• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১০ ফাল্গুন ১৪৩০, ১৩ শা’বান ১৪৪৫

রোগবালাই থেকে দূরে থাকতে যেসব শাক খাবেন


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৫, ২০২৩, ১২:৫১ পিএম
রোগবালাই থেকে দূরে থাকতে যেসব শাক খাবেন
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে শাক। ছবি : সংগৃহীত

প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অন্যতম ভান্ডার হলো সবুজ টাটকা শাক। সবজির পাশাপাশি তাই নিয়মিত শাক রাখা জরুরি। একেক মৌসুমে একেক রকমের শাক পাওয়া যায়। সেগুলো নিয়মিত খেতে পারলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা যায় শরীরে। তেমন কিছু শাকের কথা আজ জানিয়ে দেব। যেগুলো খেলে অনেক সমস্যারই সমাধান পাওয়া যাবে। চলুন জেনে নিই-

পালং শাক
পালং শাকে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ওজন বাড়ার চিন্তা নেই। পালং শাকে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ব্লাড প্রেশার কমায় ও রক্তের শ্বেত কণিকার মাত্রা বজায় রাখে। ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। পালং শাক ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।

মেথি শাক
ভেষজ চিকিৎসায় একে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক হিসেবে গণ্য করা হয়। শীতকাল এলেই মেথি শাকের উৎপাদন ভালো হয়। মেথিশাক শরীরের গ্লুকোজ মেটাবলিজমকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে আপনি যদি ডায়াবেটিসের রোগী হন, সেক্ষেত্রে এটি খেতে পারেন। রক্তে চিনির মাত্রাও বাড়তে দেয় না মেথি শাক। এবং ভিটামিন সিতে ভরপুর এই শাক শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

ধনে পাতা
শীতকালে ধনে পাতার চাহিদা থাকে তুঙ্গে। গরম ভাতের সঙ্গে ধনেপাতার ভর্তা খেতে ভালবাসেন অনেকেই। ভিটামিন এ, সি এবং কের মতো প্রয়োজনীয় উপাদান রয়েছে ধনে পাতায়। এছাড়াও এতে রয়েছে, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন যা রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী। 

মিনারেলের মধ্যে রয়েছে ম্যাংগানিজ, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ক্লোরিন এবং জিংক, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি। প্রচুর পরিমাণে পলিফেনল ও ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। তাই ধনে পাতা পাতে রাখতে পারেন নিয়মিত।

সজনে পাতা
শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে সজনে পাতা। সজনে পাতায় অ্যাসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি রয়েছে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক, আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এতগুলো নিউট্রিয়েন্ট রাখতে সাহায্য করে শরীরকে। তাই প্রতিদিন না হলেও মাঝে মাঝে এই শাক খান।

কুমড়া শাক
কুমড়ার বীজের মতো কুমড়ো শাকও নানা প্রকার খনিজের ঘাটতি পূরণ করতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ শরীরের আরও প্রয়োজনীয় ভিটামিনের জোগান দিতে পারে এই শাক। তাই পাতে কুমড়া শাক রাখতে পারেন নিয়মিত।

লাল শাক
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে লাল শাকের তুলনা নেই। লাল শাকের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধেও কাজ করে। মস্তিষ্ক ও হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী করতে লাল শাকের ভূমিকা অনেক। এই শাকে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে যা চোখের দৃষ্টি ভালো রাখাসহ ভাইরাসজনিত রোগবালাই থেকে রক্ষা করে।

Link copied!