• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, ১৯ জ্বিলকদ ১৪৪৫

রাজধানীতে সবজির দাম চড়া


সংবাদ প্রকাশ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৩, ০৩:১৫ পিএম
রাজধানীতে সবজির দাম চড়া

ঈদের পর এক সপ্তাহ কেটে গেল। রাজধানী তার আগের রূপে ফিরেছে। তবে এখনো বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। ক্রেতা কম থাকলেও বেড়েছে সবজির দাম।

শনিবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানী তেজগাঁও ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন ৩০-৪০ টাকায়, পেঁপে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩৫ টাকা, পটোল ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা প্রতিটি। আলু ৩৫ টাকা ও পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে তেজগাঁওয়ে বেগুন ৫০-৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা কেজি, টমেটো ৪০ টাকা, ঝিঙা-চিচিঙ্গা ৭০-৮০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩৫ টাকা ও পটোল ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।

রোজার সময়েও যে শসার দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা, সে শসা ৮০ টাক কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে কারওয়ান বাজারে। এ ছাড়া টমেটো ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আসতে শুরু করেছে নতুন সবজি কাঁকরোল। প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে কাঁকরোল। এ ছাড়া বরবটির দাম ১২০ টাকা।

শাকের মধ্যে পাটশাক, লালশাক, পালংশাক বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা আঁটি। পুঁইশাক ১৫ টাকা আঁটি, লাউশাক ২৫-৩০ টাকা আঁটি। তবে লেবুর দাম কমেছে। আকারভেদে প্রতি ডজন লেবু বিক্রি হচ্ছে ২০-৩৫ টাকা ও কাঁচা মরিচ ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায় কারওয়ান বাজারে।

কারওয়ান বাজার থেকে আড়াই শ গ্রাম বরবটি কিনতে দেখা যায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা নূর ইসলাম হাবীবকে। তিনি বলেন, শুধু টমেটোর দামই কম, বাদ বাকি সব সবজির দাম বেশি। রোজা শেষ হলো, কিন্তু সে হিসেবে দাম তো কমল না বরং বেড়েছে। এক কেজি শসা কিনতে হচ্ছে ৮০ টাকায়। মানুষ কী খেয়ে বাঁচবে।

সবজির দাম বেশি কেন, জানতে চাইলে কারওয়ান বাজার ব্যবসায়ী মো. আলমগীর হোসেন সংবাদ প্রকাশকে বলেন, সরবরাহ কম থাকায় দাম একটু বেশি। আবার খরার কারণে ফসল নষ্ট হয়েছে। ঈদের পর যানবাহন কম থাকায় পরিবহন খরচও বেড়েছে। তাই সবজির দামটা বেশি।  

ব্যবসা কেমন হচ্ছে জানতে চাইলে আরেক ব্যবসায়ী বলেন, “বাজারে মানুষ কম, তাই বেচাবিক্রি ভালো না। আবার সবজির দাম বেশি বলে মানুষ নেয়ও কম। আগে যারা নিত এক কেজি, তারা এখন নেয় আড়াই শ গ্রাম। এইভাবে তো আর লাভ হয় না।”

Link copied!