• ঢাকা
  • রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১,

বৃষ্টির জন্য জেলায় জেলায় বিশেষ নামাজ


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২৩, ০৫:১২ পিএম
বৃষ্টির জন্য জেলায় জেলায় বিশেষ নামাজ

তীব্র তাপদাহে পুড়ছে দেশ। তারপরে চলছে ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং। ফলে বৃষ্টি না থাকায় নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে জনজীবন। তাই এই তাপদাহ থেকে মুক্তি পেতে এবং আল্লাহর কাছে বৃষ্টি কামনা করে বুধবার (১৯ এপ্রিল) দেশের বিভিন্ন জেলায় সালাতুল ইস্তিসকার আদায় করা হয়েছে।

দিনাজপুর : মাথার উপর প্রখর রোদ, আর ঘামে ভেঁজা শরীর। এমন আবহাওয়ায় দিনাজপুরবাসীর অবস্থা একইবারে নাজেহাল। হিমালয়ের কাছাকাছি এই জেলার অবস্থান হলেও থেমে নেই দাবদাহের কবল থেকে। বৃষ্টির আশায় এবার দিনাজপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে সালাতুল ইস্তিসকার নামাজ ও বিশেষ মোনাজাত।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় জেলা শহরের রামনগর এলাকার যুব সমাজের আয়োজনে ইস্তিসকার নামাজ অনুষ্টিত হয়। নামাজে ইমামতি করেন দিনাজপুর বিরল শংকরপুর মসজিদের ইমাম হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মোয়াক্ষির। এতে অংশ নেই প্রায় শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

নামাজে অংশ নেওয়া সাইফুজ্জামান সুমন বলেন, “বর্তমানে যে আবহাওয়া বিরাজ করছে। এতে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সকলে। তাই নামাজে আল্লাহর কাছে বৃষ্টি চেয়েছি। আমরা যুবকরা মিলে এই নামাজের আয়োজন করেছি। আমাদের বিশ্বাস আল্লাহ আমাদের ডাক শুনবেন।”

হাফেজ আব্দুল্লাহ্ আল মোয়াক্ষির বলেন, “অনাবৃষ্টি ও দুর্ভিক্ষের জন্য সাহাবীদের নিয়ে রাসূল (সাঃ) খোলা ময়দানে ইস্তিসকার সালাত আদায় করেছিলেন। বর্তমান বাংলাদেশে অনাবৃষ্টি। তাই নবী রাসূলের সুন্নতকে আকড়ে ধরে খোলা ময়দানে নামাজ আদায় করলাম।”


খুলনা : খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ খুলনা মহানগর শাখার আয়োজনে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজে ইমামতি করেন খুলনা গোয়ালখালি ক্যাডেট স্কিম মাদ্রাসার মুহতামিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর, নগর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আব্দুল আউয়াল। এতে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নামাজ পড়তে আসেন আলেম ওলামা, সাধারণ মুসল্লিরা।

এ সময় মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় ওলামা মাশায়েক আইম্মা পরিষদের খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি, ক্যাবল মিল জামে মসজিদের ইমাম ও জামেয়া রশিদিয়া ইমদাদিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা মুফতি গোলামুর রহমান।

নামাজ শেষে অনাবৃষ্টি এবং গরম থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এ সময় মুসল্লিরা অঝরে চোখের জল ছেড়ে দিয়ে তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে চলমান বৈশ্বিক সংকট থেকে মুক্তির জন্যও দোয়া করা হয়।

নামাজে অংশ নেওয়া মামুনুর রশিদ বলেন, “তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবন খুব কষ্টের মধ্যে পড়েছে। মসুল্লিরা রোজা রাখছেন খুব কষ্ট করে। আমরা আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেছি যেন তিনি রহমতের বৃষ্টি বর্ষণ করেন।”

Link copied!