আজ মঙ্গলবার পবিত্র শব-এ-বরাত। হিজরি শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত এই রাতে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য অশেষ রহমতের দরজা খুলে দেন। ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে এটি সৌভাগ্যের রাত বা মুক্তির রাত নামে পরিচিত।
‘শব’ অর্থ রাত এবং ‘বরাত’ অর্থ সৌভাগ্য বা মুক্তি—আরবিতে ‘লাইলাতুল বরাত’। এই পবিত্র রাতে মুসলমানরা নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়ায় মগ্ন হন। অতীতের পাপের ক্ষমা এবং ভবিষ্যতের কল্যাণ কামনা করেন। তারা মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, সমাজ-রাষ্ট্র ও বিশ্বের সুখ-শান্তির জন্যও প্রার্থনা করেন। শব-এ-বরাতের আগে বা পরে রোজা রাখা সুন্নত, তাই অনেকে দুই দিন রোজা পালন করেন।
উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার সরকারি ছুটি—সব অফিস, আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বাড়িতে হালুয়া, ফিরনি, রুটি ইত্যাদি তৈরি হয়, যা আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সন্ধ্যায় অনেকে কবরস্থানে গিয়ে আপনজনদের মাগফিরাত কামনা করেন।
হাদিসে এসেছে, নবী করিম (সা.) বলেছেন: “আল্লাহ তাআলা শাবানের মধ্যরাত্রিতে সৃষ্টিজগতের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং শিরককারী ও হিংসুক ছাড়া সকলকে ক্ষমা করেন।” (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ৫৬৬৫)
এই রাত পবিত্র রমজানের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে। শাবানের পর রমজান শুরু হয়, তাই এখান থেকেই প্রস্তুতি জমে। উপলক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বাণী দিয়েছেন।






































