধা-১ আসনে মো. মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা-২ আসনে মো. আব্দুল করিম, গাইবান্ধা-৩ আসনে আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৪ আসনে মোহাম্মদ শামীম কায়সার এবং গাইবান্ধা-৫ আসনে মো. আব্দুল ওয়ারেছ বিজয়ী হয়েছেন।
নীলফামারী-১ আসনে আব্দুস সাত্তার, নীলফামারী-২ আসনে আলফারুক আব্দুল লতীফ, নীলফামারী-৩ আসনে ওবায়দুল্লাহ সালাফী এবং নীলফামারী-৪ আসনে আব্দুল মুনতাকিম নির্বাচিত হয়েছেন। কুড়িগ্রাম-১ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে মো. মাহবুবুল আলম এবং কুড়িগ্রাম-৪ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান বিজয় অর্জন করেছেন।
রাজশাহী বিভাগ
জয়পুরহাট-১ আসনে ফজলুর রহমান সাইদ এবং জয়পুরহাট-২ আসনে মো. আবদুল বারী নির্বাচিত হয়েছেন। বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ আসনে মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ আসনে মো. আব্দুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনে মো. মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান এবং বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিলটন বিজয়ী হয়েছেন।
নওগাঁ-১ আসনে মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনে মো. এনামুল হক, নওগাঁ-৩ আসনে মো. ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ আসনে ড. ইকরামুল বারী টিটু, নওগাঁ-৫ আসনে মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু এবং নওগাঁ-৬ আসনে শেখ মো. রেজাউল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
রাজশাহী-১ আসনে মো. মুজিবুর রহমান, রাজশাহী-২ আসনে মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ আসনে মো. শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ আসনে মো. আব্দুল বারী সরদার, রাজশাহী-৫ আসনে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম এবং রাজশাহী-৬ আসনে মো. আবু সাইদ চাঁদ বিজয়ী হয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে মো. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মুহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে মো. নুরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
খুলনা বিভাগ
মেহেরপুর-১ আসনে তাজউদ্দিন খান এবং মেহেরপুর-২ আসনে নাজমুল হুদা নির্বাচিত হয়েছেন। ঝিনাইদহ-১ আসনে মো. আসাদুজ্জামান, মাগুরা-১ আসনে মো. মনোয়ার হোসেন এবং মাগুরা-২ আসনে নিতাই রায় চৌধুরী বিজয় অর্জন করেছেন।
যশোর-১ আসনে মো. আজীজুর রহমান, যশোর-৪ আসনে মো. গোলাম রছুল, যশোর-৫ আসনে গাজী এনামুল হক এবং যশোর-৬ আসনে মো. মোক্তার আলী নির্বাচিত হয়েছেন। খুলনা-১ আসনে আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ আসনে শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, খুলনা-৩ আসনে রকিবুল ইসলাম, খুলনা-৪ আসনে এস কে আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনে মোহাম্মদ আলি আসগার লবী এবং খুলনা-৬ আসনে মো. আবুল কালাম আজাদ বিজয়ী হয়েছেন। সাতক্ষীরা-২ আসনে মো. আবদুল খালেক, সাতক্ষীরা-৩ আসনে মো. রবিউল বাশার এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনে গাজী নজরুল ইসলাম নির্বাচিত হয়েছেন।
ঢাকা বিভাগ
ঢাকা-১ আসনে খোন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা-২ আসনে মো. আমানউল্লাহ, ঢাকা-৩ আসনে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ আসনে সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ঢাকা-৫ আসনে মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা-৬ আসনে ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৭ আসনে হামিদুর রহমান হামিদ, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ আসনে হাবিবুর রশিদ, ঢাকা-১৩ আসনে ববি হাজ্জাজ, ঢাকা-১৫ আসনে ডা. শফিকুর রহমান, ঢাকা-১৮ আসনে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা-১৯ আসনে দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং ঢাকা-২০ আসনে আলহাজ তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন।
গাজীপুর-১ আসনে মজিবুর রহমান, গাজীপুর-২ আসনে এম মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনে এস এম রফিকুল ইসলাম, গাজীপুর-৪ আসনে সালাহউদ্দীন আইয়ুবী এবং গাজীপুর-৫ আসনে এ কে এম ফজলুল হক বিজয়ী হয়েছেন।
নরসিংদী-১ আসনে খায়রুল কবির খোকন, নরসিংদী-২ আসনে ড. আব্দুল মঈন খান, নরসিংদী-৩ আসনে মঞ্জুর এলাহী, নরসিংদী-৪ আসনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন এবং নরসিংদী-৫ আসনে আশরাফ উদ্দিন বকুল নির্বাচিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ
চট্টগ্রাম-১ আসনে নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ আসনে সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ আসনে মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ আসনে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনে মীর মো. হেলালউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ আসনে গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ আসনে হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ আসনে এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনে আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাঈদ আল নোমান এবং চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন।
সিলেট-১ আসনে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ আসনে মো. আব্দুল মালিক, সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরী এবং সিলেট-৬ আসনে এমরান আহমদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন।
মৌলভীবাজার-১ আসনে নাসির উদ্দিন আহমেদ, মৌলভীবাজার-২ আসনে মো. শওকতুল ইসলাম, মৌলভীবাজার-৩ আসনে এম নাসের রহমান এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনে মজিবুর রহমান চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। হবিগঞ্জ-১ আসনে রেজা কিবরিয়া, হবিগঞ্জ-২ আসনে আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান, হবিগঞ্জ-৩ আসনে মো. জি কে গউছ এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনে এস এম ফয়সল নির্বাচিত হয়েছেন।
জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়
এ ছাড়া পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর, ভোলা-১ আসনে আন্দালিভ রহমান পার্থ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জোনায়েদ সাকি এবং বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের মো. অলী উল্লাহ নির্বাচিত হয়েছেন।
নীলফামারী-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত জামায়াতের মাওলানা আব্দুস সাত্তার
নীলফামারী-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুস সাত্তার। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ২১৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জমিয়তের মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ১৬০ ভোট।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির নূরুল ইসলাম
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী নূরুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৯২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শামস উদদীন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৩৫ ভোট।
ঢাকা-২ আসনে বিএনপির আমান উল্লাহ আমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত আমান উল্লাহ
ঢাকা-২ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জিতেছেন বিএনপির আমান উল্লাহ আমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতের মোস্তাফিজুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৬ হাজার ৩৪৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭৬২ ভোট পেয়েছেন।
পঞ্চগড় -১ আসনে বিএনপির নওশাদ জমির ও পঞ্চগড় -২ আসনে বিএনপির ফরহাদ হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
পঞ্চগড় -১ আসনে বিএনপির মুহম্মদ নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম শাপলাকলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট।
পঞ্চগড় -২ আসন
পঞ্চগড়-২ আসনে বিনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সফিউল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৬২ ভোট।
নরসিংদী-১ আসনে বিএনপির খায়রুল কবির বেসরকারিভাবে নির্বাচিত খায়রুল কবির খোকন
নরসিংদী-১ (সদর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন ১ লাখ ৬০ হাজার ৬৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. ইব্রাহীম ভূঞা পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৩০ ভোট।
১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বেসরকারি এ ফলাফল ঘোষণা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আসমা জাহান সরকার।
নরসিংদী-৪ আসনে বিএনপির সরদার সাখাওয়াত বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৫ ভোট।
আসনটির মনোহরদী উপজেলায় ১০০ ও বেলাব উপজেলার ৬২ ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এই ১৬২টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বেসরকারি এ ফলাফল ঘোষণা করেন দুই উপজেলার দায়িত্বে থাকা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
মৌলভীবাজার-৩ আসনে বিএনপির নাসের রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
মৌলভীবাজার–৩ (সদর ও রাজনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নাসের রহমান ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আব্দুল মান্নান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৬৩৬ ভোট। আসনটিতে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯১৬টি। না ভোটের সংখ্যা ৭৮ হাজার ৬৭১।
নরসিংদী-২: বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির মঈন খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খানছবি: মোস্তফা ইউসুফ
নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদরের একাংশ) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান ৯২ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বিদ্রোহী প্রার্থী আমজাদ হোসাইন পেয়েছেন ৫১ হাজার ১৬১ ভোট। এ ছাড়া ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এনসিপির সারোয়ার তুষার পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৩৬ ভোট।
পলাশের ৬১টি ও সদরের ৩০টি কেন্দ্রসহ মোট ৯১টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে বেসরকারি এ ফলাফল ঘোষণা করেন পলাশ ও সদরের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যথাক্রমে ইশতিয়াক আহমেদ ও আসমা জাহান সরকার।
বাগেরহাট-৩: বিএনপির ফরিদুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. আব্দুল ওয়াদুদ শেখ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট। মোংলা ও রামপাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এই ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির এ্যানি
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫। এ আসনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৯ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসন মোট ভোটার ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৭২ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ, ২৯ হাজার ৭০৯ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৫৮জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৩০টি।
চট্টগ্রাম-১২ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ এনামুল হক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহত্তর সুন্নি জোটের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৭৭ ভোট। এ ছাড়া ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফরিদুল আলম পেয়েছেন ২০ হাজার ৯৪২ ভোট। রাত ১টায় আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
এ আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১হাজার ৬১৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৫৪ জন, নারী ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪০ জন এবং হিজড়া ১ জন। আসনের ১১৩টি ভোট কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন তাঁরা।
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত বিএনপির শাহাদাত হোসেন সেলিম
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসন থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম। রাত ১২টার দিকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম।
শাহাদাত হোসেন সেলিম পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪৩৬ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮১ হাজার ৩০২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫৮ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৪ জন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৯৩টি।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতের শিশির মনিরকে হারিয়ে বিএনপির নাছির নির্বাচিত
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই ও শাল্লা) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. নাছির চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৫২২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ হাজার ২২০ ভোট। নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিলেট-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ৭০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৯২৩ ভোট।
বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে সিলেটের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি জানান, এসব ভোটের সঙ্গে পোস্টাল ব্যালটের প্রাপ্ত ভোট যুক্ত হবে।
সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম এ মালিক বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী এম এ মালিক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ২৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুসলেহ উদ্দীন রাজু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬১৪ ভোট।
বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে সিলেটের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি জানান, এসব ভোটের সঙ্গে পোস্টাল ব্যালটের প্রাপ্ত ভোট যুক্ত হবে।
আসনটির মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার জন। এখানে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
সিলেট-২ আসনে বিএনপির তাহসিনা রুশদীর বেসরকারিভাবে বিজয়ী
সিলেট-২ (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর (লুনা)। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৪৪৬ ভোট।
বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টার দিকে সিলেটের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এ ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় তিনি জানান, এসব ভোটের সঙ্গে পোস্টাল ব্যালটের প্রাপ্ত ভোট যুক্ত হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬: জোনায়েদ সাকি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ৯৫ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। জোনায়েদ সাকি ৫৫ হাজার ৩৭৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।
রাত সাড়ে ১২টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এই আসনের ৯৮টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৩টি ভোট। আসনটির মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, এই আসনে ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
চট্টগ্রাম-১৫: জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শরীফুল আলম চৌধুরী ২ হাজার ৮৭৩ ভোট পেয়েছেন।
রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম-১৫ আসনটিতে মোট ভোটার ৫ লাখ ৬ হাজার ৫৯। ২০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে বিস্তৃত এই আসনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫৭টি। এর মধ্যে সাতকানিয়ায় ৯০টি ও লোহাগাড়ায় ৬৭টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১১ ভোট।
পেকুয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুব আলম ৪৭টি কেন্দ্রের ও চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৩০টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
কক্সবাজার-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯ জন। মোট প্রার্থী ৩ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৭৭ টি।
ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির তমিজ উদ্দিন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।
এই আসনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৪১২টি। ‘না’ ভোট দিয়েছেন ৫০ হাজার ১১৪ জন। ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব রাতে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
নরসিংদী-৩ আসনে বিএনপির মনজুর এলাহী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত
নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী ৮১ হাজার ৪১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফ উল ইসলাম মৃধা পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪০১ ভোট।
১০২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে এ ফলাফল ঘোষণা করেন শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার ফারজানা ইয়াসমিন।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির মজিবর রহমান নির্বাচিত
বরিশাল-৫ (সদর-সিটি করপোরেশন) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে মজিবর রহমান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট।
এই আসনে ভোট পড়েছে দুই লাখ ৫৭ হাজার ৫১৯ ভোট। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে সাত হাজার ৭০৬ ভোট। বৈধ ভোট ছিল দুই লাখ ৯৮ হাজার ১৩টি।
রংপুর-২ আসনে জামায়াতের এটিএম আজহার বেসরকারিভাবে বিজয়ী
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ এবং বদরগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এ টি এম আজহারুল ইসলাম। আসনটির ১৩৭টি কেন্দ্রে তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার ৭৯ হাজার ৯১০ ভোট পেয়েছেন। তারাগঞ্জ এবং বদরগঞ্জ উপজেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দপ্তর থেকে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
চট্টগ্রাম-৩ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বেসরকারি ফলে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ৭২ হাজার ৩৫৩ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ আলা উদ্দীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৩৭ হাজার ১৫৭ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে পোস্টাল ভোট পড়েছে ৪ হাজার ৭৮৪টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৫০৫ ভোট দাঁড়িপাল্লা এবং ধানের শীষ পেয়েছে ৬৮৪ ভোট।
রাত সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মারমা বেসরকারি এই ফলাফল ঘোষণা করেন। আসনটিতে মোট ভোটার ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৮৫ জন।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে জামায়াতের মোস্তাফিজুর বেসরকারিভাবে বিজয়ী
কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর) আসনে বেসরকারি ফলাফলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯১ হাজার ৪১৪ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আজিজুর রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৩৫ ভোট।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এই ফলাফল ঘোষণা করেন। এই আসনে ১৩০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৩ জন।
বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির সরওয়ার ৮৭৪৮৩, ইসলামী আন্দোলনের ফয়জুল ১৮১৬২, বাসদের মনীষা ১৪৬১০
বরিশাল-৫ (সদর-সিটি করপোরেশন) আসনের ১৭৬ কেন্দ্রের মধ্যে ১২২ কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী মো. মজিবর রহমান সরওয়ার এগিয়ে আছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৮৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম ১৮ হাজার ১৬২ ভোট পেয়েছেন। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬১০ ভোট।
সুনামগঞ্জ–১আসন: বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল
সুনামগঞ্জ–১ (ধর্মপাশা ও তাহিরপুর) আসনে বিএনপির কামরুজ্জামান কামরুল ৩৪, ৯৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের তোফায়েল আহমদ পেয়েছেন ২০ হাজার ৪০ ভোট।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জনি রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসন: ৯৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে ১৮৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৭৬টির ফল ঘোষণা হয়েছে। এর মধ্যে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৯৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৪ ভোট পেয়েছেন। অপর প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৩৩ ভোট।
খাগড়াছড়ি আসন: ১১০ কেন্দ্রে বিএনপির ওয়াদুদ ভূঁইয়ার ভোট ৭৬,২৮৬ ও স্বতন্ত্র ধর্মজ্যোতির ভোট ৪৪,৩১৩
খাগড়াছড়ি আসনে ১১০টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি পেয়েছেন ৭৬ হাজার ২৮৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ধর্মজ্যোতি চাকমা পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৩১৩ ভোট। জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে প্রাথমিক ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্রে এই ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত।
খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ভোট কেন্দ্র ২০৩টি। ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৪ জন। মোট প্রার্থী ১১জন।
ফেনী-২ আসন: ৫০ কেন্দ্রের ভোটে বিএনপির জয়নাল ৪৩,৫২১ এবং এবি পার্টির মঞ্জু ২৪,১২৪
ফেনী-২ আসনের ৫০টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এসব কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদীন (ভিপি জয়নাল) ৪৩ হাজার ৫২১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত এবি পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া (মঞ্জু) পেয়েছেন ২৪ হাজার ১২৪ ভোট।
আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ জন। মোট কেন্দ্র রয়েছে ১৪৬টি।
পিরোজপুর -৩ আসন: ৫৭ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে ধানের শীষের রুহুল আমীন দুলাল
পিরোজপুর -৩ (মঠবাড়িয়া উপজেলা) আসনে ৫৭টি কেন্দ্রে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. রুহুল আমীন দুলাল পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৬৪ ভোট।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রুস্তম আলী ফরাজী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২৩ হাজার ৭৩৪ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ৮৫টি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত জোটের প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিফাইল ছবি: প্রথম আলো
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন: ১৯ কেন্দ্রে গণসংহতির জোনায়েদ সাকি ১৬,৪০৭ এবং জামায়াতের মহসীন ৫৯৫৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৬ আসনে (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এগিয়ে আছেন। রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯টির ফল পাওয়া গেছে। সেখানে তিনি মাথাল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪০৭টি। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫৮ ভোট।
এই আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪। রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, এই আসনে ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ২৪ শতাংশ। তিনি রাত ১০টার দিকে ১৯টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করেছেন।
২২: ১৭ , ফেব্রুয়ারি ১২
পিরোজপুর–২ আসন: ২৩ কেন্দ্রে জামায়াতের শামীম সাঈদী পেয়েছেন ১২,২৯৮ ভোট; বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর ১২,০৫১
পিরোজপুর-২ (ভাণ্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী ২৩টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ১২ হাজার ২৯৮ ভোট। বিএনপির আহম্মদ সোহেল মনজুর ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১২ হাজার ৫১ ভোট। এ আসনে মোট কেন্দ্র ১৬৬ টি।
ঘোষিত ২৩ কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১৮ হাজার ৪ টি, ‘না’ পড়েছে ৯ হাজার ৮৫৫ টি।
নোয়াখালী–১ আসন: ৪০টি কেন্দ্রে বিএনপির মাহবুব ৩৪,৪২৬ ও জামায়াতের ছাইফের ভোট ২৪,৯৩৭
নোয়াখালী-১ আসনে ১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪০ টির ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৪২৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. ছাইফ উল্যাহ পেয়েছেন ২৪ হাজার ৯৩৭ ভোট।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ৪০ কেন্দ্রের এ ফল ঘোষণা দিয়েছেন।
কুড়িগ্রাম–২ আসন: ১৩৪ কেন্দ্রে এনসিপির আতিকুর পেয়েছেন ১,২২,৪৯৮ ভোট, বিএনপির কায়কোবাদ ১,১৬,২৭২
কুড়িগ্রাম-২ (সদর, রাজারহাট, ফুলবাড়ী) আসনে ১৩৪টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলে এগিয়ে আছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য মনোনীত প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আতিকুর রহমান মোজাহিদ। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ২৭২ ভোট পেয়েছেন।
আসনটিতে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২০৫টি। মোট ভোটার রয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার ৭৩৬ জন।
ফেনী–২ আসন: ২৪টি কেন্দ্রে বিএনপির জয়নালের ভোট ১৯৫৪২ ও এবি পার্টির মঞ্জু ১১৬৮৩
ফেনী-২ আসনের ২৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক। এই ২৪টি কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবদীন ওরফে ভিপি জয়নাল ১৯ হাজার ৫৪২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির মোহাম্মদ মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৮৩ ভোট।
ফেনী-০২ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৮ জন। মোট প্রার্থী ১১ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৪৬টি।
পাবনা–৫ (সদর) আসন: ৮২ কেন্দ্রের ভোটে বিএনপির শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ৯২৩৭০ ভোট, জামায়াতের ইকবাল হোসাইন ৮৬৪৯০
পাবনা–৫ (সদর) আসনে ৮২ কেন্দ্রের ভোটে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৭০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. ইকবাল হোসাইন দঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৪৯০ ভোট।
এই আসনে মোট কেন্দ্র ১৬৩।
নেত্রকোনায় বিএনপির কায়সার কামাল বড় ব্যবধানে জয়ী
নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দল মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী গোলাম রব্বানীর অন্তত ৭০ হাজার ৮৫৫ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কায়সার কামাল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৪৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম রব্বানী রিকশা প্রতীকে ৮৭ হাজার ৪৮৮ ভোট পেয়েছেন।
নেত্রকোনা-১ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন। ভোট পড়েছে ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আসনে মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অন্য চারজন হলেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন খান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী মো. আলকাছ উদ্দিন মীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. আ. মান্নান (সোহাগ) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের তারা প্রতীকের প্রার্থী মো. বেলাল হোসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনা-১ আসনটি সমতল, পাহাড় ও আংশিক হাওর এলাকা নিয়ে গঠিত। মুক্তিযুদ্ধ ছাড়াও হাজং বিদ্রোহ, হাতিখেদা, তেভাগা, ব্রিটিশবিরোধী, টংক আন্দোলনসহ নানা ঐতিহাসিক ঘটনায় আলোচিত এখানকার রাজনৈতিক অঙ্গন। কায়সার কামাল এর আগেও দুইবার ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয় পাননি। এই প্রথম জয়ের মুখ দেখলেন তিনি।
কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে গারো, হাজং প্রভৃতি ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও বাঙালি অধ্যুষিত এই জনপদে প্রচার চালিয়ে আসছিলেন। বিশেষ করে গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি নিজ খরচ ও উদ্যোগে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর চিকিৎসা সহায়তা করেছেন। নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন বেশ কিছু জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা, মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান। গৃহহীনদের দিয়েছেন ঘর। প্রথাগত রাজনৈতিক মিছিল-শোডাউনের বদলে এসব জনকল্যাণমূলক কাজ করে তিনি ভোটারদের মন জয় করেছেন।
নির্বাচনে জয়লাভের পর কায়সার কামাল বলেন, ‘আমি জনগণের জন্য রাজনীতি করি। জাতি, বর্ণ ও ধর্ম–নির্বিশেষে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দার জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। তাঁদের কাছে দেওয়া ওয়াদা যেন আমি রক্ষা করতে পারি, আমার জন্য সেই প্রার্থনা করবেন। আমি যেন সব সময় জনগণের সেবক হয়ে থাকতে পারি। এ ছাড়া এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশকে সুন্দর রাখার ব্যাপারেও আমি সব সময় সজাগ থাকব। সবাইকে নিয়োজিত সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা দুর্গাপুর–কলমাকান্দার উন্নয়নে কাজ করব।’
ইসলামী আন্দোলনের ফয়জুল করীমকে হারিয়ে বিএনপির মজিবর রহমান নির্বাচিত
বরিশাল-৫ (সদর-সিটি করপোরেশন) আসনে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে মজিবর রহমান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬ ভোট পেয়েছেন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ২১৬ ভোট।
এই আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫১৯টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭ হাজার ৭০৬ ভোট। বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ৯৮ হাজার ১৩টি।
চট্টগ্রাম-১৫ আসনে বেসরকারিভাবে জামায়াতের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বিজয়ী
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে বেসরকারি ফলে ৪৫ হাজারের বেশি ভোটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী। তিনি ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রাম-১৫ আসনের ফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান।
ফলে দেখা যায়, জামায়াত ও বিএনপি প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৪৫ হাজার ৩৬। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শরীফুল আলম চৌধুরী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৮৭৩ ভোট।
২০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৬ হাজার ৫৯ জন। ১৫৭টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে সাতকানিয়া উপজেলায় ৯০টি ও লোহাগাড়া উপজেলায় ৬৭টি ভোটকেন্দ্র ছিল।
কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির সালাহউদ্দিন আহমদ জয়ী
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদছবি: প্রথম আলো
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের বেসরকারি ফলে বিএনপির প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৫৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুক পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৩১১ ভোট।
পেকুয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুব আলম ৪৭টি কেন্দ্রের ও চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৩০টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন।
কক্সবাজার-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯ জন। মোট প্রার্থী ৩ জন। কেন্দ্র রয়েছে ১৭৭টি।
খুলনা–৩ আসনে বিএনপির রকিবুল ইসলাম জয়ী
খুলনা–৩ আসনে (সিটি করপোরেশনের ১ থেকে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড, যোগীপোল ও আড়ংঘাটা ইউনিয়ন) পোস্টাল ভোটকেন্দ্রসহ ১১৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম (বকুল) বিজয়ী হয়েছেন।
খুলনা–৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়সল কাদের বেসরকারিভাবে রকিবুল ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। ধানের শীষ প্রতীকে এই প্রার্থী পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৮৪৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের খুলনা মহানগর আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।
খুলনা-৩ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪০৯ জন। আসনটিতে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ১০৪টি। মোট প্রার্থী ছিলেন ১০ জন।
খুলনা-২ আসনে মঞ্জুকে হারিয়ে জিতলেন জামায়াতের জাহাঙ্গীর
খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে হারিয়ে জামায়াতে ইসলামীর শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বিজয়ী হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়। বিকেল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। গতকাল দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে এই আসনের মোট ১৫৮টি কেন্দ্রের সব কটির ভোট গণনা শেষ হয়।
জামায়াতের প্রার্থী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমানুল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছে ৭ হাজার ২৯৮ ভোট।
খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার ভোটের এ ফল নিশ্চিত করেছেন।
২০০৮ সালে খুলনার ৬টি আসন থেকে একমাত্র বিএনপির প্রার্থী হিসেবে খুলনা-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। ২০০১ সালে বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই আসন থেকে জয় পান। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে এখানে বিএনপি থেকে জয় পান সাবেক স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলী। ১৯৯৬ সালের পর এই আসনে কখনো প্রার্থী দেয়নি জামায়াত।
ঢাকা-৮ এ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১৬ এ আমিনুল এগিয়ে
ঢাকা-৮ ও ঢাকা-১৬ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রের প্রাথমিক ফল প্রকাশ করেছে ঢাকার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১টায় এসব কেন্দ্রের ভোটের ফল ঘোষণা করা হয়।
ঢাকা-৮ আসনের ১০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩টির ফল পাওয়া গেছে। এতে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ১৬ হাজার ৭৯০ ভোট। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী এনসিপি নেতা মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী পেয়েছেন ১৫ হাজার ৪৭০ ভোট।
এ ছাড়া ঢাকা-১৬ আসনের ১৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৯টির ফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক পেয়েছেন ১৬ হাজার ১৭৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল বাতেন পেয়েছেন ১৫ হাজার ৫১৬ ভোট।
বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আসা ফল একসঙ্গে করে প্রকাশ করছে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ শেষে গণনা শুরু হয়, যা এখনো চলছে।
চাঁদপুর-৪ আসনে জয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. এ. হান্নান
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির বহিস্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. এ. হান্নান চিংড়ি প্রতীকে ৫ হাজার ৭৬৬ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক লায়ন মো. হারুনুর রশিদকে হারিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন।
নির্বাচনে ১১৮টি কেন্দ্র এবং দেশী চাকরিজীবী ও প্রবাসীদের পোস্টাল ভোট থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে এম. এ. হান্নান ৭৩ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লায়ন মো. হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৩৩ ভোট।
বগুড়ায় তারেক রহমানসহ ৭ আসনে বিএনপির জয়
বগুড়ায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মোট ৭টি আসনে ধানের শীষ প্রার্থীর বিজয়ী হয়েছেন।
সহকারী রিটার্নিং অফিসার ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ২ লাখ ১৪ হাজার ৭২৮ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৫৪১ ভোট।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দী-সোনাতলা) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. শাহাবুদ্দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৮৫ ভোট।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান পেয়েছেন ৯২ হাজার ৪৩ ভোট।
বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাচিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মো. আব্দুল মুহিত তালুকদার ১ লাখ ২৬ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুর মোহাম্মদ পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৬৭৮ ভোট।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোশারফ হোসেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৯১ ভোট।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৯৬ ভোট।
বগুড়া-০৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মোরশেদ মিল্টন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৪ হাজার ৩০৫ ভোট নিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মো. গোলাম রাব্বানী পেয়েছেন ৭০ হাজার ২৮ ভোট।
এছাড়া ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজী পেয়েছেন ৬২ হাজার ২৭৩ ভোট।
৩টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করবে না ইসি
আদালতে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা করবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এসংক্রান্ত জারি করা পৃথক তিনটি চিঠি থেকে বিষয়টি জানা গেছে।
চট্টগ্রাম-৪ আসনের জন্য জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪১/২০২৬ (মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১১৭৪/২০২৬ হতে উদ্বৃত)-এর ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের আলোকে নির্বাচনী এলাকা ২৮১ চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে যথারীতি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে মাননীয় আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪১/২০২৬ চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকায় মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর ফলাফল স্থগিত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।
চট্টগ্রাম-২ আসনের জন্য জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪০/২০২৬ (মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১০৫৩/২০২৬ হতে উদ্বৃত) এর ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের আলোকে নির্বাচনি এলাকা ২৭৯ চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে যথারীতি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে মাননীয় আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪০/২০২৬ চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরের নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকায় সরোয়ার আলমগীরের ফলাফল স্থগিত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।
শেরপুর-২ আসনের জন্য জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪২/২০২৬ (মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১১৮৬/২০২৬ হতে উদ্বৃত) এর ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের আলোকে নির্বাচনী এলাকা ১৪৪ শেরপুর-২ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে যথারীতি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে মাননীয় আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪২/২০২৬-এর চূড়ান্ত আদেশের ওপর মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভরশীল হবে মর্মে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জিতলেন রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১টায় জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রুমিন ফারহানা পেয়েছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৫০০ ভোট। তাঁর নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুরগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯২৭ ভোট।
নওগাঁয় বিএনপির ৫, জামায়াতের এক প্রার্থী বিজয়ী
নওগাঁয় ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই বিএনপি ও একটি জামায়াত ইসলামী বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
নওগাঁ-১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) ভোটকেন্দ্র ১৬৬টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী মোস্তাফিজুর রহমান ধানের প্রতীকে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহা. মাহবুবুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়েছেন।
নওগাঁ-২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) ভোটকেন্দ্র ১২৪টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. এনামুল হক ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম সামসুজ্জোহা খান ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩।
নওগাঁ-৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) ভোটকেন্দ্র ১২৪টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, মো. ফজলে হুদা ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহফুজুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়েছে।
নওগাঁ-৪ (মান্দা) ভোটকেন্দ্র ১১৭।
সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ইকরামুল বারী টিপু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুর রাকিব দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৮১৪ ভোট পেয়েছে।
নওগাঁ-৫ (নওগাঁ সদর) ভোটকেন্দ্র ১১৮টি। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, জাহিদুল ইসলাম ধলু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবু সাদাত মো. সায়েম ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট পেয়েছে।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) ভোটকেন্দ্র ১১৫টি আসন। সবকটি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে শেখ মো. রেজাউল ইসলাম ১ লাখ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খবিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, নওগাঁর ৬টি আসনে বিএনপি, জামাত, স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩২ জন প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ৬টি আসনে ভোটার ছিল ২৩ লাখ ২৯ হাজার ৫৯২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ জন এবং নারী ভোটার রয়েছে ১১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৭ জন। এদের মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে মোট ২১ জন।
রংপুর-১ আসনে জামায়াতের রায়হান সিরাজী বিজয়ী
রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও রংপুর সিটি করপোরেশন ১-৯) আসনে ভূমিধস জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে রায়হান সিরাজী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মোকারম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৬৩১ ভোট। ফলে ৭৬ হাজার ৮৮২ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন রায়হান সিরাজী।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে এটি এম গোলাম মোস্তফা (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫ হাজার ১৭৯ ভোট, আহসানুল আরেফীন (কাচি) পেয়েছেন ৪৩৪ ভোট, মো. আনাস (চেয়ার) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৭ ভোট।
এই আসনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৩৩ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪৭ হাজার ১৩ ভোট।
ফলাফল ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়ায় মো. রায়হান সিরাজী ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রংপুর-১ আসনের সর্বস্তরের ভোটারদের প্রতি আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
তারা আমাকে যে আস্থা ও দায়িত্ব দিয়েছেন, তা যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব।
তিনি আরো বলেন, আমি বিশেষভাবে তরুণদের নিয়ে কাজ করতে চাই। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নতুন উদ্যোগ গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমাদের তরুণ সমাজই আগামীর শক্তি।
তিস্তা নদী ও এর তীরবর্তী মানুষের সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। নদীভাঙন রোধ, পানি ব্যবস্থাপনা ও কৃষি উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের চেষ্টা থাকবে।
পরাজিত প্রার্থীদের উদ্দেশে রায়হান সিরাজী বলেন, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতার জায়গা হলেও উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। পরাজিত প্রার্থীদের সঙ্গেও সমন্বয় করে রংপুর-১ আসনের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে চাই।
ফলাফল ঘোষণার পর গঙ্গাচড়া ও আশপাশের এলাকায় দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মাঝে আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
মিছিল, স্লোগান ও মিষ্টি বিতরণের মাধ্যমে বিজয় উদ্যাপন করা হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ ভোটাররাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ময়মনসিংহ-৬ আসনে জামায়াত প্রার্থী কামরুল হাসান জয়ী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে ২৩ হাজার ২৭৭ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থাপিত ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
এ আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অধ্যক্ষ মু. কামরুল হাসান মিলন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৫ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ও উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা ফুটবল প্রতীকে ৫২ হাজার ৬৬৯ ভোট পেয়েছেন।
এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ময়মনসিংহ জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক মো. জসিম উদ্দিন ঘোড়া প্রতীকে ৫১ হাজার ২৩৪ ভোট, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক ধানের শীষ প্রতীকে ৪৮ হাজার ৯৯৪ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন মনোনীত মুফতি নূরে আলম সিদ্দিকী হাতপাখা প্রতীকে ১ হাজার ৯৩৮ ভোট পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ফুলবাড়িয়া পৌরসভাসহ ১৩টি ইউনিয়নের ১২১টি ভোটকেন্দ্রে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ৩০ হাজার ৩৫১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি প্রার্থী দিলশানা পারুল শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৬১ হাজার ৮১৩ ভোট।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য উঠে আসে।
এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ২৭৫টি এবং মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৪১ হাজার ৫৫২ জন।
ময়মনসিংহ-১ : প্রিন্সকে হারিয়ে বিজয়ী সালমান
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া) আসনের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এই আসনে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সকে ৬ হাজার ৩৩৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই আসনের মোট ১৪৩টি ভোটকেন্দ্রে (হালুয়াঘাটে ৯৪টি ও ধোবাউড়ায় ৪৯টি) মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৬৭৩টি।
এর মধ্যে সালমান ওমর রুবেল (স্বতন্ত্র) পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ২৬৫ ভোট। অপরদিকে, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৯২৬ ভোট।
ফলাফল ঘোষণার সময় হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলা চত্বরে ধানের শীষের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক জড়ো হলে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমরা অত্যন্ত সজাগ ছিলাম। ফলাফল ঘোষণার সময় কিছু এলাকায় লোকসমাগম বাড়লে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।
পঞ্চগড়ে দুই আসনেই বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী
পঞ্চগড়ের দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। পঞ্চগড়-১ আসনে সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী পরিষদের সদস্য দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ও পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপির পল্লী উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ জয়ী হয়েছেন।
তারা দুজনেই ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। পঞ্চগড়-১ আসনে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট।
এই আসনে ১৫৬ কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭০০ জনের মধ্যে ভোট দেন ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬৭ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৮ হাজার ৯৪২ জনের। ভোট পড়ার হার ৭৭.৪১ শতাংশ।
পঞ্চগড়-২ আসনে বিএনপির পল্লী উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী শফিউল আলম পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৬২ ভোট।
এই আসনে ১৩৩ কেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১৭ হাজার ৫২৯ জন।
এর মধ্যে ভোট দেন ৩ লাখ ২২ হাজার ৩০৭ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৭ হাজার ১৫৮ জনের। ভোট পড়ার হার ৭৭.১৯ শতাংশ।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরামহীন ভোটগ্রহণ শেষে গণনার পর রাতে ফলাফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী মো সায়েমুজ্জামান। নির্বাচনে দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুর-৪ আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী শহিদুল জয়ী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনে বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল।
তিন উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের তথ্য মোতাবেক বেসরকারি ফলাফল থেকে পাওয়া গেছে, ফরিদপুর-৪ আসনে ১৮৯ টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৩২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসাইন পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬২৩ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ৫২ হাজার ৯০৯ ভোট বেশি পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আবু জাহের ভাঙ্গা অংশের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রাপ্ত ফলাফলে ভাঙ্গা উপজেলার ৯৯ টি কেন্দ্রের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের শহিদুল ইসলাম বাবুল পেয়েছেন ৬০ হাজার ৭৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা সরওয়ার হোসাইন পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৪৯৪ ভোট। ভাঙ্গা উপজেলায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ১৬ হাজার ২৮১ ভোট বেশি পেয়েছেন।
অন্যদিকে, সদরপুর উপজেলার ৬৮টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম বাবুল পেয়েছেন ৪৮ হাজার ২০২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসাইন পেয়েছেন ২২ হাজার ১৫৪ ভোট। এই উপজেলায় ধানের শীষের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল ২৬ হাজার ৪৮ ভোট বেশি পেয়েছেন।
অন্যদিকে, চরভদ্রাসন উপজেলার ২২টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল পেয়েছেন ১৭ হাজার ৫৫৫ ভোট।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাওলানা সরোয়ার হোসাইন পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৭৫ ভোট। এই উপজেলায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ১০ হাজার ৫৮০ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঢাকা-২০ আসনে বিএনপি প্রার্থী তমিজ বিজয়ী
ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪৭টি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সব কেন্দ্রেই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী তমিজ উদ্দিন বিপুলভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮। এর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ ভোট পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩।
এছাড়া খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি আশরাফ আলী ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৩।
এ আসনে ভোটার রয়েছে তিন লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৮। প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৩। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ তার নিজ কেন্দ্র ধুলট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেও ১০২ ভোটে নাবিলাকে পরাজিত করেন তমিজ উদ্দিন।
তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৩২ ভোট আর নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৩৪ ভোট। এ আসনে বিএনপি, এনসিপি, জাসদ, এবি পার্টি, খেলাফত মজলিস, জাতীয় পার্টিসহ ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
তমিজ উদ্দিন বর্তমানে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের তিনবারের চেয়ারম্যান এবং প্রায় ৪৪ বছর আগে তিনি ধামরাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি কোন নির্বাচনেই পরাজিত হননি।
তমিজ উদ্দিন ইউনিয়ন পরিষদে একবার ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরমধ্যে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরপর দুইবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তার কাছে বিপুল ভোটে পরাজয়বরণ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র গোলাম কবির।
চাঁদপুর-১ আসনে বিএনপির এহসানুল হক মিলন বিজয়
চাঁদপুর -১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।
কক্সবাজারের ৪টি আসনেই বিএনপির বিজয়
কক্সবাজারে চারটি সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত চারজন প্রার্থীই কেন্দ্র ভিত্তিক পাওয়া ফলাফলে বিজয় লাভ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভোট কেন্দ্র থেকে পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী সবচেয়ে বড়ো ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন কক্সবাজার-১ চকরিয়া পেকুয়া আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুককে ৯৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
কক্সবাজার - ১ ( চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত সালাহউদ্দিন আহমদ (ধানের শীষ) ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল্লাহ আল ফারুক (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট।
কক্সবাজার- ২ (কুতুবদিয়া-মহেশখালী) আসনে
মোট ভোট কেন্দ্র: ১২৪ টি। সবকটি কেন্দ্রে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ (ধানের শীষ) ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট পেয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোট।
কক্সবাজার- ৩ (সদর, রামু ও ঈদগাঁও) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল (ধানের শীষ) ১ লাখ ৮১ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত শহীদুল আলম বাহাদুর (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৯৪ ভোট।
কক্সবাজার- ৪ (উখিয়া ও টেকনাফ) আসনে মোট ১১৫টি কেন্দ্রের বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ৯২৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৯০৯ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা নূর আহমদ আনোয়ারী পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৯৮০ ভোট।

































