পবিত্র রমজান মাসে টানা ১২ দিন ধরে ফিলিস্তিনি মুসল্লিদের জন্য আল–আকসা মসজিদের দুয়ার বন্ধ রেখেছে ইসরায়েল। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আটটি মুসলিম দেশ। দেশগুলো হলো কাতার, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
গতকাল বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে মুসলিম বিশ্বের এই আট দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, জেরুজালেমের পুরোনো শহর এবং এর উপাসনালয়ে ফিলিস্তিনিদের প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসরায়েলের নিষেধাজ্ঞা ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইন, ঐতিহাসিক ও আইনি স্থিতাবস্থা, উপাসনালয়ে অবাধ প্রবেশাধিকারের নীতিসহ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’।
বিবৃতিতে ইসলায়েলের প্রতি ফিলিস্তিনিদের জন্য পবিত্র আল–আকসা মসজিদের দরজা বন্ধ রাখার নীতি থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এ আট মুসলিম দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। সেই সঙ্গে জেরুজালেমের পুরোনো শহরে যাতায়াতে বিদ্যমান বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া এবং মুসল্লিদের মসজিদে প্রবেশে যেকোনো বাধা অপসারণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিদ্যমান ‘আইন লঙ্ঘনের’ বিষয়গুলো বন্ধ করতে বাধ্য করার জন্য ইসরায়েলকে চাপ দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন আট পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
মুসল্লিদের জন্য জেরুজালেমের পুরোনো শহরে প্রবেশে বেশ কড়াকড়ি আরোপ করে রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইরানের সঙ্গে চলা যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে ‘নিরাপত্তার’ স্বার্থে এ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছি দেশটি।
তবে গতকাল ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, টানা বন্ধ রাখার এ ঘটনা এটাই স্পষ্ট করেছে যে এসব নীতি ফিলিস্তিনিদের অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ফিলিস্তিনের ওয়াফা নিউজ এজেন্সি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
নিন্দা জানিয়েছে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসও। গত মঙ্গলবার হামাস বলেছে, এটি একটি ‘বিপজ্জনক ঐতিহাসিক নজির’ এবং মানুষের প্রার্থনার স্বাধীনতার ‘সুস্পষ্ট লঙ্ঘন’।





































