জীবনযাপন ও ধর্ম: সুস্থ জীবনের নীরব দিকনির্দেশনা


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
জীবনযাপন ও ধর্ম: সুস্থ জীবনের নীরব দিকনির্দেশনা

আধুনিক ব্যস্ত জীবনে মানুষ যখন দৌড়ের ওপর থাকে, তখন জীবনযাপন হয়ে ওঠে যান্ত্রিক। ঠিক এই জায়গাতেই ধর্ম মানুষের জন্য এক নীরব দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। ধর্ম শুধু ইবাদত বা আচার নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সুস্থতার শিক্ষা রয়েছে।

ধর্মীয় জীবনযাপনে পরিমিত আহার, পরিচ্ছন্নতা, সময়ানুবর্তিতা ও আত্মসংযমের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেমন অতিরিক্ত ভোগ নয়, বরং প্রয়োজন অনুযায়ী জীবনযাপন; অহংকার নয়, বরং বিনয়; হিংসা নয়, বরং সহমর্মিতা। এসব নীতিই একজন মানুষকে ভিতর থেকে শান্ত রাখে।

নিয়মিত প্রার্থনা বা ধ্যান মানুষের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ধর্মীয় অনুশীলনের সঙ্গে যুক্ত, তারা তুলনামূলকভাবে বেশি আত্মবিশ্বাসী ও মানসিকভাবে স্থিতিশীল থাকেন। পাশাপাশি দান, সহানুভূতি ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা সমাজে ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলে।

আজকের যুগে প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাপনের মাঝে ধর্ম মানুষকে মনে করিয়ে দেয় জীবন শুধু অর্জনের নয়, মূল্যবোধেরও। তাই আধুনিকতার সঙ্গে ধর্মীয় নৈতিকতা যুক্ত হলে জীবন হয়ে ওঠে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও অর্থবহ।

Link copied!