বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা। লকডাউনের সপ্তম দিনে চুয়াডাঙ্গার শিল্পনগরী দর্শনা বাসস্যান্ডে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বি এম তারিকুজ্জামান। এ সময় মাস্ক না পরায় পাখিভ্যান চালক সদর উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের তারাচাঁদ আলীকে ১০০ টাকা জরিমানা করেন তিনি।
তারাচাঁদ আলীর পকেট হাতড়ে জোগাড় হয় মাত্র ৬৫ টাকা। ততক্ষণে মোবাইল কোর্টের ডিসিআর (ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিট) এ জরিমানার পরিমাণ লেখা হয়ে গেছে। কী আর করা? ডিসিআরটি ছিঁড়লেন না ম্যাজিস্ট্রেট। নিজের পকেট থেকে ৩৫ টাকা দিয়ে ১০০ টাকা পূরণ করে দেন।
ম্যাজিস্ট্রেট বি এম তারিকুজ্জামান বলেন, লকডাউনে মোবাইল কোর্টে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে এ রকম নানা ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়। অনেক সময় বেদনাদায়ক হয়। তারপরও করোনার এই ক্রান্তিকালে সর্বাত্মক স্বাস্থ্যবিধি মানাতে মানুষের জন্য দেশের জন্য আমাদের কঠোর হতে হয়।
বি এম তারিকুজ্জামান আরও জানান, একজন শিক্ষককে নগদ জরিমানার পরিবর্তে এক বক্স মাস্ক কিনে সঙ্গে সঙ্গে বিতরণ করানো হয়। সেই সঙ্গে ৩১ জনের দণ্ড দিয়ে ২৯ জনের কাছ থেকে ৩ হাজার ১২০ টাকা আদায় করা হয়। পাশাপাশি সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।






































