বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অর্ধেক জনসংখ্যাকে টিকা দিয়ে রেকর্ড গড়েছিল ইসরায়েল। তবে সম্প্রতি আবারও দেশটিতে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হতে শুরু করেছে।
দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ নাগরিককে টিকাদানের পরেও ইসরায়েলে বাড়ছে করোনার প্রকোপ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেল্টা ধরনের দ্রুত বিস্তারের কারণেই এই বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
ইসরায়েলে করোনার ডেলটা ধরন ছড়িয়ে পড়ার পেছনে প্রধানত দুটো কারণ দায়ী বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। প্রথমত মাস্কের পড়ার বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া। আর দ্বিতীয়ত ফাইজারের ভ্যাকসিন ব্যবহার।
দেশটিতে ব্যাপক হারে ফাইজারের টিকা দেওয়া হলেও নতুন পরিসংখ্যান বলছে, করোনাভাইরাসের ডেলটা ধরনের বিরুদ্ধে মডার্নার টিকার চাইতে ফাইজারের টিকা কম কার্যকর।
এর আগে দেশটিতে শিশুদের জন্য রেস্তোরাঁ বা মার্কেটে প্রবেশে টিকাদান বাধ্যতামূলক না থাকলেও ২০ আগস্ট থেকে সবার জন্য এই আইন কার্যকর করা হয়েছে।
আল-জাজিরা জানায়, গত কয়েক সপ্তাহে ইসরায়েলে সংক্রমণ হার প্রায় শূন্যের কোটা থেকে বেড়ে এখন পাঁচ দশমিক চার শতাংশ। ফলে নতুন প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা পরিস্থিতির মোকাবেলা।
তবে চতুর্থ লকডাউনে এড়াতে সংক্রমণ হার কমানোর জোর দিচ্ছেন তিনি।






































