• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১, ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

ভারত থেকে পেঁয়াজ এনে বিপাকে আমদানিকারক


দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৪, ০৯:৫৫ এএম
ভারত থেকে পেঁয়াজ এনে বিপাকে আমদানিকারক
আমদানিকারকের গুদামে অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে আছে বস্তাবন্দী ভারতীয় পেঁয়াজ। ছবি : সংগৃহীত

দিনাজপুরের হিলি বন্দরে আমদানিকারকের গুদামে অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে আছে বস্তাবন্দী ভারতীয় পেঁয়াজ। বাজারে কম দামে দেশি পেঁয়াজ পাওয়া যাওয়ায় ভারতীয় এ পেঁয়াজগুলোর ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না।

জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে পেঁয়াজ আমদানি করলে ভালো দাম পাওয়ার আশায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেছিলেন আমদানিকারক আহম্মেদ সরকার। ক্রয়মূল্য, শুল্ক, পরিবহন খরচসহ আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে পড়েছিল প্রায় ৬২ টাকা। কিন্তু স্থানীয় বাজারে এর চেয়ে কম দামে দেশি জাতের ভালো মানের পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দর পরিচালনাকারী পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেড সূত্রে জানা যায়, ১৪ মে সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে একটি ভারতীয় ট্রাকে ৩০ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। মেসার্স আরএসবি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হিলি স্থলবন্দরের দাস অ্যান্ড সন্স নামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে এসব পেঁয়াজ আমদানি করে।

বুধবার বিকেলে সরেজমিন হিলি স্থলবন্দরের উপজেলা সড়কে মেসার্স আরএসবি এন্টারপ্রাইজের গুদামে দেখা যায়, গুদামে প্লাস্টিকের লাল রঙের বস্তায় সারিবদ্ধ করে রাখা আছে ৩০ টন পেঁয়াজ। এসব পেঁয়াজে ফ্যান দিয়ে বাতাস দেওয়া হচ্ছে। আট দিন ধরে ভারত থেকে আমদানি করা এসব পেঁয়াজের ক্রেতা নেই। গুদামে এসব পেঁয়াজ এভাবে অবিক্রীত অবস্থায় পড়ে থাকলে খুব কম সময়ের মধ্যেই পেঁয়াজগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।

আমদানিকারক আহম্মেদ সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, “খরচ মিলিয়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ আমদানিতে প্রায় ৬২ টাকা খরচ পড়েছে। আর বাংলাদেশে স্থানীয় বাজারে দেশি জাতের পেঁয়াজ এখন ৬০ থেকে ৬২ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেশি দামে পেঁয়াজ আমদানি করে এখন কেনা দামে পেঁয়াজ বিক্রির ক্রেতাও পাচ্ছি না। আট দিন ধরে গুদামে পেঁয়াজ পড়ে আছে।”
 

Link copied!