ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রণয়ন হয় যেভাবে


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম
ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রণয়ন হয় যেভাবে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সারাদেশে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভোটে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রের ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ইসি একাধিক দফায় বৈঠক করেছে। পুলিশের ভাষায় যেসব কেন্দ্রকে “ঝুঁকিপূর্ণ” বলা হয়, সেগুলোকে “গুরুত্বপূর্ণ” অথবা “অধিক গুরুত্বপূর্ণ” কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।


ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তারা যেসব কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করেন, সেখানে বাড়তি নিরাপত্তার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্টরা ব্যবস্থা নেবেন।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা সাধারণত কয়েকটি মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা তৈরি করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে—

অতীতের সহিংসতা: যেখানে আগে সংঘর্ষ, ভাঙচুর বা ব্যালট ছিনতাই হয়েছে, সেসব কেন্দ্র উচ্চ ঝুঁকিতে রাখা হয়।

ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: পার্বত্য অঞ্চল, দুর্গম চর, সীমান্তবর্তী এলাকা ইত্যাদি।
রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা: কোনো প্রার্থী বা প্রভাবশালী নেতার বাড়ির পাশের কেন্দ্র।
যাতায়াত ব্যবস্থা: যেখানে পৌঁছাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দেরি হতে পারে।
অবকাঠামোগত দুর্বলতা: সীমানা প্রাচীর নেই, ভবন দুর্বল এমন কেন্দ্রও তালিকায় থাকে।

ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনুচ আলী জানান, এই সব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নির্ধারণ করে এবং ইসি সেই অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজায়।

এবারও নির্বাচনের আগে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে ইসি সূত্র জানিয়েছে।

জাতীয় বিভাগের আরো খবর

Link copied!