১. বড় ধরনের অনিয়ম বা কারচুপির প্রমাণ
যদি কোনো কেন্দ্র বা আসনে
ব্যালট ছিনতাই
সিলমারা ব্যালট উদ্ধার
ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা
কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া
এর মতো ঘটনা ঘটে, ইসি সেই কেন্দ্রের ভোট বাতিল বা পুনঃভোটের নির্দেশ দিতে পারে। প্রয়োজনে পুরো আসনের ভোটগ্রহণও বন্ধ করা যায়।
২. প্রিজাইডিং অফিসারের রিপোর্ট
কোনো কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মনে করলে
ভোট নিরপেক্ষ হচ্ছে না
নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে
ব্যালট বা ব্যালটবক্স ক্ষতিগ্রস্ত
তবে তিনি ভোটগ্রহণ বন্ধ করতে পারেন। তিনি ব্যবস্থা না নিলে ইসি সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে।
৩. সহিংসতা, আতঙ্ক বা ভোটার নিরাপত্তাহীনতা
যদি নির্বাচনে
ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে না পারে,
আইন–শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়
বিস্ফোরণ, ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া বা আতঙ্ক ছড়ানোর ঘটনা ঘটে,
তাহলে ইসি পুরো আসনের ভোট স্থগিত বা বাতিল করতে পারে।
৪. সিসি ক্যামেরা বা মাঠ পর্যায়ের তথ্যের ভিত্তিতে
সিসিটিভি বা ইসির নিজস্ব সূত্রে প্রমাণ পাওয়া গেলে যে নিরপেক্ষতা নষ্ট হয়েছে—তাহলে পুরো আসনের ভোট বন্ধ করা যেতে পারে।
৫. রিটার্নিং অফিসার নিরপেক্ষতা হারালে
কোনো আর.ও. পক্ষপাতিত্ব করলে বা নিরপেক্ষ থাকতে ব্যর্থ হলে ইসি তাকে সরিয়ে দিয়ে নির্বাচন পুনর্গঠনের নির্দেশ দিতে পারে। পরিস্থিতি অবনত হলে ভোট স্থগিতের সিদ্ধান্তও নিতে পারে।
৬. নির্বাচনের আগের অস্থিতিশীল পরিবেশ
প্রচারণার সময়
ভয়ভীতি
গুজব
সহিংসতা
আতঙ্ক সৃষ্টি হলে ইসির কাছে পুরো নির্বাচনী এলাকা বা আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা রয়েছে।
সাময়িক স্থগিতের উদাহরণ
যদি ব্যালট বা বক্স অক্ষত থাকে কিন্তু:
লাইনে মারামারি,
সাময়িক বিশৃঙ্খলা,
কেন্দ্রের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে, প্রিজাইডিং অফিসার সাময়িকভাবে
ভোট বন্ধ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় শুরু করতে পারেন।






























