• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১, ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

ঢাকামুখী মানুষে ঢল, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ৩১, ২০২১, ০৩:২২ পিএম
ঢাকামুখী মানুষে ঢল, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী চলমান লকডাউনের মধ্যেই খুলে যাচ্ছে শিল্পকারখানা। আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব পোশাক কারখানা খুলে যাচ্ছে বলে ঘোষণা দেয় সরকার। এই খবরে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন পোশাক কর্মীরা।

শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে মহাসড়কে শ্রমিকদের ঢল নেমেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে শ্রমিকদের ভিড় দেখা গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় খোলা ট্রাক, পিকআপ, প্রাইভেটকার, সিএনজি ও মোটরসাইকেলযোগে গাদাগাদি করে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা। 

সড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড়, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, মির্জাপুর, গোড়াই এলাকায় যাত্রীদের ব্যাপক ভিড় রয়েছে। যে যেভাবে পারছেন ঢাকামুখী হচ্ছেন। পায়ে হেঁটেও গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এদিকে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া ঘাটেও রয়েছে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার মানুষ ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেছেন। ঢাকা যাওয়ার একমাত্র পথ বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথ। তাই গাদাগাদি করেই গন্তব্যে রওনা করেছেন তারা। 

ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। বাংলাবাজার ঘাট থেকে ১০টি ফেরি ছেড়ে গেছে।

সরকার ঘোষিত চলমান লকডাউন শুরুর আগেই গ্রামের বাড়ি যায় সাধারণ মানুষ। ঈদ উদযাপন শেষে সেখানেই থেকে যায়। আগামী ১ আগস্ট রোববার থেকে শিল্প কলকারখানা ও গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি খোলার ঘোষণা আসার পর থেকেই কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মীরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, ট্রাক এবং স্থানীয় ইঞ্জিনচালিত যানে চড়ে দক্ষিণবঙ্গের ১০ জেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ঢাকামুখী যাত্রীরা বাংলাবাজার ঘাটে পৌঁছেছে। পণ্যবাহী ট্রাক এবং অ্যাম্বুলেন্স পারাপারের জন্য ফেরি সচল ছিল। কিন্তু যাত্রীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে ঘাট কর্তৃপক্ষ দশটি ফেরি চালু করে। যাত্রীদের অনেকেই সামাজিক দূরত্ব মানছেন না। বরং গাদাগাদি করে কে কার আগে ফেরিতে উঠবেন সেই প্রতিযোগিতায় নেমেছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, ভোর থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বেড়ে গেছে। চাপ সামলাতে ইতোমধ্যে ১০টি ফেরি চালু রয়েছে।

Link copied!