চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হতে হলে মাদক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করে একটি নির্দেশনা দিয়েছেন সংগঠনটি। এবারই প্রথম দলের নেতা হতে গেলে ডোপ টেস্ট হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জেলার শীর্ষ নেতারা।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের এমন নির্দেশনার পরপরই শুক্রবার (১ অক্টোবর) জেলার অনেক নেতাই ডোপ টেস্ট করাতে ঢাকায় গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। আর সংগঠনের পক্ষ থেকে ডোপ টেস্ট করা হয় শনিবার (২ অক্টোবর)।
এ বিষয়ে যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শহিদুল হুদা অলক বলেন, “সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে যারা থাকবেন তারা যদি মাদকমুক্ত না থাকেন তবে সংগঠন সুস্থ থাকতে পারে না। আর তাই সুস্থ ধারার রাজনৈতিক চর্চা বৃদ্ধিতে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে মাদক মুক্ত থেকে সুন্দর একটা পরিবেশ তৈরিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই উদ্যোগকে আমি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছি।”
এদিকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আর এক সভাপতি পদপ্রত্যাশী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফাইজার রহমান কনক বলেন, “ডোপ টেস্টের জন্য নমুনা দিয়েছি। আর এটা একটা ভালো দিক বলেই আমি মনে করি।”
চাঁপাইনবাবগঞ্জ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ইফতেখারুল ইসলাম সুজন বলেন, “সম্মেলন আয়োজনের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এবার একটা ব্যতিক্রম সম্মেলন উপহার দিতে চাই। তাই এবারের সম্মেলনের একটা বড় বিষয় যারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে থাকতে আগ্রহী তাদের ডোপ টেস্ট বা মাদক মুক্তির পরীক্ষা নিশ্চিত করা। সংগঠনের খরচে ঢাকার একটি ল্যাবে তাদের টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়।”





































