• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১,

নির্দিষ্ট সময় খোলা নিয়ে শঙ্কায় পানিবন্দী ২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান


রাজবাড়ী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১, ১১:৩০ এএম
নির্দিষ্ট সময় খোলা নিয়ে শঙ্কায় পানিবন্দী ২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে সারা দেশে খুলছে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে বন্যা প্লাবিত হয়ে যাওয়ায় ওই দিন রাজবাড়ীর ২১টি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্যার পানিবন্দী হয়ে আছে জেলার এ ২১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। 

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এসব তথ্য জানান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হো‌সনে ইয়াসমিন ক‌রিমী।

তবে এখন পর্যন্ত জেলার কোনো মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা প্লা‌বিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়‌নি।

সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের ৬ নম্বর কাঠুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয়ে সরেজমিনে দেখা যায়, পদ্মা নদী থেকে মাত্র ২০ ফুট দূরে দোতলা বিদ‍্যালয়ের অবস্থান। পদ্মার পানি বাড়ায় বিদ‍্যালয়ের চারপাশ দিয়ে পানি ঢুকছে। মাঠে হাঁটুপানি। নিচতলা সাইক্লোন শেল্টার হিসেবে ব‍্যবহার হওয়া বিদ্যালয়টির দোতলায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিপ্লব কুমার দাসের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন জানান, বিদ্যালয়ে বন্যার পানি উঠেছে। তবে পানি কমতে শুরু করায় তারা আশা করছেন নির্ধারিত দিন থেকেই ক্লাস শুরু করতে পারবেন। শ্রেণিকক্ষ দ্বিতীয় তলায়। নিচতলায় শুধু প্রাক্‌-প্রাথমিকের ক্লাস হয়। সরকারিভাবে এই শ্রেণির পাঠদান শুরুর নির্দেশনা এখনো আসেনি।

রাজবাড়ীর তথ্য বাতায়ন থেকে জানান যায়, জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় র‌য়ে‌ছে ৪৮২টি এবং মাধ্যমিক পর্যা‌য়ে বিদ্যালয় ১৪৮টি ও মাদ্রাসা ৭৪টি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হো‌সনে ইয়াসমিন ক‌রিমী জানান, জেলার নিম্নাঞ্চ‌লের ২১টি বিদ্যালয় এখন পর্যন্ত প্লা‌বিত হ‌য়ে‌ছে। এর ম‌ধ্যে গোয়াল‌ন্দে বে‌শি। এসব বিদ্যাল‌য়ের শ্রে‌ণিকক্ষ ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থে‌কে পা‌নি না নামা পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ থাক‌বে।

হো‌সনে ইয়াসমিন ক‌রিমী আরও জানান, শিক্ষকরা নিয়মিত স্কু‌লে যা‌বে। পরবর্তী‌ সময়ে শিক্ষার সব কার্যক্রম‌কে জোরদার ক‌রে ক্ষ‌তি পু‌ষি‌য়ে নেওয়ার চেষ্টা কর‌বেন।

প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বন্যার পানি নেমে যাবে। না হলে পরিচালনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা শিক্ষা অফিসার সামছুনাহার চৌধুরী জানান, গতকাল পর্যন্ত সারা জেলায় কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা মাদ্রাসা বন্যার পা‌নি‌তে প্লা‌বিত বা ক্ষ‌তিগ্রস্ত হয়‌নি। তারপরও উপ‌জেলা কর্মকর্তা‌দের মাধ্যমে সব সময় খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে।

Link copied!