যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বিএনপি–জামায়াতের সম্মতি ছিল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ১১:২৬ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে বিএনপি–জামায়াতের সম্মতি ছিল: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির করার আগে এ বিষয়ে দুই রাজনৈতিক দল— বিএনপি ও জামায়াত থেকে ‘সম্মতি’ আসার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে এসে তিনি বলেন, “ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দুটি দলের প্রধানের সঙ্গে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছেন এবং তারাও এতে সম্মতি দিয়েছিল।


ইরান যুদ্ধের প্রভাবে অনিশ্চয়তায় প্রবাসী কর্মীরা
“সুতরাং এমন না যে, এইটা আমরা অন্ধকারে করেছি।”

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ওই চুক্তি করার ক্ষেত্রে বিশ্লেষকদের সমালোচনার মধ্যে এমন তথ্য দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন ওই সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার দায়িত্ব থেকে বিএনপির নতুন সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন খলিলুর রহমান।

চুক্তির আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দরকষাকষিতে বাংলাদেশের তরফে প্রধান ভূমিকায় থাকা খলিলুর রহমান বলছেন, “এই ডিলটা কিন্তু ঠিক তিনদিন আগে শেষ হয়েছে, তা নয়।”

চুক্তির হওয়ার ঘটনাক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, “এক বছর আগে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম তাদের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে আমরা কথা বলি।

“এই রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ আরোপ করা হয় সম্ভবত এপ্রিল মাসে এবং তারপর থেকে এই আলোচনা শুরু হয়। এপ্রিল থেকে জুলাই টানা আলোচনা চলেছে। শুধু আমাদের না, আরও অনেক দেশের সঙ্গে। সেই আলোচনার পরে কিন্তু আমরা ২০ শতাংশ পেয়েছিলাম, আপনাদের হয়ত খেয়াল আছে। সেই সময় মোটামুটিভাবে এগ্রিমেন্টটা হয়ে গেছিল।”

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের তুলা বা সুতা দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানির উপর শূন্য শতাংশ পাল্টা শুল্ক এবং ‘রুলস অব অরিজিন’ নিয়ে আলোচনায় সময় লাগার কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “একটা হচ্ছে, আমরা তাদেরকে বলেছিলাম যে, আমেরিকান কটন দিয়ে তৈরি বা আমেরিকান ম্যানমেড ফাইবার দিয়ে তৈরি যে পোশাক আমরা তাদের কাছে পাঠাব, সেইখানে আমরা জিরো রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ চাই, সেইটা করতে তাদের সময় লেগেছে। এটা কিন্তু আমাদের স্বার্থে।’

“আর দ্বিতীয় হচ্ছে রুলস অব অরিজিন, তাতেও তারা সময় নিয়েছেন। এগ্রিমেন্ট আমরা করে রেখেছিলাম জুলাইয়ের ৩১ তারিখে এবং এক তারিখে আমরা ২০% পেয়েছিলাম। সুতরাং এটা যে চট করে নির্বাচনের তিন দিন আগে করা হয়েছে, সেটা ঠিক নয়।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর চড়া হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা আসে।

পরে দর কষাকষি করে এ হার ২০ শতাংশ নামে, যা ১ অগাস্ট কার্যকর হয়। আর আগে থেকেই বাংলাদেশি পণ্যে ছিল ১৫ শতাংশ শুল্ক; সব মিলিয়ে শুল্ক দাঁড়ায় ৩৫ শতাংশ।

এরপর নয় মাসের দীর্ঘ আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ; যাতে আগের চেয়ে শুল্কহার কমেছে ১ শতাংশ।

ওই চুক্তিতে পৌঁছতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আরও পণ্য কিনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইতোমধধ্যে গম আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তুলা ও সয়াবিনসহ আরও পণ্য আমদানি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষের তিন দিন আগে হওয়া এই চুক্তির সমালোচনা করেছেন অনেকে।

একটি অনির্বাচিত সরকার হয়েও বিগত অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তা দেখে ‘হতভম্ব’ ও ‘স্তম্ভিত’ হওয়ার কথা বলেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি।

২৮ ফেব্রুয়ারি সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ‘এ ধরনের একটি চুক্তি কীভাবে একটি সরকার, অনির্বাচিত সরকার করে যেতে পারে, যার দায় চাপবে নির্বাচিত সরকারের ওপর।’

‘স্বার্থ বিসর্জন দিয়েছি, এটা সত্য নয়’

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি নিয়ে যেসব সমালোচনা আসছে, সেক্ষেত্রে ‘পাঠ বিভ্রাট’ থাকার কথা তুলে ধরে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাদের চুক্তির ‘ভাষা’ তুলনার পরামর্শ দেন খলিলুর রহমান।

ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একই ধরনের চুক্তি পড়ে দেখার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, “এই ভাষা তুলনা করলে দেখবেন, মোটামুটি একই রকম ভাষা সব জায়গাতে।”

পণ্য আনা-নেওয়ায় বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন রকম শর্ত থাকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এক জায়গাতে আছে, এটাকে বলে ‘বর্ডার মেজার’। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ‘বর্ডার মেজার’ হচ্ছে, এখন একটা পণ্য বা সেবা যখন এক সীমান্তের এপাড় থেকে অন্য পাড়ে যায়, তখন আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন, ট্যারিফ কিংবা আপনি ধরেন, টেকনিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড।

“যখন যুক্তরাষ্ট্র একটা ‘বর্ডার মেজার’ নেবে, আপনি দেখবেন, কম্বোডিয়া বা ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে তারা বলেছে, তাদের সে ধরনের একটা মেজার নিতে হবে। আর আমরা কী বলেছি? আমরা বলেছি, ‘‘আমরা সেটা পর্যালোচনা করব এবং বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী যদি কোনো পদক্ষেপ নিতে হয়, আমরা নিব। আপনি বিবেচনা করে দেখেন, কার ভাষা তুলনামূলক ভালো। তো, আমরা বাংলাদেশ বাংলাদেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে করেছি, এ কথা সত্য নয়।”

চুক্তিতে ঢোকা এবং বের হয়ে যাওয়ার যে বিধান, সেটির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আরেকটা জিনিস মনে রাখবেন, এটাতে একটা ‘এন্ট্রি ক্লজ’ এবং ‘এক্সিট ক্লজ’ আছে।

“এন্ট্রি ক্লজ হচ্ছে, নোটিফিকেশন না হলে এটা কার্যকর হবে না। এখনও নোটিফিকেশনে যায়নি, সরকার ইচ্ছা করলে রিভিউ করতে পারে। আর এক্সিট ক্লজ হচ্ছে, আপনি ৬০ দিনের নোটিস দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন। এমন না যে, আমরা একটা বন্ধ ঘরে বাংলাদেশকে ঠেলে দিয়েছি।”

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির সঙ্গে এই বাণিজ্য চুক্তি সাংঘর্ষিক কিনা, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মোটেই না। আমি আগেও বলেছি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আমরা একই ধরনের নীতি পালন করেছি এবং আপনি একটা জিনিস চিন্তা করেন, চুক্তিটা যদি না হত, তাহলে কী হত?

“৩৭ শতাংশ ট্যারিফে আপনি বাজারে টিকতে পারতেন কি না? তো আমাদের যে পারচেস কমিটমেন্ট, আমরা বলেছি যে, আমরা ২২ বিলিয়ন ডলারের গুডস কিনব তার কাছ থেকে এবং তার মধ্যে এনার্জি আছে, ১৫ বছর ধরে কিনব। আপনারা ভারতের দিকে দেখেন, ৫০০ বিলিয়ন ডলার পাঁচ বছরে। আমরা পেয়েছি ১৯ শতাংশ, ভারত পেয়েছে ১৮ শতাংশ।

“তো আপনারা তুলনা করবেন যে, বাংলাদেশ অন্য দেশের তুলনায় কী কী দিল, আর কী কী পেল এবং আমরা যে কটন এবং ম্যানমেড ফাইবারে যে জিরো রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ পেয়েছি, দেখান আর কে কী পেয়েছে।”

আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর প্রক্রিয়া বাকি থাকায় চুক্তি নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে কিনা, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “নোটিফিকেশন পিরিয়ডটা আছে। আজ আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রী নিজেই কথাটি বলেছেন যে, দরকার হলে আমরা এটা পুনরায় আলোচনা করব। সে ধারা তো আছেই।

“আমার মনে হলো, আচ্ছা এই জিনিসটা কাজ করছে না। যে জিনিসটা কাজ করছে না, তাদের সঙ্গে বসে আলাপ করে নিব এবং সে রাস্তা তো এখানে দেওয়াই আছে, তাই না। কিন্তু আমি আপনাকে বলব একটা কথা, এটার একটা পাঠ বিভ্রাট আছে। আপনি যদি অন্যান্য দেশের সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে না দেখেন, তাহলে আপনি জিনিসটা পুরোপুরি হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন না।”

‘সামরিক সহযোগিতার আলোচনা হয়নি’

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পাঠানো চিঠিতে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি ‘সুন্দরভাবে’ বাস্তবায়ন এবং প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

২০২২ সালের এপ্রিলে ‘সিকিউরিটি ডায়ালগ’ সামনে রেখে বাংলাদেশের কাছে জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন এগ্রিমেন্ট বা জিসোমিয়ার একটি খসড়া হস্তান্তর করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

দুপক্ষের মধ্যে আদান-প্রদান করা সামরিক তথ্যের সুরক্ষা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখতে জিসোমিয়া সই করা হয়।

আর সামরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গেও অ্যাকুইজিশন ক্রস সার্ভিসিং এগ্রিমেন্ট বা আকসা সই করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।

পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিরক্ষার এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমার সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি, সেটা তো আমার দপ্তর নয়।”

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কথার প্রসঙ্গ ধরে জিসোমিয়া ও আকসা চুক্তি করার বিষয়ে আলোচনার বিষয়ে আরেক প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আকসা, জিসোমিয়া এ শব্দগুলি উচ্চারিত হয়নি।”

বাণিজ্যচুক্তির বিষয়ে আলোচনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “রেসিপ্রোকাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট, সেটার ব্যাপারে উনি ইতিমধ্যে আশ্বস্ত হয়েছেন যে, বাংলাদেশ সরকার এটার ইমপ্লিমেন্টেশন অব্যাহত রাখবে।”

ইন্দো-প্যাসিফিক নিয়ে বাংলাদেশে অবস্থান ছিল, কোনো প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মধ্যে না ঢোকা। সেই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন এসেছে কিনা, এমন প্রশ্নে খলিলুর বলেন, “আমরা মাত্র দু সপ্তাহ দায়িত্ব নিয়েছি। এই পুরো ইন্দো-প্যাসিফিক জিনিসটা আমাদের পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

“এবং তার আগে আমরা এ নিয়ে বলতে পারব না। আমাদের দেশের সুরক্ষা যেন বিপর্যস্ত না হয়, সেটা আমাদের সবচাইতে বড় একটা অগ্রাধিকার। এটা আপনারা জেনে রাখবেন, কারো কোনো জোটে আমরা ঢুকব না।”

আওয়ামী লীগ ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

পল কাপুর আওয়ামী লীগের রাজনীতি স্বাভাবিক করার বিষয়ে কোনো বার্তা দিয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “না, উনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলেন নাই। এটা সম্পূর্ণভাবে দ্বিপক্ষীয়।”

ত্রয়োদশ নির্বাচনের ‘আশাতীত’ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ দেখে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ‘অবাক’ হয়েছেন, এমন তথ্য দিয়ে বৈঠকে আলোচনার একটা বর্ণনা দেন তিনি।

খলিলুর রহমান বলেন, “উনি আমাদের নির্বাচন ‘এত শান্তিপূর্ণ এবং এত অবাক হয়েছে’, সেটা তাদের আশাতীত ছিল। এবং আমাকে তিনি বললেন যে, ‘আমার মনে আছে, আপনি বলেছিলেন ওয়াশিংটন সফরের সময় যে, আপনারা এই নির্বাচন উৎসবমুখর করতে চান। তখন আমরা ভেবেছিলাম, তা হবে কি? পরে আমরা দেখলাম আসলেই এটা একটা উৎসবমুখর নির্বাচন হয়েছে।’

“এবং আমেরিকান রাষ্ট্রদূত উনিও সে সময় বললেন যে, কিছু কিছু কেন্দ্রের বাইরে উনি দেখেছেন অনেকটা মেলার মত অবস্থা। তো খুব আনন্দের একটা নির্বাচন হয়েছে এবং এই নির্বাচনে বিপুল বিজয় অর্জন করেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এবং তিনি আমার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে তার সরকারের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।”

তথ্য : বাংলাদেশ জার্নাল

Link copied!