আজ যেসব যানবাহন চলবে, চলবে না


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০১:২৮ পিএম
আজ যেসব যানবাহন চলবে, চলবে না

আগামীকালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটগ্রহণের দিনসহ এর আগে-পরে সারা দেশে যানবাহন চলাচলে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) । কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের যান চলাচলে সময়ভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।

যেসব যানবাহন চলবে না
ইসি সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ রয়েছে, যা ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত বহাল থাকবে । এর পাশাপাশি আজ বুধবার মধ্যরাত থেকে আগামীকাল মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাকসহ বেশ কিছু পরিবহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা থাকবে ।

যেসব যানবাহন চলবে
সব ধরনের যানবাহনের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত পর্যবেক্ষকদের ব্যবহৃত যানবাহন এই সীমাবদ্ধতার বাইরে থাকবে । জরুরি সেবা, চিকিৎসা ও ওষুধ পরিবহন, সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহনও চলাচল করতে পারবে ।

বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরতদের সুবিধার্থে বিমানবন্দরমুখী ও বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহনের জন্য বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে । তবে এ ক্ষেত্রে টিকিট বা ভ্রমণসংক্রান্ত প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। একইভাবে দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন বা আন্তঃজেলা যাতায়াতের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে ।

প্রার্থী ও নির্বাচনি কর্মকর্তাদের জন্য সুবিধা
প্রার্থীদের জন্যও সীমিত সুযোগ রাখা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনসাপেক্ষে একজন প্রার্থী একটি ছোট গাড়ি—জিপ, কার বা মাইক্রোবাস—ব্যবহার করতে পারবেন । নির্বাচনি এজেন্টদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনি দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেলসহ প্রয়োজনীয় যানবাহন ইসি বা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে চলাচল করতে পারবে । টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরি পরিষেবা হিসেবে বিবেচনায় রেখে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ শিথিল রাখা হয়েছে ।

স্থানীয় প্রশাসনের ক্ষমতা
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা সংযোগ সড়কগুলোতে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনে নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল বা কঠোর করার ক্ষমতা রাখবেন বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এসব বিধিনিষেধের উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা। ভোটাররা যেন নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে যেতে এবং তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Link copied!