ঈদের ছুটিতে সিলেটে পর্যটকদের ঢল


সিলেট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৩, ০২:৩৬ পিএম
ঈদের ছুটিতে সিলেটে পর্যটকদের ঢল

সোমবার (২৪ এপ্রিল) শেষ হয়েছে ঈদুল ফিতরের ছুটি । তবে অনেকেই নিয়েছেন বাড়তি ছুটি। তাই ঈদের ছুটি শেষেও সিলেটে কমেনি পর্যটকদের আনাগোনা। সিলেট জেলায় সবচেয়ে বেশি পর্যটনকেন্দ্রের অবস্থান গোয়াইনঘাট উপজেলায়। ঈদের ছুটির শুরু থেকেই এ উপজেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ করা গেছে।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) ঈদের চতুর্থ দিনেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাহাড়, পাথর আর স্বচ্ছ জলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এসেছেন পর্যটকরা।

উপজেলার জাফলং, বিছনাকান্দি, সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল ছাড়াও পানতুমাই ঝর্না, জাফলং চা বাগান ও মায়াবী ঝরনা পর্যটকদের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে।

তবে গত কয়েক দিন পর্যটকের বেশি ভিড় ছিল জাফলংয়ে। দর্শনার্থীদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিলেন তরুণ-তরুণী। ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের দৃশ্য দেখার পাশাপাশি এখানকার খাসিয়া পল্লিও আকৃষ্ট করেছে ভ্রমণপিয়াসীদের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা এক পর্যটক বলেন, ঈদের ছুটিতে পরিবারের সদস্যরা মিলে ঘুরতে এসেছি। জাফলং এলেই খুব সুন্দর। এখানকার পাহাড় আর পাথরের সৌন্দর্য মুগ্ধ করেছে।

ঢাকা থেকে আসা শারমিন নাহার বলেন, পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসেছি। খুবই ভালো লাগছে।

হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, কিছুদিন বিরতি দিয়ে হলেও প্রাণ ফিরেছে সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রগুলো।

ইয়াকুব আহমেদ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ঈদ উপলক্ষে সকাল থেকেই এখানে প্রচুর পর্যটক এসেছেন। বেচাকেনাও ভালো হয়েছে। তবে দুই দিন সকালে কিছুটা বৃষ্টি হওয়ায় বেচাকেনা কমে যায়। বৃষ্টি না থাকলে বেচাকেনা আরও বাড়ত। আশা করছি সামনে বেচাকেনা আরও বাড়বে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জাফলং ট্যুরিস্ট পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রতন শেখ বলেন, “ঈদের পরদিন থেকে কয়েক লাখ পর্যটক এখানে বেড়াতে এসেছেন। পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন। অতীতের মতো পানিতে না নামার জন্য আমরা মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করে যাচ্ছি। এ ছাড়া বেড়াতে এসে যাতে কোনোভাবেই ভোগান্তিতে না পড়েন, সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে।”

স্বদেশ বিভাগের আরো খবর

Link copied!