করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিশ্বজুড়ে সমালোচিত ভারত। এবার করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে নাকাল হয়ে মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল ঘটালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বুধবার সন্ধ্যায় মন্ত্রিসভায় ৪৩ জন নতুন সদস্য শপথ নিয়েছেন। আগের মন্ত্রিসভা থেকে ছাটাই করা হয়েছে ১২ জন সদস্যকে। এদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন ও আইন ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।
ধারণা করা হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ও সময়োপযোগী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে না পারায় হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে রবিশঙ্করের বিরুদ্ধে গুরুতর কোন অভিযোগ না থাকলেও নতুন তথ্যপ্রযুক্তি আইন নিয়ে গণমাধ্যম আর সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের ও টুইটারের সঙ্গে বিরোধে জড়ান তিনি। আদালত পর্যন্ত গড়ায় সরকারের বিরুদ্ধে হোয়াটসঅ্যাপের দায়ের করা মামলা।
অন্যদিকে হর্ষবর্ধনের সঙ্গে বিদায় নিয়েছেন তার প্রতিমন্ত্রি অশ্বিনী চৌবেও। পরিবেশমন্ত্রী ও সরকারি মুখপাত্র প্রকাশ জাভড়েকরও জায়গা পাননি নতুন মন্ত্রীসভায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন মানসুখ মান্দাভিয়া। এছাড়াও কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, উত্তর প্রদেশের শরিক আপনা দলের অনুপ্রিয়া প্যাটেলও শপথ নিয়েছেন।
নতুন মন্ত্রিসভার মোট সদস্যসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭ জনে। তবে অভিজ্ঞদের বাদ দিয়ে নতুন মুখদের নিয়ে গড়া এই মন্ত্রীসভা মোদি সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে পারবে কি না সেটাই দেখার বিষয়।







































