বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দুর্নীতিকে শুধু শনাক্ত করা নয়, তার মূল শিকড় ধরে নির্মূল করতে চাই তারা। তিনি বলেন, “কখনো কি শুনেছেন জামায়াতে ইসলামের কোনো কর্মী চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি করেছে? যারা এসব করছে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি।” তার মন্তব্য, জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজার মাঠে জেলা জামায়াতের আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, “আজ অসংখ্য নারী আমাদের সঙ্গে রাজপথে কাজ করছেন, কারণ তারা বিশ্বাস করেন, জামায়াতে ইসলামের হাতেই তাদের ইজ্জত ও জানমাল নিরাপদ থাকবে।”
ডা. শফিকুর রহমান জানান, দলের ১১ জন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছে, হাজারের বেশি কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, আড়াই শতাধিক নেতাকে আটক করা হয়েছে, গুম ও হত্যার শিকার হয়েছে, নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে, এবং সংগঠনের নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই মজলুম সংগঠনকে শক্তিশালী করতে এবারের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
বাগেরহাট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন: জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সাবেক সহসভাপতি শেখ কামরুল আলম, বাগেরহাট-১ আসনের প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান খান, বাগেরহাট-২ আসনের শেখ মনঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট-৩ আসনের মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, এবং বাগেরহাট-৪ আসনের অধ্যক্ষ আব্দুল আলীমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।






































