সাইপ্রাসে ব্রিটিশ সেনা ঘাঁটিতে ইরানের ড্রোন হামলা হওয়ার পর এখন ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য।
যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের জন্য ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ডানকান প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
তবে মোতায়েনের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানানো হয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রণালয়ের সূত্রে।
এই টাইপ-৪৫ ডেস্ট্রয়ার প্রাথমিকভাবে আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়ে আসছিল। এখন সাইপ্রাসের সেনাঘাঁটি আরও সুরক্ষিত করতে এই যুদ্ধজাহাজকে কাজে লাগানো হতে পারে।
যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ডানকান বিশেষভাবে ড্রোন-বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ। গতমাসে এই যুদ্ধজাহাজের পরীক্ষায় মহড়াও হয়েছে ওয়েলস উপকূলে।
যুদ্ধজাহাজটি পাঠানো হলে এটি সাইপ্রাসে পৌঁছতে পাঁচ থেকে সাতদিন সময় লাগবে।
সাইপ্রাসে ব্রিটিশ রাজকীয় বিমান বাহিনীর আক্রোতিরি ঘাঁটিতে সন্দেহভাজন একটি ড্রোন গত ২ মার্চে আঘাত হানে। সেটি ইরানের ড্রোন ছিল বলে পরে নিশ্চিত করে জানায় সাইপ্রাস সরকার।
মস্কোয় একসময় কাজ করা সাবেক ব্রিটিশ অ্যাটাশে জন ফোরম্যান বলেছেন, গত শনিবারে ইরানে হামলা শুরুর অনেক আগে থেকে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি বাড়তে দেখার পরও যুক্তরাজ্য সাইপ্রাসে তাদের ঘাঁটির সুরক্ষায় যুদ্ধজাহাজ পাঠাতে এত সময় নিল কেন সেটি বিষ্ময়কর।
তিনি বলেন, “যুক্তরাজ্য এখন পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ডেস্ট্রয়ার পাঠানোর চিন্তা করছে, তার মানে এটি পরিষ্কার যে সেখানে এরই মধ্যেই আরও কেউ থাকবে।”
সাইপ্রাসের সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফ্রান্স এরই মধ্যে সাইপ্রাসে ড্রোন-বিধ্বংসী ব্যবস্থার একটি ফ্রিগেট পাঠাতে রাজি হয়েছে। তাছাড়া, জার্মানির কাছেও সহায়তা চেয়ে অনুরোধ পাঠানো হয়েছে এবং তা বিবেচনাধীনে আছে।






























