• ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১, ৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

কিশোর বয়সে যেসব সমস্যা হয়


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২১, ১০:১২ এএম
কিশোর বয়সে যেসব সমস্যা হয়

প্রত্যেকেই স্বাস্থ্যগত সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। শৈশব থেকে প্রাপ্ত বয়সে পরিবর্তনের একটি সময়ে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, জৈবিক পরিবর্তনগুলো সেই সংক্রমণকে প্রভাবিত করে। যা কিছুক্ষেত্রে গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে। কিশোর বয়সে বড় স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো একটি হচ্ছে পুষ্টিজনিত ব্যাধি অর্থাৎ অপুষ্টি ও স্থূলত্ব সম্পর্কিত। এছাড়াও আরও কিছু সাধারণ কিশোর-কিশোরীদের মধ্যেই দেখা যায়।

মানসিক সাস্থ্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, হতাশাই কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে অক্ষমতা এবং অসুস্থতার প্রধান কারণ। মানসিক স্বাস্থ্যের  সমস্যা হতে পারে এমন অনেকগুলো কারণ রয়েছে। এরমধ্যে সহিংসতা, অবমূল্যায়ন ও হতাশা বেশ প্রভাব ফেলে। জীবনের ১০ থেকে ১৯ বয়স বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টাতে কিশোর-কিশোরীদের যথাযথ মানসিক সমর্থন পাওয়া উচিত।

স্থূলত্ব এবং অপুষ্টি

অপুষ্টি কিশোর-কিশোরীদের প্রধান সমস্যা।  অপুষ্টির কারণে কিশোর-কিশোরীদের বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এতে তাদের রোগের ঝুঁকি বাড়ে।এছাড়াও অনেক কিশোর অতিরিক্ত মোটা হওয়ায় বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে।

সহিংসতা

কিশোর বয়সে অনেক সময় সহিংসতা ও হিংস্রতায় জড়িয়ে যান অনেকে। অনেকে আবার যৌন নির্যাতনেরও শিকার হচ্ছেন। সহিংসতার পেছনে প্রাথমিক কারণ হচ্ছে হরমোনাল পরিবর্তন। যা কিশোর-কিশোরীদের আগ্রাসনের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বর্ধিত এই আগ্রাসন হিংসা, বিঘ্নিত জীবন, শিক্ষা, ক্যারিয়ার এবং কখনও কখনও শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর দিকে পরিচালিত করে কিশোর-কিশোরীদের।

এইচআইভি

এইচআইভি একটি জীবন-হুমকি রোগ। যা কিশোর-কিশোরীদের জন্য় অত্যন্ত মারাত্মক স্বাস্থ্য বিষয়। অনিরাপদ যৌনতা, ওষুধের ক্রমবর্ধমান প্রভাব, ব্যবহৃত সূঁচ ব্যবহারে এইচআইভির সংক্রমণ হয়। অভিভাবক থেকেও এইচআইভি সংক্রমিত হতে পারে। 

কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত এসব সমস্যা থেকে দূরে থাকতে কিছু টিপস থাকছে। স্বাস্থ্যবিদরা বলেন, সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কিশোর বয়সের নানা সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যাগুলো মোকাবেলার জন্য কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যবিদরা।

  • কিশোর-কিশোরীরা মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন, তবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নিতে পারেন। যেখানে তারা যথাযথ মানসিক সহায়তা পাবেন। জীবন গঠনের দক্ষতা, বাবা মায়ের সঙ্গে বন্ধন জোরদার করার প্রোগ্রামগুলো কিশোর-কিশোরীদের এই সমস্যাগুলো মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে।
  • পুষ্টিকর ডায়েট এবং প্রতিদিনের অনুশীলন নিশ্চিত করতে হবে। যা অপুষ্টি ও স্থূলতা মোকাবিলায় সহায়তা করবে।
  • সহিংসতা থেকে বেঁচে যাওয়াদের কার্যকর জীবন নিশ্চিত করতে হবে। যেন তারা বিপর্যয়কর পরিস্থিতি থেকে সেরে উঠতে পারে।
  • কিশোর-কিশোরীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। কারণ এটি তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়ন করে। সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা তারা পেতে পারে।

সূত্র:হেলথ প্লাস

Link copied!