বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন। ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপার লড়াইয়ে নামবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। এখন শুধু অপেক্ষা প্রতিপক্ষ জানার। আজকের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলই হবে স্পেনের ফাইনাল প্রতিদ্বন্দ্বী।
প্রতিপক্ষ নির্ধারণের সুযোগ স্পেনের হাতে না থাকলেও ব্যক্তিগত পছন্দের কথা গোপন করেননি কোচ লুই দে লা ফুয়েন্তে। ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার পর তিনি জানিয়েছেন, সুযোগ থাকলে ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষেই খেলতে চাইবেন।
তবে এর পেছনে ফুটবলীয় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, কাজ করছে ব্যক্তিগত সম্পর্ক। আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে দে লা ফুয়েন্তের। রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের কোচিং কোর্সে অংশ নেওয়ার সময় স্কালোনির প্রশিক্ষকদের একজন ছিলেন স্পেনের বর্তমান কোচ।
এ প্রসঙ্গে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, আমি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে চাই, কারণ স্কালোনির সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব রয়েছে। তবে ইংল্যান্ডও অত্যন্ত শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। এবারই প্রথম ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চারটি দল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে দে লা ফুয়েন্তের প্রশংসা করেছেন স্কালোনিও। তিনি বলেন, লুইসের জন্য আমি খুবই খুশি। তিনি একজন অসাধারণ মানুষ এবং সব সময় আমাকে সাহায্য করেছেন। তার এই সাফল্য পুরোপুরি প্রাপ্য।
দে লা ফুয়েন্তেকে ম্যাচের আগে ফোন করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে হাস্যরসও করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ। স্কালোনি বলেন, সবকিছু ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে। আমরা জিতলে হয়তো ফোন করব না। আর হারলে তাকে ফোন করে একটু সাহায্য চাইব! তবে আশা করছি, ফাইনালের আগে ফোন করার প্রয়োজন হবে না।
এখন দেখার বিষয়, বন্ধুর সঙ্গে ফাইনালের সেই সম্ভাব্য পুনর্মিলন বাস্তবে রূপ নেয় কি না, নাকি স্পেনের সামনে দাঁড়ায় ইংল্যান্ডের চ্যালেঞ্জ।




































