বগুড়ার নন্দীগ্রামে ভোটারদের টাকা বিতরণকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পারশন গ্রামে এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন—ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ রানা মজিদ, বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম এবং শিবির নেতা গালিব।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর অভিযোগ করেন,
জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করতে এক আওয়ামী লীগ নেতার সহায়তায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা একটি বাড়িতে গোপনে টাকা বিতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। খবর পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা সেখানে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল হোসেনসহ জামায়াতের দুই নেতাকে ‘টাকা সহ’ অবরুদ্ধ করে পুলিশে খবর দেন।
তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে জামায়াতের প্রায় ৫০–৬০ জন মোটরসাইকেলযোগে এসে অবরুদ্ধদের ছাড়িয়ে নেন এবং বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানার বাড়িসহ তিনটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালান।
জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আলিম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
টাকা বিতরণ সংক্রান্ত তথ্য “সম্পূর্ণ মিথ্যা”। তাদের কর্মীরা অবরুদ্ধ রয়েছেন বলে খবর পেয়ে প্রশাসনকে জানানো হয়। দ্রুত ব্যবস্থা না পেয়ে তারা নিজেরাই ঘটনাস্থলে যান এবং সেখানে পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা হয়।
বগুড়া–৪ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল পারভেজও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
তাদের পক্ষ থেকে কোনো আক্রমণ হয়নি; বরং বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের কর্মী গালিবকে মারধর করেছেন এবং দু’জনকে আটকে রেখে নির্যাতন করেছেন।
তিনি আরও জানান, একই রাতে তাদের নেতা ফারুক ও বেলালকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটি বাড়িতে আটকে রাখা হয়, যা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান,
উভয় পক্ষের অভিযোগ যাচাই করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।






























