• ঢাকা
  • বুধবার, ২৬ জুন, ২০২৪, ১১ আষাঢ় ১৪৩১,

অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাক!


সংবাদ প্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১, ০৩:০৯ পিএম
অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাক!

হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার কোনও বয়স হয় না। অল্প বয়সেও আচমকা আঘাত করে এই রোগটি। বন্ধ করে দেয় হৃদস্পন্দন। শরীর চর্চা করে, নিয়মমতো জীবনযাপনে এই রোগকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে এর জন্য় আগে জানতে হবে, আপনি এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা। বয়স যাই হোক নিশ্চিন্তে থাকা যাবে না। কারণ কিছু কারণে হৃদরোগ মানবদেহে বাসা বাধতে শুরু করে। তাই কয়েকটি বিষয়ে খেয়াল রাখবেন_

  • পরিবারের কারও হার্টের সমস্যা থাকলে সতর্ক হোন। বিশেষজ্ঞরা জানান, অভিকাংশ ক্ষেত্রে বাবা কিংবা মায়ের হৃদরোগের সমস্যা থাকলে সন্তানদের ক্ষেত্রেও তা দেখা দেয়।
  • রক্তচাপ নিয়মিত পরীক্ষা করুন। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখা খুব জরুরি। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার ওষুধ খেলেও তা নিয়মিত পরীক্ষা করুন। বিশেষজ্ঞরা জানান, অধিকাংশ হার্ট অ্যাটাকের কারণ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা।
  • ব্যস্ত জীবনে অনেকেই খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়ম করেন। ধীরে ধীরে এটি কাল হয়ে দাড়ায়। অনিয়মিত খাওয়া, অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড শরীরকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। যা হার্টের উপরও এর প্রভাব ফেলে।
  • শরীরকে সুস্থ রাখতে শরীরচর্চা করুন। নিয়মিত ব্যায়াম করা ভালো। কিন্তু তা অতিরিক্ত নয়। সঠিকভাবে শরীরচর্চা সম্পর্কে জেনে নিন। ভুল শরীরচর্চায় হার্ট ও পেশির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।
  • ওজন কম-বেশি সমস্যায় অনেকেই অস্থির থাকেন। অনেকে আবার এই বিষয়ে উদাসীন। প্রতিটি মানুষের উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের ওজন ঠিক রাখতে হয়। অতিরিক্ত ওজন যেমন ভাল না, তেমনই কম ওজন শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
  • পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। যা শরীরকে সুস্থভাবে চলতে সাহায্য করে। ঘুমের অনিয়ম, রাত জেগে থাকা উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা ও ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। যা হার্ট অ্যাটাকের বড় সম্ভাবনা হয়ে দাড়ায়।
  • অতিরিক্ত ধূমপান ও মদ্যপান শরীরের জন্য বিষ। অল্প বয়সেই এর ক্ষতি ধরা পড়ে অনেক সময়। যার ফলশ্রুতি হার্ট অ্যাটাক। রোগ বয়স মানে না। তাই ধূমপানে সতর্ক হোন। মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।
  • মানসিক চাপের কারণেও হৃদস্পন্দনের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা অতিরিক্ত চিন্তা করেন বা কোনো বিষয়ে দিনের পর দিন মানসিক চাপে ভুগছেন তারাই এক সময় হৃদরোগের আক্রান্ত হচ্ছেন।

 

সূত্র: হেলথ জোন

Link copied!