আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই তালেবানের শাসন নিয়ে আতঙ্কিত দেশটির অনেক সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নারীরা তাদের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার হারানোর ভয়ে শুরু থেকেই প্রতিবাদ করছেন।
প্রশাসনে নারীদের সমান ভূমিকা রাখার সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও তালেবানের নতুন সরকারে কোন নারী সদস্য স্থান পাননি। নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করার জন্যেও আরোপ হয়েছে নতুন বিধিনিষেধ।
সম্প্রতি নারীদের কাজে যোগ দেওয়া ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরার বিরুদ্ধে তালেবানের নির্দেশনা নিয়ে আরও অসন্তোষ বেড়েছে। এরই মধ্যে দেশটিতে নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয় বন্ধ করে নৈতিকতা বিষয়ক মন্ত্রণালয় চালু করে তালেবান।
এর প্রতিবাদে ফের জোরদার হয়েছে নারীদের বিক্ষোভ। রয়টার্স জানায়, রবিবার থেকে নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয় বন্ধ করে চালু করা নৈতিকতা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভবনের বাইরে বিক্ষোভ করছেন আফগান নারীরা। তারা জানান, গত মাসে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মন্ত্রণালয়ে কাজে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন তারা। কিন্তু তাদের মন্ত্রণালয়ে প্রবেশে বাধা দিয়ে তাদের বাড়ি যেতে বলছে বিদ্রোহীরা।
এছাড়াও নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয় পুনরায় চালুর দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। মেয়েদের ঘরে আটকে তাদের কণ্ঠরোধ করা যাবে না বলেও স্লোগান দেন তারা।
শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তানে তালেবানের সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানায়, “সকল শিক্ষক ও ছেলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফিরতে হবে।”
এই বিবৃতিতে মেয়েরা কবে ক্লাসে ফিরতে পারবে বা আদৌ তারা স্কুলে যেতে পারবে কি না সে সম্পর্কে স্পষ্টভাবে কিছু বলা হয়নি। ফলে ২০ বছর পর তালেবানের উত্থানে আফগানিস্তানে আবারও নারীশিক্ষা বন্ধের গুঞ্জন উঠেছে।







































