ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি – আগামীকাল অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্ড সঙ্গে না থাকলেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন ভোটাররা । নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম থাকলে এবং পোলিং অফিসার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলেই ভোট দেওয়া সম্ভব ।
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি । ভোট গ্রহণ হবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ।
অনেক ভোটারের ধারণা এনআইডি কার্ড ছাড়া ভোট দেওয়া সম্ভব নয়, যা সম্পূর্ণ ভুল । নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম ও ছবি থাকাই মূল শর্ত । পোলিং অফিসার ভোটার তালিকার সঙ্গে ভোটারের চেহারা মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলেই ব্যালট পেপার প্রদান করা হবে ।
তবে এনআইডি কার্ড সঙ্গে থাকলে ভোটদান প্রক্রিয়া দ্রুততর হয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তারা ।
ভোটাররা তাদের ভোটকেন্দ্র ও ক্রমিক নম্বর জানতে পারবেন তিনটি উপায়ে:
মোবাইল অ্যাপ: গুগল প্লে স্টোর থেকে 'Smart Election Management BD' অ্যাপ ডাউনলোড করে তথ্য পাওয়া যাবে ।
এসএমএস: মোবাইল থেকে 'PC NID Number' লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠালে ভোটকেন্দ্রের তথ্য পাওয়া যাবে ।
হটলাইন: ১০৫ নম্বরে কল করে ৯ চেপে সরাসরি অপারেটরের মাধ্যমে তথ্য নেওয়া যাবে ।
এবারের নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ সনাতন পদ্ধতিতে কাগজের ব্যালট পেপার ও সিল দিয়ে ভোট নেওয়া হবে । ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর পোলিং অফিসার ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখবেন ।
সব ঠিক থাকলে বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে বা অন্য আঙুলে অমোচনীয় কালির দাগ দেওয়া হবে । এরপর প্রিজাইডিং অফিসার দুটি ব্যালট পেপার দেবেন—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য, অন্যটি গণভোটের জন্য ।
গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে । গণভোটের ব্যালটে 'হ্যাঁ' বা 'না'-এর পাশে নির্ধারিত ঘরে সিল দিতে হবে । সিল দেওয়ার পর ব্যালট লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করে নির্ধারিত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে ।
নির্বাচন কমিশন সব ভোটারকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছে।
































