৯৪ বছরেও মেলেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড


টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৩, ০৯:১৫ এএম
৯৪ বছরেও মেলেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড

বয়সের ভারে চলাফেরা করতে পারেন না মরনী রাজবংশী (৯৪)। দিনের বেশির ভাগ সময় তার কাটে বিছানায় শুয়ে। স্বামী বেঁচে থাকতে কোনোরকমে সংসার চলত তাদের। স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানরাও ঠিকমতো দেখভাল করতে পারে না। আজ পর্যন্ত কপালে জোটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড। বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য বেশ কয়েক বছর ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। কিন্তু আশ্বাস ছাড়া আর কিছুই পাননি।

মরনীর বাড়ি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর গ্রামে। স্বামী মৃত মুছিরাম রাজবংশী। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ১৯২৯ সালে ১০ আগস্ট জন্ম তার। তার তিন ছেলে ও তিন মেয়ে। সবার বিয়ে হয়ে গেছে। দুই ছেলে মারাও গেছে। স্বামীর রেখে যাওয়া সামান্য জায়গার ওপর টিনের ছাপরা ঘরে বসবাস করেন মরনী।

মরনী রাজবংশী বলেন, “চোখে তেমন দেখতে পাই না। শরীর আর চলতে চায় না। শুয়েবসেই দিন কাটে। অনেক বয়স হয়েছে, এখন পর্যন্ত ভাতার কার্ড পাইনি। কত নেতাদের দ্বারে দ্বারে গেছি। কেউ আমারে কার্ড করে দেয়নি। আর কত বয়স হলে ভাতার কার্ড পাব আমি?”

বাসাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহেল বলেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি অবশ্যই মরনী রাজবংশীর বাড়িতে যাব এবং খুব তাড়াতাড়ি ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করে দেব।”

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নূরে-ই-লায়লা বলেন, “বিষয়টি আমার জানা ছিল না। দ্রুতই মরনী রাজবংশীর খোঁজখবর নিয়ে তার কার্ড করে দেওয়া হবে।”

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তার বলেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে তাকে বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

স্বদেশ বিভাগের আরো খবর

Link copied!